এডিটারস্ মেইলবক্স: ঢাকায় রিকশা বন্ধ কি যৌক্তিক; পদ্মাসেতু নির্মাণে মাথা লাগার গুজব

বলা হচ্ছে, রিকশার কারণে শহরের গতি শ্লথ হয়ে পড়ছে। ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption বলা হচ্ছে, রিকশার কারণে শহরের গতি শ্লথ হয়ে পড়ছে।

সপ্তাহের অন্যতম আলোচিত একটি বিষয় ছিল ঢাকার কয়েকটি রাস্তা থেকে রিকশা চলাচল বন্ধ করে দেবার সিদ্ধান্ত।

এ নিয়ে যারা মন্তব্য করে লিখেছেন তাদের একজন হলেন ধানমন্ডি, ঢাকার শামীম উদ্দিন শ্যামল:

''মূল রাস্তা থেকে রিকশা তুলে দেয়া যথার্থ সিদ্ধান্ত। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, রিকশাতে কারা চড়ে? নারী, শিশু, বৃদ্ধা, স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন। ঢাকার যে পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন বাস- তাতে কি নারী, শিশু, বৃদ্ধা বা স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের ভিড়ের মধ্যে চড়া সম্ভব? তাছাড়া, বাসে করে কি সব গন্তব্যে যাওয়া সম্ভব? ঢাকায় তো সিএনজি মিটারে চলে না। আর এই সিএনজির ভাড়া সর্বনিম্ন ১০০-১৫০টাকা। অত:এব, বলতে চাই, যথাযথ বিকল্প ব্যবস্থা করে ঢাকা থেকে রিকশা তুলে দেয়া হোক- এই দাবির সাথে আমরাও সুর মেলাই।''

আপনি যেমনটা জানেন, রোববার (৭ই জুলাই) থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে কর্তৃপক্ষ বলেছেন ঢাকায় যানজট কমাতে রাজধানীর মূল সড়কগুলোত রিকশা চলাচল বন্ধ করার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু সড়কগুলোতে রিকশা বন্ধ করে যানজট নিরসন আদৌ কতটা সম্ভব হবে সে প্রশ্নও তুলছেন অনেক মানুষ।

বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় অনেকে আবার এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও ফুটপাত দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ গাড়ির পার্কিং নিয়ন্ত্রণ, পাশাপাশি সড়ক থেকে অতিরিক্ত প্রাইভেট কার তুলে দেবার পক্ষেও অভিমত দিয়েছেন। তবে আপনি যেটা বলেছেন এমন কথাও আমাদের বলেছেন ঢাকায় যারা যাতায়াতের জন্য রিকশার উপর নির্ভরশীল এমন অনেকে। কোন বিকল্প ছাড়া হঠাৎ রিকশা তুলে দেওয়ায় বিপদে পড়ার কথাও তারা আমাদের বলেছেন। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption অনেক সময় ক্রিকেটারদের এমন কাগজ-কলম নিয়ে অঙ্ক কষতে দেখা যায়

ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল রোববার ১৪ই জুলাই। এই প্রসঙ্গে রাজশাহী, লঞ্চঘাট থেকে লিখেছেন সায়রা বানু:

''বিবিসি মানুষের মনের কথা বুঝতে শিখেছে। আমি যখন ভাবছিলাম ডাকওয়ার্থ লুইস মেথড কী এবং কীভাবে কাজ করে? বিবিসি তা জানিয়ে দিয়েছে। এখন জানতে চাই রান রেট কিভাবে হিসাব করা হয়।''

এ বিষয়ে বিবিসি বাংলার শাকিল আনোয়ার ব্যাখ্যা করেছেন ধরুন কোন একটা ওভারেএকটা দল ৫০ ওভারে ৩০০ রান করল। তখন তাদের রান রেট হবে ৬। ৩০০কে ৫০ দিয়ে ভাগ করেএক ওভারে গড় রান রেট বের করা হবে। এছাড়া আছে নেট রান রেট যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন টুর্নামেন্টে যখন দুটো দলের সমান পয়েন্ট হয়, তখন কে পরবর্তী ধাপে যাবে, সেটা নির্ধারিত হয় নেট রান রেট কার বেশি তার ওপরে।

শাহিন তালুকদার, মৌকরণ, পটুয়াখালি থেকে প্রশ্ন করেছেন:

''ক্রিকেটে শুনি কিউই, অজি, ভিআরএস। এগুলো আসলে কি ও কেন?''

পদ্ধতিটার নাম আসলে ডিআরএস- ভিআরএস নয়। ডিআরএস-এর পুরোটা হল ডিসিশান রিভিউ সিস্টেম। মাঠের আম্পায়ার কোন সিদ্ধান্ত সমএপর্ক নিশ্চিত হতে না পারলে সেটা তিনি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পর্যালোচনার জন্য দেন। তৃতীয় আম্পায়ার তখন টিভিতে সবরকম ফুটেজ দেখে সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

আর অন্য দুটি শব্দের ব্যাখ্যা হল- নিউজিল্যাণ্ড দলকে ডাকা হয় কিউই নামে, যেটি ওই দেশটির একটি পাখির নাম আর অস্ট্রলিয়া ক্রিকেট দলকে সংক্ষেপে ডাকা হয় অজি বলে।লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption বাংলাদেশে সেতু নির্মাণ বা এরকম বড় কোন স্থাপনা নির্মাণ কাজে নরবলির গুজব নতুন নয়। ফাইল ছবি।

পদ্মাসেতু নির্মাণে লক্ষাধিক মানুষের মাথা প্রয়োজন এমন একটি গুজব প্র্রসঙ্গে দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার লিখেছেন:

''এমন গুজব কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে বেশ ঘোরাফেরা করছে। এই গুজবের ভিত্তিতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, পদ্মা সেতু তৈরিতে মানুষের মাথা লাগবে বলে একটি মহল সামাজিক মাধ্যমে যে গুজব ছড়িয়েছে তা ভিত্তিহীন। সাধারণ মানুষদের এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।

ভাবতেও অবাক লাগে আজও মানুষ এসব আজগুবি কথা বিশ্বাস করে। সে যাইহোক, কারা এবং ঠিক কি উদ্দেশ্য পদ্মাসেতু নিয়ে এমন গুজব ছড়িয়েছে সেটি সরকারের খতিয়ে দেখা উচিৎ বলেই আমি মনে করি। উদ্দেশ্যমূলক ভাবে গুজব ছড়িয়ে সমাজের সাধারণ মানুষদের আতঙ্কিত করে তোলা শাস্তি যোগ্য অপরাধ বলেই আমার মনে হয়।''

মোহাম্মদপুর, ঠাকুর গাঁও থেকে একই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছে বৃত্তি রায়:

''পদ্মা সেতু তৈরির কাজে মানুষের মাথা লাগার গুজব ছড়িয়ে পড়ায় কারণ কী? এবং কারা এমন গুজব ছড়ালো৷ বিস্তারিত জানতে চাই।''

কারা এমন গুজব ছড়ালো তা জানার জন্য কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। এধরনের গুজব ছড়ানোর অভিযোগে র‍্যাব বৃহস্পতিবার রাজবাড়ী থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করার খবর নিশ্চিত করেছে। তবে কোন কোন সংবাদমাধ্যম বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করার খবর দিয়েছে। এই গুজব ছড়ানোয় তাদের ভূমিকা এখনও তদন্তাধীন। এর বেশি তথ্য আমাদের কাছে নেই। লেখার জন্য আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ।

ঢাকার ওয়ারিতে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনা নিয়ে লিখেছেন খুলনার, পাইকগাছা থেকে আরিফুল ইসলাম:

''সম্প্রতি ঢাকার ওয়ারিতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার পর তা আবারও তুমুল আলোচনায় এসেছে । এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশু ধর্ষণের প্রতিরোধে মানব বন্ধনও চলেছে। কিন্তু অতীতে শিশু ধর্ষণ নিয়ে অনেক মানববন্ধন দেখছি, তাছাড়া কঠোর আইনের মাধ্যমে প্রতিরোধ করার কথাও শুনছি, তারপরেও এর কোন কার্যকর ভূমিকা চোখে পড়ছে না বরং দেখা যাচ্ছে এরকম ঘটনা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। শিশুদের মা- বাবা, শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে বর্তমান সময়ে বেশ উদ্বিগ্ন । আমি মনে করি, আইনের জোর দিয়ে শিশু ধর্ষণ আদৌ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, অতএব অভিভাবকদের যথেষ্ট সচেতন হতে হবে এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।''

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
এই খেলনাগুলো নিয়ে খেলত ঢাকার ওয়ারীতে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটি।

শিশুধর্ষণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনার পর বিবিসি বাংলার সঙ্গে কথা বলার সময় যে বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ করে জোর দেবার কথা বলেছেন সেগুলো হল সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ করে কমিউনিটি লেভেলে শিশুদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা বা নজরদারি গড়ে তোলা। শিশুদের স্কুল পর্যায়ে আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর পরামর্শও তারা দিয়েছেন। তবে পাশাপাশি তারা সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে যেটা বলছেন সেটা হল যে ধর্ষণের মামলাগুলোয় দীর্ঘসূত্রিতার কারণে শাস্তি না হওয়াটাও এধরনের ঘটনা বেড়ে চলার অন্যতম একটা কারণ ।

কিছুটা একই মন্তব্য করেছেন গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে শ্রোতাবন্ধু মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''আমি মনে করি, এদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় ও লালন না করে বরং প্রতিকার ও আইনের আশ্রয়ের মাধ্যমে মুলোৎপাটন করাই সুবিবেচকের কাজ।''

মি: ইসলাম ও মি: রহমান গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে মতামতের জন্য আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ।

Image caption দাবিকৃত বকেয়া পরিশোধ না করার কারণে গ্রামীণফোন ও রবির ব্যান্ডউইথ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি

বকেয়া পাওনা নিয়ে বিটিআরসি আর বাংলাদেশের দুটি বড় মোবাইল অপারেটরের মধ্যে বিরোধের জেরে গ্রাহকদের ভোগান্তি প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা থেকে জহিন মুমতাহিনাহ:

''গ্রামীণ ফোন ও রবি, ব্যবসায়ী দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবসা করে এবং গ্রাহকদের সার্ভিসে কোন সমস্যা হলে গ্রাহকরা সমস্যার জন্য বিটিআরসি দ্বারস্থ হয় কিংবা অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু এক্ষেত্রে অডিট আপত্তির টাকা আদায়ের জন্য বিটিআরসি ব্যান্ডউইথ কমাতে সরবরাহকারীদের নির্দেশ দিয়েছে। আমার প্রশ্ন, বিটিআরসি কোন আইন বলে এই নির্দেশ দিয়েছে? এছাড়া যার সমস্যা সমাধানের কথা, সেই বিটিআরসি-ই যদি মোবাইল ফোন গ্রাহকদের জন্য সমস্যা তৈরি করে, তবে তারা অভিযোগ করবে কোথায়?''

ভাল প্রশ্ন করেছেন। বিটিআরসির এক হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৬ কোটির বেশি। এর মধ্যে বড় এই দুটি অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১২ কোটির মত। কাজেই বিটিআরসির সঙ্গে বকেয়া পাওনা নিয়ে এই দুই সংস্থার বিরোধে গ্রাহকরা যে অসুবিধায় পড়েছেন তাতে সন্দেহ নেই। এরা সকলেই গ্রাহকদের কাছে দু:খ প্রকাশ করে এক অর্থে নিজেদের দায়মুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বিটিআরসি স্পষ্টই বলেছে এক্ষেত্রে অপারেটরদের পাওনা পরিশোধ করার কোন বিকল্প নেই। কাজেই গ্রাহকদের অসুবিধাা হলেও তাদের বক্তব্য হল তারা অপারগ। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়া নিয়ে লিখেছেন কপিলমুনি খুলনা থেকে মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:

''গণ মাধ্যমে জেনেছি ঢাকা সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় ওয়ার্ডে মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সরকারিভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদানের বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমার জানা মতে সিটি করপোরেশনের নাগরিকদের মতন গ্রামের মানুষও ইউনিয়ন পরিষদে ট্যাক্স প্রদান করে। তাহলে শহরের নাগরিকদের যে নাগরিক সুবিধা রাষ্ট্র প্রদান করে, গ্রামের মানুষের জন্য একইরকমের সেবা কেন প্রদান করবে না ?

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। গ্রামের মানুষেরও ডেঙ্গু জ্বর চিকুনগুনিয়া, জিকার রোগে আক্রান্ত হবার খবর আমরা গণ মাধ্যমে জানতে পারছি। আমাদের উপকূলীয় এলাকায় বর্তমানে ভাইরাস জ্বরসহ মশা বাহিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে । কিন্তু আমরা দেখছি না যে গ্রাম এলাকায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।''

ডেঙ্গুর প্রকোপ এবার গতকয়েক বছরের তুলনায় বেশি বলেই উল্লেখ করেছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তারা বলছে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে ঢাকায় ঘনবসতি বলে তারা বলছেন ঢাকায় ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে দেশের অন্যান্য এলাকার থেকে বেশি। যদিও ঢাকার বাইরেও ডেঙ্গুতে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে এবং মফস্বল এলাকার মানুষ আপনার মতই আমাদের জানিয়েছেন ঢাকার বাইরে তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরবিবিসি বাংলাকে বলেছেন আক্রান্তদের চিকিৎসায় ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র চিকিৎসা সুবিধা তারা নিশ্চিত করেছেন।

ছবির কপিরাইট NURPHOTO
Image caption ডেঙ্গু এড়াতে কী করতে হবে, তা জানেন না অনেকেই।

প্রীতিভাজনেষু নিয়ে এবারে একটি চিঠি, লিখেছেন মাড়েয়া, পঞ্চগড় থেকে পলাশ চন্দ্র রায়:

''বড় দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমি প্রীতিভাজনেষুতে চিঠিপত্রের জবাব পাচ্ছি না। আর বিবিসি বাংলা কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাই, প্রীতিভাজনেষু অনুষ্ঠানটিকে চিঠি পত্রের জবাব বলা হয়- এর কারণ কি? প্রীতিভাজনেষুতে যেহেতু শুধু ইমেইল পত্র নেওয়া হয় তাই এর নাম ইমেইল পত্র হওয়া উচিত।''

মি: রায়- কোন প্রশ্ন বা মতামত নিয়ে যখন আপনি লিখেছেন তখন আপনার চিঠির জবাব বিভিন্ন সময়ে প্রীতিভাজনেষুতে দিয়েছি বলেই আমার মনে পড়ছে। প্রত্যেক সপ্তাহে প্রত্যেক পত্রলেখকের চিঠির জবাব দেওয়া তো সীমিত পরিসরে সম্ভব নয়। সেজন্য দু:খিত। আর প্রীতিভাজনেষু একটি সম্ভাষণসূচক শব্দ যেটি ব্যবহার করা হয় আপনাদের সম্বোধন করতে। সে কারণেই এই অনুষ্ঠানের নাম প্রীতিভাজনেষু। আপনাকে ধন্যবাদ। এবারে কিছু প্রাপ্তিস্বীকার।

মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

মোঃ আব্দুলহক, বড়কমলাবাড়ী, লালমনিরহাট।

গাজী মোমিন উদ্দীন, ডেস্টিনি ওয়ার্ল্ড রেডিও ক্লাব, সাতক্ষীরা।

মোঃ নাঈম হোসাইন, ফকির পাড়া, পবা, রাজশাহী।

বায়েজিদ সরকার,গাজিপুর, পূর্বাচল নিউ টাউন।

মো. আজিম আলি, রাজশাহী।

শফিক আলম, পূর্ব লক্ষীছড়া, ত্রিপুরা।

বশির তালুকদার, ঢাকা।

দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

মোঃ মনসুর আলী,চর বৈরাতী, কালীগঞ্জ,লালমনিরহাট।

আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/