ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯: অস্থিরমতি ইংলিশ আবহাওয়ায় স্বাগত

লন্ডন, ডায়েরি,
Image caption লন্ডনের রাস্তায় এক বিকেল।

ইংল্যান্ডে পা রেখেই প্রথম যেটি চমকে দেয় সেটি হল ঘড়ির সময়ের সাথে সূর্যাস্তের পার্থক্য। ঘড়ি বলবে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে, কিন্তু লন্ডনের আকাশ বলবে বেলা এখনো ঢের বাকি!

এখন গ্রীষ্মকাল এখানে, সূর্য ডুবতে ডুবতে রাত ৯টা পেরিয়ে যায়। প্রথমদিকে অস্বস্তি লাগবে, কিন্তু বাঙালি তো সবকিছুতেই মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত।

সবাই বলছিল ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ব্রিটেনে এই জুন-জুলাই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। দারুণ আবহাওয়া। লন্ডনের প্রথম সকালে সেটা অবশ্য ভুল মনে হয়নি মোটেও। কি চমৎকার সূর্য, ১৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রোদটা গায়ে লাগিয়ে আরামও লাগছিল। কিন্তু বিকেল নাগাদ বিধিবাম। কোথা থেকে হাড়কাঁপানো বাতাস জাঁকিয়ে নিয়ে এলো শীত। তাপমাত্রা নেমে এল এক ঝটকায় ১২ ডিগ্রিতে। আর সন্ধ্যায় ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আমাদের মতো আগন্তুকদের বিপদ বাড়িয়ে দিলো আরো।

সাধে কি আর বলে, লন্ডনের আবহাওয়াকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই!

তাইতো মোবাইল, ওয়ালেটের মতো এখানে অবশ্যই সাথে একটা ছাতা রাখাও দস্তুর।

ছাতা দিয়ে মাথা বাঁচলেও আস্ত ক্রিকেট মাঠ তো আর বাঁচানো সম্ভব না। তাই এই লন্ডনে বসেও খবর পাই কার্ডিফে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল হবার। অর্থাৎ যুক্তরাজ্য জুড়েই আবহাওয়ার এমন চমকে দেয়া স্বভাব।

আইসিসিরও মূল দুশ্চিন্তার নাম তাই ওই বৃষ্টি। যেটাকে বশে আনা এখনো সম্ভব হয়নি মানুষের পক্ষে। তবে উদ্বোধনী ম্যাচ অবশ্য আপাতত সে শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়েছে।

ইংল্যান্ডের জন্য এরচেয়ে ভালো বিশ্বকাপের সূচনা বোধহয় আর হয়না।