এডিটারস্ মেইলবক্স: মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, চিকিৎসক দ্বারা 'যৌন হয়রানি'

ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির খবর নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ (ফাইল চিত্র) ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির খবর নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ

এ সপ্তাহে আলোচিত বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের অধিকাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির প্রসঙ্গ, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নিখোঁজ ভাগ্নের ফিরে আসা সহ নানা বিষয়।

এর মধ্যে আজ প্রথম যে চিঠিটি হাতে নিচ্ছি সেটি লিখেছেন জোৎশ্রীপুর, মাগুরা থেকে রিপন বিশ্বাস:

''সম্প্রতি বিবিসি বাংলায় একটি সন্দেহজনক খবর প্রচারিত হলো যেখানে বলা হলো একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক কর্তৃক যৌন হয়রানির স্বীকার হয়েছেন। ঐ ছাত্রী একটি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন! ঘটনাটা বিরল ও ব্যতিক্রম।

আমি খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলাম কিন্তু প্রতিবেদনটিতে নির্দিষ্ট কোন তথ্য পেলাম না। ঐ ছাত্রীর নাম না হয় সম্মান হানির জন্য বাদ দিলাম, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, হাসপাতালের নাম বা চিকিৎসকের নাম জানানো হলো না কেন? এইটা কি বানানো গল্প নাকি সত্যি ঘটনা প্রশ্ন থেকে যায়!''

অভিযোগের ঘটনাটি অবশ্যই সত্যি। এধরনের একটি অভিযোগ উঠেছে সেই খবরটি নিশ্চিত করার পরই আমরা সেটা প্রচার করেছিলাম। তবে ওই তরুণী, চিকিৎসকের আচরণ নিয়ে থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করেননি। তিনি ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগ ছিল খুবই সিরিয়াস। ঘটনাটি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিবিসি বাংলা কথা বলে এবং তারা জানায় যে ঘটনার সময় যেহেতু তৃতীয় কোন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত ছিল না, তাই নিরপেক্ষভাবে ঘটনার সত্যাসত্য যাচাই করা তাদের জন্য কঠিন ছিল। তা স্বত্ত্বেও তারা অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে।

মি: বিশ্বাস বানানো কোন গল্প বিবিসি প্রচার করে না। দ্বিতীয়ত এখানে শুধু অভিযোগকারী নারীর সম্মান নয়, চিকিৎসক, হাসপাতাল সবার সম্মান এবং ভাবমূর্তি জড়িত। অভিযোগের যেহেতু সাক্ষ্যপ্রমাণ ছিল না, তাই কারো পরিচয় প্রকাশ করে সম্মানহানি করাটা আমাদের নীতিবিরুদ্ধ। কিন্তু যেহেতু নারী রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসকদের অশালীন বা আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ এর আগেও উঠেছে তাই বিষয়টি তুলে আনা আমরা সঙ্গত মনে করেছি। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption এর আগেও বাংলাদেশে অনেক সময় চিকিৎসক বা হাসপাতাল কর্মীদের বিরুদ্ধে নারী রোগীদের সঙ্গে অশালীন বা আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। (প্রতীকি ছবি)

বাংলাদেশে ওষুধের দোকানগুলিতে মেয়াদউত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি প্রসঙ্গে লিখেছেন কপিলমুনি, খুলনা থেকে মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:

''অনেক ঔষুধের দোকানে কোন ব্যবস্থাপনা ছাড়া ওষুধ প্রদান করা হয়। অনেক সময় নানা রোগের জন্য এ্যান্টিবায়োটিক ঔষুধ প্রেসক্রিপশান ছাড়া প্রদান করা হয়। অনেক ঔষুধের দোকানকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দোকান করতে দেখতে পাওয়া যায়। অনেক দোকানদারের ঔষুধের দোকান করার জন্য অপরিহার্য কেমিষ্ট ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ নাই। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই যে ঔষুধ মানুষের জীবন রক্ষা করে, সেই ঔষুধ যদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়, তাহলে তা কি মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারবে?''

আপনি অনেকগুলো প্রশ্ন তুলেছেন। দেখুন কোন্ দোকানে ওষুধ বিক্রির ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থাপনা নেই বা কোন্ দোকান অনুমতি বিনা ব্যবসা করছে সেসব বিষয়ে তথ্য আমাদের জানা নেই, ফলে মন্তব্য করাটাও আমাদের জন্য সমীচীন নয়। তবে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধের বিক্রি বন্ধ করার ব্যাপারে দোকানে যে পরিচালনা ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন তা মানা হচ্ছে কিনা বা যারা ওষুধ বিক্রি করছেন তাদের ওষুধের রসায়ন সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান আছে কিনা সেটা নজরদারির দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

তবে হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দিহান খুলনারই, পাইকগাছা থেকে আরিফুল ইসলাম:

''বাংলাদেশে ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব ওষুধ বিক্রয় হচ্ছে তা হাই কোর্ট এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছে। দেশের সকল শহর এবং গ্রামের ফার্মেসি গুলোতে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা কি সম্ভব? তাছাড়া এর বিরুদ্ধে কঠোর কোন আইন বাংলাদেশেরয়েছে?''

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের। তাছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরেরও এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নেবার অধিকার রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের যে আইনজীবী মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন বাংলাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় সেটা দেখার জন্য দেশটিতে বেশ কিছু আইন রয়েছে। তার বক্তব্য এ কাজে জড়িতদের লাইসেন্স বাতিল করা, জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে আইনে। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption অভিযোগ করা হচ্ছে, ৯৩% ওষুধের দোকানেই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে গেন্ডারিয়া, ঢাকার শ্রোতা মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপির:

''বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত। ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে দেখলাম, আমেরিকার সেনাবাহিনীর অনুরোধে সেদেশের খাদ্য ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে অধিকাংশ ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও এর গুণাগুণ নষ্ট হয় না, কোন কোন ওষুধের ক্ষেত্রে গুণাগুন বা মান ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত অক্ষুন্ন থাকে। বিষয়টি সকলের সাধারণ ধারণার বিপরীত বলে মনে হয়।''

মিস হ্যাপি- বিষয়টা কিন্তু অত সহজ নয়। আপনি যে গবেষণার কথা বলছেন সেটি চালানো হয়েছিল ২০০০ সালে। ঐ গবেষণায় বলা হয় ওষুধ কীভাবে মজুত রাখা হচ্ছে, সে ওষুধ কোনধরনের তার ওপর নির্ভর করে তার গুণাগুন মেয়াদ পার হবার পরেও অক্ষুণ্ন থাকে কিনা। সব ওষুধই যে এই পর্যায়ে পড়ে তা না। হালেও একটি গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে যাতে বলা হয়েছে অল্প কিছু ওষুধ ঠিকমত অবস্থায় মজুত রাখলে তার গুণমান পুরো নষ্ট হয় না, কিন্তু অ্যান্টিবায়েটিক বা তরল ওষুধ মেয়াদ পার হবার পর একেবারেই সেবন করা ঠিক নয়। কাজেই এ ব্যাপারটা বিশেষজ্ঞদের ওপর ছেড়ে দেয়াটাই বাঞ্ছনীয়। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছোট একটি প্রশ্ন করেছেন মৌকরন, পটুয়াখালী থেকে শাহিন তালুকদার:

''সাবির মুস্তাফা কি বিবিসি বাংলার প্রধান?''

আপনি ঠিকই বলেছেন সাবির মুস্তাফা বিবিসি বাংলার প্রধান এবং সম্পাদক। তবে বর্তমানে কয়েক মাসের জন্য বিবিসির অন্য একটি বিভাগে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট PID
Image caption ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে।

বাজেট নিয়ে লিখেছেন দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার:

''গত সপ্তাহে বাজেট উত্থাপিত হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে। কিন্তু এখনো সে বাজেট অনুমোদিত হয়নি। বাজেটে যে সব পণ্য বা সেবার মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলি এরই মধ্যে কার্যকর করেছে ব্যবসায়ীরা বা সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি। পক্ষান্তরে যে সব পণ্য বা সেবার মূল্য হ্রাস করা হয়েছে সেগুলি মোটেই কার্যকর করা হয়নি। খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন এসে যায়, বাজেট অনুমোদনের আগেই সেটি কি ভাবে কার্যকর করা হচ্ছে?''

মি: সরদার বাজেটে মূল্য বাড়ানো বা কমানোর ব্যাপারে যে শুল্ক প্রস্তাব করা হয়, তা প্রস্তাবের সময় থেকেই অবিলম্বে কার্যকর হয়। তবে নতুন মূল্য সংযোজন কর যে আইনের আওতায় কার্যকর হবে সেটার বাস্তবায়ন হবে ১লা জুলাই থেকে। কাজেই কোন কোন ক্ষেত্রে ভ্যাট পরিবর্তন হবে পয়লা জুলাই। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে অন্য একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''১৫ই জুন বিবিসি বাংলার ফেইসবুক পাতা ও ওয়েবসাইটে প্রকাশিত "আজারবাইজান: বিয়ের রাতে এক নারীর বিভীষিকাময় যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা" শীর্ষক মর্মস্পশী প্রতিবেদনটি পড়লাম। বিবিসিকে ধন্যবাদ নারীদের এ ধরণের একটি সংবেদনশীল কিন্তু জনসচেতনতামুলক তথ্য তুলে ধরার জন্য।

প্রতিবেদনটি পড়ে খুবই অবাক হলাম যে, বিয়ের নামে পৃথিবীর ২০টি দেশের আনাচে কানাচে এখনও সামাজিক প্রথার নামে প্রাচীন কুসংস্কার চলে আসছে। বিয়ের পূর্বে কুমারী মেয়েদের সতীত্ব পরীক্ষার নামে এ ধরণের বিভীষিকাময় রজনী খুবই আতঙ্ক ও উদ্বেগের। ভুক্তভোগী নারীরাই কেবল এর সামাজিক ও মানসিক প্রভাব অনুভব করতে পারে। সতীত্ব পরীক্ষায় ব্যর্থ এসব রমনীকে বিভীষিকাময় জীবন বেছে নিতে হয়, যা কোন প্রকারেই কাম্য নয়।''

ঘটনাটি খুবই মর্মস্পর্শী এবং বিশ্বের নানা প্রান্তে এখনও যে নারীরা কতটা সামাজিক বৈষম্যের শিকার তার প্রমাণ এধরনের ঘটনা। আপনাকে লেখার জন্য ধন্যবাদ।

Image caption কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে অনেক দেশে নারীদের জন্য তার বিয়ের দিনটি হয়ে পড়ে বিভীষিকাময়।

পরের চিঠি লিখেছেন বড়কমলাবাড়ী আদিতমারী, লালমনিরহাট থেকে মোঃ আব্দুল হক:

''এ সপ্তাহে বিবিসি বাংলার আলোচিত একটি খবর ছিল, সাবেক সরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্নে ইফতেখার সৌর নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার একটি ফাঁকা জায়গা থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় পায়জামা পরা খালি গায়ে অচেতন ভাবে পুলিশ উদ্ধার করেছে। আমার প্রশ্ন যদি একজন সাবেক সরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে গুম হতে পারে তাহলে সাধারণ জনগনের কি হবে?''

একইধরনের মন্তব্য করেছেন ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:

''এতদিন শুনে এসেছি গুম/অপহরণ হয়েছে বিরোধী রাজনীতিক, ব্যবসায়ী এবং সরকার বিরোধী লোকজন। কিন্তু বেশ কিছুদিন থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্নে অপহরণ সংবাদ সবার ভেতরে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। একজন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রি, যার বোন বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের একজন এমপি। তাঁদের বাবা বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রি এবং আওয়ামীলীগের জন্য জীবন উৎসর্গকারী। সেই প্রতিমন্ত্রী আজ তাঁর নিখোঁজ ভাগ্নের জন্য সংবাদ সম্মেলন ও ফেসবুক লাইভে তাকে ফিরে পাবার ফরিয়াদ করছেন। অবশেষে, তিনি নিখোঁজ ভাগ্নেকে ফিরেও পেয়েছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁদের জীবনের অবস্থা যদি এমন হয়, তাহলে আমাদের জীবনের নিশ্চয়তা কোথায়?আমাদের তো যে কোন সময় যে কেউ গুম, অপহরণ কিংবা গায়েব করে দিতে পারে দ্বিধাহীনভাবে!''

এই একই প্রশ্ন এখন অনেক সাধারণ মানুষের মুখে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন মানবাধিকার কর্মীরাও। কিন্তু মানুষের নিখোঁজ বা গুম হয়ে যাওয়ার ঘটনা তারপরেও ঘটছে। আপনাদের দুজনকেই লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Sohel Taj
Image caption পরিবারের অভিযোগ সৌরভকে ৯ই জুন অপহরণ করা হয়েছিল।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।

শম্পা শিকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মো: মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, পশ্চিম বেলপুকুর, চৌধুরীপাড়া সৈয়দপুর।

শাহাদাৎ আলি, মৌলভীবাজার, সিলেট।

ফয়সাল আহমেদ সিপন, ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ

বিলকিছ আক্তার, কাউনিয়া, রংপুর।

হরিদাস রায় ও পপি রানী, ডোমার, নীলফামারী।

মো.লিয়াকত আলী, পার্বতীপুর দোলাপাড়া উপশহর, রংপুর।

সালাহউদ্দিন আহমেদ, বারফা, বারোবাজার, ঝিনাইদহ।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া পঞ্চগড়।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মুনতাসির ইমতিয়াজ, চট্টগ্রাম।

আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/

সম্পর্কিত বিষয়