ব্রেক্সিট: দলের ভেতর থেকে পদত্যাগের চাপে টেরেজা মে'র 'প্রধানমন্ত্রিত্বের দিন ঘনিয়ে আসছে'

বিবিসির অ্যান্ড্রু মার শো'তে ব্রেক্সিট নিয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন টেরিজা মে। ছবির কপিরাইট Jeff Overs / BBC
Image caption বিবিসির অ্যান্ড্রু মার শো'তে ব্রেক্সিট নিয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন টেরিজা মে।

ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে'কে পদত্যাগ করার জন্য তীব্র চাপ সৃষ্টি করছেন তারই মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য।

এতে মনে হচ্ছে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে-র সময় শেষ হয়ে এসেছে।

তার উপস্থাপিত ব্রেক্সিট চুক্তি এর আগে দু'বার পার্লামেন্টে বিপুল ভোটে হেরে গেছে, এবং তিনি তৃতীয়বারের মতো এটিকে পার্লামেন্ট এনে আবার পাস করানোর চেষ্টা করবেন - এ জল্পনাকে কেন্দ্র করে কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে অসন্তোষ ক্রমাগত বাড়ছে।

এমন কি তার মন্ত্রীসভার সিনিয়র সদস্যরাও এখন তার প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে আপত্তি গোপন করতে পারছেন না।

অবশ্য টেরেজা মে যদি এই বিরোধিতাকে আমলে না নেন এবং তার পদ আঁকড়ে থাকেন তাহলে এই অসন্তুষ্ট মন্ত্রী-এমপিরা কি করবেন, এটা এখনো স্পষ্ট নয়।

কিছু এমপি বলছেন, তারা হয়তো অনিচ্ছাসত্ত্বেও টেরেজা মে'র ব্রেক্সিট চুক্তিটি তৃতীয়বার ভোটে উঠলে তাকে সমর্থন দিতে পারেন।

কিন্তু তার শর্ত হবে এই যে, ইউ-র সাথে আগামী আলোচনায় তিনি আর ব্রিটেনকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন না।

ছবির কপিরাইট PA
Image caption লন্ডনে ব্রেক্সিট-বিরোধী শোভাযাত্রা।

আরো পড়তে পারেন:

লাইসেন্স দিয়ে বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি কতটা সম্ভব?

সিলেটে বাসের চাকায় ছাত্র পিষ্ট হবার আগের মুহুর্ত

গান কেন ছেড়ে দিয়েছিলেন শাহনাজ রহমত উল্লাহ

সংবাদপত্রগুলোর রিপোর্টে বলা হচ্ছে, মিসেস মে'র ওপর তীব্র চাপ তৈরি হচ্ছে এবং মন্ত্রিসভা তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করতে পারে।

অবশ্য ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড বলছেন, মিসেস মে'কে সরিয়ে দেয়াটা ব্রেক্সিট নিয়ে অচলাবস্থা ভাঙতে পারবে না।

কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে এক গভীর বিভেদ তৈরি হয়েছে, এবং কিভাবে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারে, তা নিয়ে রাজনীতিবিদরা কিছুতেই একমত হতে পারছেন না।

তাই টেরেজা মে যদি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়েও দেন, তা হলেও যুক্তরাজ্যে যে সঙ্কট তৈরি হয়েছে তার মৌলিক কোন পরিবর্তন হবে না।