এডিটার'স মেইলবক্স: ধানের ন্যায্যমূল্য নিয়ে কৃষকদের উদ্বেগ

চালের কলে ধান নিয়ে এসেছেন নারী কৃষকরা। ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption চালের কলে ধান নিয়ে এসেছেন নারী কৃষকরা।

এ সপ্তাহে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বাংলাদেশে কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ আর হতাশা।

অনেকেই লিখেছেন বিষয়টি নিয়ে। শেরপুর, বগুড়া থেকে লিখেছেন সম্পদ পোদ্দার বলরাম:

''বাংলাদেশে কৃষকেরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। অথচ বর্তমানে এই কৃষকের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। ধানের বাজার-মূল্য, উৎপাদন-মূল্যের চাইতে অনেক কম। ফলে তাদের লাভের পরিবর্তে উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে। ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত সাধারণ কৃষক দিশেহারা হয়ে চোখে সরষে ফুল দেখছে। ফসল না কেটে জমিতেই পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে প্রতিবাদ করছে। আমার প্রশ্ন যদি কৃষকের এই হাহাকার অবস্থা চলতে থাকে তাহলে খাদ্য নিরাপত্তার কতটা ঝুঁকিতে পড়বে বাংলাদেশ? এবং এর সমাধানই বা কি? এনিয়ে শনিবারে একটি ফোন ইন অনুষ্ঠান প্রচার করলে বাধিত হবো।''

আপনি শুনে খুশি হবেন মি: পোদ্দার যে শনিবার সন্ধ্যায় প্রবাহ অনুষ্ঠানে এই বিষয়েই হচ্ছে এ সপ্তাহের ফোন ইন।

বাংলাদেশে দেখা যায় ধানের ফলন ভাল হলেই ধানের দাম নিয়ে কৃষকদের হতাশায় পড়তে হয়। অনেক কৃষকই বলছেন তাদের জমিতে ধান ছাড়া কিছু করা যায় না। এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার আদৌ কোন উপায় আছে কীনা এ নিয়ে এখন ভাবনা চিন্তা চলছে। কৃষি মন্ত্রী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার চাল রপ্তানির কথা ভাবছে। আর কৃষি অর্থনীতিবিদরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলছেন। আপনাকে লেখার জন্য ধন্যবাদ।

তবে দিনাজপুরের মো: সফিউল আলম-এর মন্তব্য:

''আমি একজন কৃষক পরিবারের সন্তান। ছোট বেলা থেকেই কৃষি কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বর্তমানে উৎপাদিত ফসলের যে বাজারদর বিশেষ করে ধানের, তাতে যে কোন সুস্থ মানুষের এতটুকু বুঝতে বাকি থাকে না যে কৃষকেরা কতটা বৈষম্যের শিকার। ফসলের চেয়ে শ্রমিকের মজুরি মূল্য বেশি। আমাদের কাছে এটা অশনিসংকেত। সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয়ে বিলম্ব হলে ভারতের মতো আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া ছাড়া কৃষকদের দ্বিতীয় কোন পথ খোলা থাকবে বলে আমার মনে হয় না।''

উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার জন্য দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তারা একথাও বলছেন যে সরকার কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে খরচ কমানোর পরিকল্পনা করলে একটা স্থায়ী সমাধান সম্ভব হতে পারে। আপনাকে ধন্যবাদ। অনেকেই লিখেছেন বিষয়টি নিয়ে। সবার চিঠি অনুষ্ঠানের স্বল্প পরিসরে পড়া সম্ভব হচ্ছে না। তাদের সবাইকে মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন - প্রযুক্তি ব্যবহার করে কি ধানের দাম বাড়ানো যাবে? পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption শ্রমিক সংকটে কৃষকদের ফসলের পেছনে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

গত কয়েকদিন ধরে ৫২টি নিম্ন মানের পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার খবর নিয়ে চলছে প্রচুর আলোচনা। এ বিষয়েও লিখেছেন বেশ কয়েকজন শ্রোতা। ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে লিখেছেন শামীম উদ্দিন শ্যামল:

''বাংলাদেশে মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমা আদালত মানহীন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করলেও স্থায়ীভাবে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখিনি কর্তৃপক্ষকে। আজ এই ৫২টি ভেজাল বা মানহীন পণ্য নিয়ে যত হইচই হচ্ছে, ততটা গুরুত্বের সঙ্গে তার সমাধান আমরা পাবো না। এই ঘটনায় বাজারে কতটা তদারকি করা হলো, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা কী নেয়া হলো, ভবিষ্যতে ভেজাল পণ্য উৎপাদন বন্ধে কতটা কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হবে, এমন সংবাদ আমরা পাইনা। অথবা পেলেও আমরা আশ্বস্ত হতে পারি না। তাহলে এসবের সমাধান কি?''

মি: শ্যামল এসবের সমাধান হতে পারে একটাই - তা হল সারা বছর নজরদারি চালু রাখা। খাবারের গুণমান পরীক্ষা করার পদ্ধতি আরও জোরদার এবং নিয়মিত করা এবং যারা মান বজায় না রেখে খাদ্যপণ্য বাজারজাত করছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

কাউনিয়া, রংপুর থেকে চিঠি লিখেছেন বিলকিছ আক্তার:

''১৫ মে প্রত্যুষা অধিবেশনে একটি খবর শুনে খুব মন খারাপ হলো ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর উচ্চমাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অফিস কক্ষে আগুন দিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের সনদ, মেডেল, কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা! পুড়ে যাওয়া জিনিসের মধ্যে আছে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে উপজেলা পর্যায়ে এই প্রতিষ্ঠানের মেয়েদের অর্জন করা সনদ ও মেডেল। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কলসিন্দুরের অবস্থান হলেও দেশজুড়ে এর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে।

''এ রকম একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগুন লাগিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলার কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেয়েরা ফুটবল খেলে এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছে, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস কক্ষে কারা অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটাল, তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হোক।''

আপনার দীর্ঘ চিঠিতে আপনি নিজেই লিখেছেন আগে মেয়েদের ফুটবল খেলা নিয়ে এলাকার কিছু লোকের মধ্যে সামান্য আপত্তির আভাস পাওয়া গেলেও, এখন এলাকার সবাই এই মেয়েদের আশীর্বাদ হিসেবেই দেখেন। কেননা ওই মেয়েদের জন্যই এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ এসেছে। আর ওই মেয়েদের কৃতিত্বের কারণেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হতে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিকভাবে কাউকে সন্দেহ করছে না বলে জানিয়েছে। তবে আশা করা যায় তদন্তে বেরিয়ে আসবে অগ্নিসংযোগের ঘটনা কীভাবে ঘটল। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ফুটবল খেলছে কলসিন্দুর গ্রামের মেয়েরা

লিবিয়া থেকে ছোট্ট নৌকায় চেপে খুবই বিপদসঙ্কুল পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় নৌকাডুবিতে কিছুদিন আগে নিহত প্রায় ৬০ জন অভিবাসীর মধ্যে অন্তত ৪০ জন ছিলেন বাংলাদেশি। এ প্রসঙ্গে খুলনার দাকোপ থেকে লিখেছেন মুকুল সরদার:

''সম্প্রতি অবৈধ ভাবে নৌ-পথে বিদেশ যাওয়ার সময়ে নৌকা ডুবে অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও এসব মানুষ কেন অবৈধ পথে বিদেশ যেতে চায় সেটি যেমন বড় প্রশ্ন, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন মানব পাচারকারীরা দীর্ঘ দিন ধরে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিক কি ভাবে?''

উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ পথে হলেও ঝুঁকি নিয়ে মানুষ জেনে শুনে বিপদসঙ্কুল পথ পাড়ি দিচ্ছে। সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা থেকে উদ্ধার পাওয়া কয়েকজন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন কীভাবে দালালদের প্রতারণার শিকার তারা হয়েছেন। আসলে মানুষ যতক্ষণ না বিপদে পড়ে ততক্ষণ ভাবে সে হয়ত পার পেয়ে যাবে। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আবার ধানের মূল্য ও কৃষকদের ক্ষোভের প্রসঙ্গ। ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া নিয়ে কৃষকদের অসন্তোষ ও হতাশা প্রসঙ্গে কপিলমুনি খুলনা থেকে মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পীর চিঠি:

''কৃষি এবং কৃষি পণ্যর উপর নির্ভর করে বাংলাদেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষের জীবন জীবিকা। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম এলাকার বিস্তীর্ন কয়েকটি জেলার মানুষ সাধারণত বছরে দুই বার ধান চাষাবাদ করেন । কিন্তু বর্তমানে ধানের দামের চেয়ে একজন শ্রমিকের প্রারিশ্রমিক বেশি । ডিজেলের দাম ,কীটনাশক এর দাম ,নিরানী খরচা, কৃষকের নিজের শ্রমের মূল্য হিসাব করলে অবশিষ্ট আর কিছু থাকছেনা । বিবিসির মাধ্যমে যদি খবরটি কৃষি মন্ত্রী পর্যন্ত যায়, তাহলে হয়ত বা সরকারিভাবে ভর্তুকি প্রদান করে ধানের দাম বাড়ানো সম্ভব হলে কৃষক হয়ত আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।''

আপনার বক্তব্য বিবিসি বাংলার মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রীর কাছে পৌঁছবে সে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন দীর্ঘমেয়াদে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হলে বাজার ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের বাস্তবতার সমন্বয়ে এই বাজার ব্যবস্থা সাজানোর কথা বলছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা। সরকারকে সবদিক বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যা সমাধানের একটা পথ খুঁজতে হবে। আপনাকে লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption যে ১৬ জনকে শনিবার সকালে সাগর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তাদের একজন আহমেদ বিলাল, বাড়ি বাংলাদেশের সিলেটে

দালালদর হাতে প্রতারিত হবার কাহিনি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশিরা। পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া থেকে লিখেছেন সায়ন মহারত্ন:

''আমি জানিনা এই মেলের উত্তর পাব কিনা, কিন্তু বাংলা বলতে কেবল বাংলাদেশ নয়। ভারতে ৮% জনগণ বাংলাভাষী, তার মানে সংখ্যাটা ১০ কোটিরও বেশি। আপনারা এই বাংলারও খবর করুন৷ আমরা হিন্দি বুঝি না, বিবিসি হিন্দি মানেই ভারতের বিবিসি নয়। বিবিসি বাংলা যেন দুই বাংলার বিবিসি হয়। আমাদের দেশে বাংলা ভাষাকে বাঁচানোর জন্য পথে ঘাটে প্রতিদিন প্রতি নিয়ত লড়াই করতে হয়। বাংলাদেশ আমাদের প্রেরণা।''

মি: মহারত্ন - প্রথমত আপনার মেলের উত্তর আপনি পাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত বিবিসি বাংলায় পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের অনেক খবর গুরুত্ব অনুযায়ী স্থান পায়। আপনি যদি নিয়মিত আমাদের অনুষ্ঠান শোনেন এবং আমাদের ওয়েবসাইট বিবিসি বাংলা ডটকম ভিজিট করেন দেখবেন ভারতের গুরুত্বপূর্ণ খবর উপেক্ষা করা হয় না। তবে আমাদের শ্রোতা প্রধানত বাংলাদেশে । তাই বাংলাদেশের খবর আমাদের সম্প্রচারে স্বাভাবিকভাবেই বেশি গুরুত্ব পায়। ধন্যবাদ আপনাকে।

মৌকরন, পটুয়াখালী থেকে শাহিন তালুকদার জানতে চেয়েছেন:

''আসছে বিশ্বকাপে বিবিসি বাংলার কাছ থেকে মিহির বোস ও শরাফত ভাইদের চুলচেরা বিশ্লেষণ শোনার আশা করতে পারি কি?''

মি: তালুকদার। বিশ্বকাপ মরশুমে রেডিও ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এই প্রতিযোগিতার নানা দিক নিয়ে নানাধরনের খবরাখবর দেবার ও খেলার বিশ্লেষণ শোনানোর পরিকল্পনা আমাদের অবশ্যই রয়েছে। আমাদের ওয়েবসাইট www.bbcbangla.com য়ে নিয়মিত চোখ রাখুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড় থেকে প্রশ্ন করেছেন দিপক চক্রবর্তী:

''বিবিসিতে আগে যাদের কথা শোনা যেত, যেমন মনোয়ার সাহাদাৎ দর্প, সেলিম মিয়া,আবুল কালাম আজাদ, সাগর সারোয়ার,অর্চি অতন্দ্রিলা, শামীমা আক্তার এরা কি এখন বিবিসিতে নেই?''

মি: চক্রবর্তী- যাদের নাম করেছেন তারা সবাই এখনও বিবিসি বাংলায় কাজ করছেন। একমাত্র বিবিসি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন মনোয়ার দর্পণ। এদের মধ্যে সেলিম মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, সাগর সারোয়ার আর অর্চি অতন্দ্রিলা বিবিসি প্রবাহ টিভির জন্য নিয়মিত কাজ করেন। শামীমা আক্তার বিবিসি বাংলার প্রশাসনিক বিভাগে কাজ করেন। তিনি এখনও আমাদের পূর্ণকালীন কর্মী। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ক্রিকেট বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে ৩০শে মে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিখেছেন মাকামে মাহমুদ চৌধুরী:

''বিবিসির বাংলার রেডিও এর পাশাপাশি নিজস্ব একটি টেলিভিশন চ্যানেল চালু করলে মনে হয় বিবিসি বাংলার দর্শক সংখ্যা আরও অনেকাংশে বৃদ্ধি পেত। কারণ বর্তমানে বেশিরভাগ দর্শকমহলই ইন্টারনেটের পাশাপাশি টিভির ওপর নির্ভরশীল। বিবিসি বাংলার ভিডিও-র মাধ্যমে ধারণকৃত, প্রচারিত প্রতিবেদন ও সংবাদগুলি দেখতে যেমন অনন্য, তেমনি অনুসন্ধানী মনের জ্ঞানপিপাসা মেটাতেও অনেকখানি সক্ষম। এসব অসাধারণ বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন গুলো টেলিভেশনের মাধ্যমে প্রচার করলে তা দর্শকের মনের চাহিদা মেটাবে।''

বিবিসি বাংলার নিজস্ব টিভি চ্যানেল না থাকলেও বর্তমানে চ্যানেল আই-য়ে আমাদের চলতি ঘটনাবলীর অনুষ্ঠান দেখা যায় সপ্তাহে দুদিন। এছাড়াও সপ্তাহে একদিন চ্যানেল আই-তে আমাদের একটি প্রযুক্তি বিষয়ক অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় ক্লিক নামে। নিজস্ব টিভি চ্যানেল খুবই ব্যয়বহুল ব্যাপার। তার জন্য যে পরিমাণ অর্থবল ও লোকবল প্রয়োজন তা আমাদের নেই। কাজেই এ ব্যাপারে আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে। আশা করি চ্যানেল আইতে বিবিসি বাংলার টিভি অনুষ্ঠান দুটি প্রতি সপ্তাহে আপনার দেখার সুযোগ হয়- সোমবার এবং বৃহস্পতিবার। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে আজকের সবশেষ চিঠি। সাভার ঢাকা থেকে ছোট একটি প্রশ্ন করেছেন লিপন কুমার দে:

''আমি বিবিসি বাংলা অনলাইন নিউজের একজন নিয়মিত পাঠক। কিন্তু বিবিসি বাংলা রেডিওতে এখন দিনে কখন অনুষ্ঠান প্রচার হয় তা জানি না। দয়া করে জানালে কৃতার্থ হতাম।''

বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান এখন শোনা যায় বাংলাদেশে সকাল সাড়ে সাতটা আর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। বিবিসি বাংলার অনলাইন পেজেও অনুষ্ঠান দুটি সরাসরি শোনা যায়। এছাড়াও বিবিসি বাংলা ডট কমে তিনদিন পর্যন্ত পুরোন অনুষ্ঠান শোনার সুযোগ রয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।

তরিকুল সরদার, বটিয়াঘাটা, খুলনা।

মোঃ জাকিউল ইসলাম রাসেল, রংপুর।

মো: মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সৈয়দপুর, নীলফামারী।

বোরহান বিশ্বাস, খিলগাঁও, ঢাকা।

মাসুম রেজা, গাংনী, মেহেরপুর।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

গাজী মোমিন উদ্দীন, ডেস্টিনি ওর্য়াল্ড রেডিও ক্লাব, সাতক্ষীরা।

শুভংকর ঢালী, নাজিরপুর, পিরোজপুর।

কামাল হোসাইন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট রেডিও লিসনার্স ক্লাব, মোল্যা বাড়ী মধুখালী, ফরিদপুর।

পলাশ চন্দ্র রায়, জায়গীর পাড়া, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/