স্কুলে যৌন হয়রানীর শিকার হলে করনীয় কি
আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

স্কুলে যৌন হয়রানির শিকার হলে করণীয় কী

মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতকে নিজ ক্যাম্পাসে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া এবং তার আগে তাকে এক শিক্ষকের যৌন হয়রানির অভিযোগ বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রশ্নটিকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কোথায় গিয়ে প্রতিকার চাইতে হবে তা না জানার কারণে অন্তত দশ মাস ধরে শিক্ষকের নিপীড়ন সহ্য করেছে এক ছাত্রী।

বছরকয়েক আগে আদালত বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছিল, যাতে করে ওই কমিটির কাছে যৌন হয়রানির শিকার হওয়া শিক্ষার্থীরা প্রতিকার চাইতে পারে।

কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আদালতের এই নির্দেশে খুব একটা সাড়া দেয়নি। সরকারেরও যথাযথ মনিটরিং নেই এ ব্যাপারে।

ঢাকার একটি আলিয়া মাদ্রাসা এবং একটি নামকরা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে বিবিসির সংবাদদাতা এমন কোন কমিটি থাকবার অস্তিত্ব পায়নি।

ঢাকার কাছে আরেকটি বিদ্যালয়ে গিয়ে সংবাদদাতা এক ছাত্রীর সাথে কথা বলে জানতে পেরেছে যে, গত বছর তাদের এক শিক্ষক তাকে এবং তার একাধিক সহপাঠীর উপর মাসের পর মাস ধরে যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে।

কিন্তু কোথায় গিয়ে প্রতিকার চাইতে হবে সেটা না জানা থাকার কারণে অন্তত দশ মাস ধরে তারা এই নিপীড়ন সহ্য করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে, নুসরাতের ঘটনার পরও যেখানে গণমাধ্যমে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই এমন নিপীড়নের অভিযোগের খবর আসছে, সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য অভিযোগ জানানো বা প্রতিকার চাওয়ার কি ব্যবস্থা আছে প্রতিষ্ঠানগুলোতে?

দেখুন তাফসীর বাবুর প্রতিবেদন।

সম্পর্কিত বিষয়