লাহোরে সুফি মাজারের বাইরে বিস্ফোরণে অন্তত পাঁচজন নিহত

ধারণা করা হচ্ছে হামলাটি পুলিশকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption ধারণা করা হচ্ছে, হামলাটি পুলিশকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে।

পাকিস্তানের লাহোরের অন্যতম প্রধান সুফি মুসলিম মাজারের বাইরে বিস্ফোরণে অন্তত পাঁচজন মারা গেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এই বিস্ফোরণে কয়েকজন পুলিশসহ অনেকেই আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পুলিশের একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে পুরনো সুফি মাজারগুলোর একটি দাতা দরবার সুফি মাজারের বাইরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

ঐ এলাকায় বর্তমানে নিরাপত্তা অভিযান চলছে।

এখন পর্যন্ত কোনো সংস্থা হামলার দায় স্বীকার করেনি।

রেডিও পাকিস্তানের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই হামলার কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষের প্রতি।

আরো পড়তে পারেন:

আইএস জঙ্গিরা কি বাংলাদেশে ফেরত আসছে?

'রমজান' কীভাবে 'রামাদান' হয়ে উঠেছে ভারতে

বিন লাদেন: মৃত্যুর আট বছর পর আল-কায়েদা এখন কোথায়?

পাকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লাহোরের প্রাচীন এলাকা ওয়ালেদ সিটিতে অবস্থিত ছিল মাজারটি।

সুন্নি এবং শিয়া মতাবলম্বী হাজার হাজার দর্শণার্থী প্রতিবছর এই মাজারটিতে আসেন।

ইসলাম ধর্মে সুন্নি এবং শিয়া উভয় মতাবলম্বীদের মধ্যেই সুফিবাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে।

পাকিস্তানে এর আগেও সুফিবাদে বিশ্বাসীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

২০১০ সালে দাতা দরবার মাজারের বাইরে দু'টি আত্মঘাতী হামলায় অনেকের মৃত্যু হয়।

২০১৪ সালে পেশোয়ারের স্কুলে বোমা হামলায় ১৪১ জন মারা যাওয়ার পর পাকিস্তান জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর চেষ্টা চালায়।

তারপর থেকে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনো পাকিস্তানে জঙ্গীবাদের আশঙ্কা রয়েই গেছে।

২০১৬ সালে ইস্টার সানডেতে লাহোরের খ্রিস্টানদের ওপর হওয়া হামলায় অন্তত ৭২ জন নিহত হয়।