এডিটারস্ মেইলবক্স: দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও বরগুনা হত্যাকাণ্ড

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে আইনজীবিরা দাঁড়ালো না কেন? ছবির কপিরাইট রুদ্র রোহান
Image caption আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে আইনজীবিরা দাঁড়ালো না কেন?

বাংলাদেশে তরল দুধে অ্যান্টিবায়োটিক এবং সীসার উপস্থিতির বিষয়টি ছিল চলতি সপ্তাহের আলোচতি বিষয়গুলির একটি।

এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে লিখেছেন শামীম উদ্দিন শ্যামল।

''দেশে উৎপাদিত দুধে চার ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক ও সীসার উপস্থিতি আমাদের বেশ আতঙ্কিত করেছে। যে দিন থেকে শুনেছি দুধে ক্ষতিকর এসব উপাদান পাওয়া গেছে সেদিন থেকে দুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। এমন কি দুধ দিয়ে তৈরি খাবারও খাই না আর। কিন্তু এটা তো সমাধান না। তাছাড়া, দুধে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক ও সীসার উপস্থিতি পরীক্ষা নিয়েও দেশে নির্লজ্জ রাজনীতি হয়েছে।

বিষয়টা খতিয়ে দেখার এবং ভোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে এ গবেষণাকে ভিত্তিহীন বলে চালিয়ে দিচ্ছে একটি চক্র, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা দুধ, মাংস, শাক-সবজি খাওয়া ছাড়তে পারবো না, তবে এর স্বচ্ছ্বতা ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।''

আপনার আমার মত সাধারণ মানুষ বাজারের দুধের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেললে তা দেশের পুষ্টি পরিস্থিতির জন্য আশঙ্কাজনক হতে পারে বলে বিবিসি বাংলার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের একজন পুষ্টিবিজ্ঞানী। এমনিতেই বাংলাদেশে মানুষের মধ্যে বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার বেশি। তাই দুধের মত পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবারের ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাটা খুবই জরুরি। তাই দুধের মান বজায় রাখার জন্য একটা স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সবরকম ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষ নেবে বলেই আশা করা যায়। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption অনেকে দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া নিয়েও আশঙ্কায় আছেন।

মানুষের চাঁদের বুকে পা রাখার ৫০বছর পূর্ত প্রসঙ্গে লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা থেকে লিখেছেন জহিন মুমতাহিনাহ:

''বিবিসি বাংলার ওয়েব সাইট ও ফেইসবুক পাতায় চন্দ্র বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বেশকিছু প্রতিবেদন চোখে পড়ল। প্রতিবেদনগুলো পড়ে খুবই ভাল লাগলো এবং চন্দ্র বিজয়ের নানা খুঁটিনাটি বিষয় জানতে পারলাম। চন্দ্র বিজয় নিয়ে তৎকালীন রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে চরম প্রতিযোগিতা চলছিল তা "চাঁদে যাওয়া নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার লড়াই চলেছে যেভাবে" শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। বিবিসি বাংলাকে আন্তরিক ধন্যবাদ চন্দ্র বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে চমৎকার সব প্রতিবেদন শ্রোতা ও পাঠকদের উপহার দেবার জন্য।''

২০শে জুলাই অর্থাৎ ঠিক ৫০ বছর আগে আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসার পাঠানো নভোযান অ্যাপোলো ১১ নেমেছিল চাঁদের বুকে- তিন নভোচারীকে নিয়ে। বিশাল অর্থব্যয়ে ওই অ্যাপোলো অভিযান ছিল বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় বিশাল এক মাইলফলক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় বিশাল একটা ভূমিকা রেখেছিল ওই চন্দ্রাভিযান। চাঁদের বুকে নামার পর নভোচারী নিয়েল আর্মস্ট্রং-এর বিখ্যাত উক্তি ছিল- "একজন মানুষের জন্য একটি ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু মানবতার জন্য এক বিশাল অগ্রযাত্রা।" এ বিষয়ে আমাদের বিভিন্ন প্রতিবেদন আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।

খুলনার, পাইকগাছা থেকে আরিফুল ইসলামও লিখেছেন চন্দ্রাভিযানের ৫০ বছর উপলক্ষে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে তিনি অনেক জ্ঞান আহরণ করতে পেরেছেন। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

বহুল আলোচিত বরগুনা হত্যাকাণ্ড নিয়ে লিখেছেন গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে তানাকা রহমান:

''১৮ই জুলাই বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে এক প্রতিবেদনে পড়লাম আইনি সহায়তা পাওয়া মিন্নির সাংবিধানিক অধিকার বলে মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলীর বক্তব্য। একটি প্রভাবশালী মহল শুরু থেকেই ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। জানলাম -আইনি সহায়তা পাওয়া প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার। দুধর্ষ খুনী কিংবা মারাত্মক অপরাধী হলেও ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রত্যেকের আইনজীবীর মাধ্যমে আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।''

যে কোন অভিযুক্ত কিন্তু নিজেই আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারেন। আইনে সেখানে কোন বাধা নেই। তবে মানবাধিকার আইনজীবী যেটা বলেছেন সেটা হল একজন ব্যক্তির পক্ষে আইনজীবী নিয়োজিত থাকলে আদালতে তার ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারটা প্রতিষ্ঠিত হয়। একটা মামলায় দুই পক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্য শুনে, বিভিন্ন প্রমাণ পর্যালোচনা করে, দুই পক্ষের সব ধরণের বক্তব্য আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যে দিয়ে বিচারক তার সিদ্ধান্তে পৌঁছন। সেক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী যেভাবে মামলাটা উপস্থাপন করবেন সেটা কিন্তু একটা গ্রহণযোগ্য এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর সব অভিযুক্তের জন্য আইনজীবী নিয়োগ করাটা সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে তিনি জানিয়েছেন। চিঠির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
প্রথম চন্দ্র অভিযান নিয়ে যে ১০টি তথ্য হয়তো আপনার জানা নেই

বিশ্বকাপ নিয়ে চিঠি লিখেছেন সরকারী ম্যাটস, টাঙ্গাইল থেকে মোসাম্মত বিলকিছ আক্তার:

''১৯৯৬ বিশ্বকাপেই সর্বশেষ নতুন কোনো চ্যাম্পিয়ন পেয়েছিল ক্রিকেট বিশ্ব। সবাইকে চমকে দিয়ে শ্রীলঙ্কা শিরোপা নিয়ে উৎসব করেছিল সেবার। আমি এ কারণেই খুশি যে, অন্তত ২৩ বছর পরে হলেও এবারই প্রথম নতুন কোন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পেলাম আমরা। তাদেরকে সহ আমাদের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আহ্- কি দুর্ভাগ্য সাকিবের?''

সাকিব আল হাসানের দুর্ভাগ্য ঠিকই। তার ভক্তদের জন্য এটা হতাশারও বটে। কিন্তু এই বিশ্বকাপে অলরাউণ্ডার হিসাবে সেরা পারফরমেন্স দেখালেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশ দল আট নম্বরের ওপরে উঠতে পারেনি। আর সেটাই এক্ষেত্রে ছিল খেতাব বাছাইয়ের জন্য নিয়ামক। আর ফাইনালে এবার দুটি দলই খেলেছে সমানে সমানে। নিউজিল্যাণ্ড আগেও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে। তবে খেতাব জেতে নি। সেই বিচারে নিউজিল্যাণ্ড জিতলে তারাও হতো নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ান। চিঠি লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ক্রিকেট নিয়েই লিখেছেন দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় থেকে দিপক চক্রবর্তী:

''এবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলাগুলোর খবর শুনে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে,তাই বিবিসিকে অনেক ধন্যবাদ। আরো ভালো লেগেছে বোরিয়া মজুমদারে কথা।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মি: চক্রবর্তী আপনার ভাল লাগার কথা লিখে জানানোর জন্য।

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির আইনি সহায়তা নিয়ে মন্তব্য করেছেন পার্বতীপুর, দিনাজপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া মিন্নি তার পক্ষে আইনজীবী না পাওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছেন মানবাধিকার আইনজীবীরা। ১৮ই জুলাই সকালে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে শুনলাম, আইনি সহায়তা পাওয়া তার সাংবিধানিক অধিকার। এ প্রসঙ্গে আমার অভিমত- মিন্নির পক্ষে কেন কোন আইনজীবি দাঁড়াবেন না? ৪,,১০,১৬ থেকে শুরু করে ১০৩ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ মামলার আসামির পক্ষে আইনজীবি পাওয়া গেলে, মিন্নির পক্ষে আইনজীবিরা দাঁড়ালো না কেন? আমার মনে হয়, এই ঘটনার পিছনে বড় ধরনের কোন রহস্য ধামাচাপা এবং রাঘব বোয়ালদের বাঁচানোর জন্য মিন্নিকে অপরাধী করা হলো কি-না?"

মি: ইসলাম এ নিয়ে প্রশ্ন অনেকেই তুলছেন। রাজনৈতিক প্রভাবের কথাও তুলছেন কেউ কেউ। কিন্তু এসব প্রশ্নের ভিত্তি আছে কীনা বা থাকলেও আসল সত্যটা কী সেটা এখনও অজানাই রয়ে গেছে। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Image caption রিফাত শরীফের হত্যার বিচার চেয়ে বরগুনায় বিক্ষোভ।

এই প্রসঙ্গে আরেকটি চিঠি লিখেছেন ঢাকা থেকে মো: তাঞ্জিলুর রহমান:

''আমি রিফাত হত্যার বিষয়ে দুটো মেইল পাঠিয়েছিলাম প্রতিবেদন ও ভিডিও প্রমাণ সহ যেখানে এই হত্যাকাণ্ডে তার স্ত্রী জড়িত থাকার ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ পেয়েছিল। বিবিসি আমার মেইল পড়া তো দূরে থাক, প্রাপ্তি স্বীকার পর্যন্ত করেনি। মিন্নি একজন নারী বলেই কি বিবিসি এই ব্যাপারে তেমন ভ্রুক্ষেপ করেনি। যদিও সে আসলে দোষী কিনা সেটা আদালতেই প্রমাণ হবে। কিন্তু আমি মনে করি কারো ব্যাপারে যদি সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায় তাহলে শুধু লিঙ্গের কারণে তা এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।''

মি: রহমান- কোন খবর আমরা প্রচার করব কি করব না সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সেই সংবাদের গুরুত্বের ওপর। এখানে যাকে নিয়ে খবর তিনি নারী কি পুরুষ সেটা কোন বিবেচ্য বিষয় নয়। আপনি যদি নিয়মিত আমাদের খবরাখবর ফলো করেন, দেখবেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির গ্রেপ্তারসহ বরগুনা হত্যার ঘটনার সব খবর আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করছি। আপনার চিঠি প্রীতিভাজনেষুতে স্থান না পাবার অন্য কোন কারণ থাকতে পারে। কিন্তু যে খবর নিয়ে আপনি লিখেছেন সেই খবরের কেন্দ্রে যিনি তিনি নারী বা পুরুষ কিনা তার ভিত্তিতে জবাবের জন্য চিঠি বাছাই আমরা করি না। আপনাকে ধন্যবাদ।

ওষুধের প্রেসক্রিপশান নিয়ে মন্তব্য করেছেন দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার:

''কিছু অসাধু ডাক্তার এই মহান পেশাকে কলঙ্কিত করে তুলেছে। ওষুধ কোম্পানির নিকট থেকে উপহার সামগ্রী নিয়ে এই সব লোভী ডাক্তাররা অপ্রয়োজনীয় ভাবে অতিরিক্ত ওষুধ প্রেসক্রাইব করে থাকেন। তাই শুধু নয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলির নিকট থেকে বেশি বেশি কমিশন পাবার প্রত্যাশায় রোগীদের অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত পরীক্ষা নীরিক্ষা করিয়ে নেন। অস্পষ্ট প্রেসক্রিপশন এবং অতিরিক্ত ওষুধ লেখার পাশাপাশি রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে নেবার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ডাক্তারদের নীতি বহির্ভূত কর্মকাণ্ডকে অ্যাড্রেস করবার জন্য।''

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption বাংলাদেশে ডাক্তাররা অপ্রয়োজনীয় ভাবে অতিরিক্ত ওষুধ প্রেসক্রাইব করে থাকেন বলে অভিযোগ

মানুষের সেবা করার আদর্শ নিয়েই ডাক্তাররা তাদের পেশাকে বেছে নিয়েছেন। সেখানে তারা তাদের নৈতিকতা থেকে দূরে সরে যাবেন না এটুকু সব মানুষই আশা করবেন। তবে আপনি যেমনটা লিখেছেন কিছু ডাক্তার এসব প্রলোভন থেকে যে নিজেদের দূরে রাখতে পারছেন না সেটা খুবই দু:খজনক। সে কারণেই বিধিমালার আওতায় তাদের আনা ছাড়া হয়ত কোন বিকল্প নেই। মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এরশাদকে নিয়ে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনের প্রশংসা করেছেন গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''সাবেক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে নিয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ প্রতিবেদন আপনাদের ফেইসবুক পাতা ও ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে এবং ১৪ জুলাই প্রবাহ অনুষ্ঠানের প্রায় পুরোটা অংশ জুড়েই নানা বিশ্লেষণ ও সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে। এর মধ্যে "এরশাদ: কবিখ্যাতি পাওয়ার জন্য ব্যাকুল এক সেনাশাসক, নিষিদ্ধ কবিতা এবং একটি সংবাদ সম্মেলন" এবং "হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ: ভাসানী ও শেরে বাংলার দলের মতো জাতীয় পার্টিও বিলুপ্ত হতে পারে - এই শিরোনামে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ-এর বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন দুটি বেশ তথ্যবহুল, চমৎকার ও তাৎপর্যপূর্ণ।

এরশাদ একজন স্বৈরাচারী সেনাশাসক ছিলেন এ চরম সত্যকে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। তবে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন, ইমলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসাবে সংবিধানে সংযোজন, গ্রামীণ অবকাঠামোর ভিত্তি প্রতিষ্ঠার মতো কিছু কল্যাণমুখী কাজও তিনি করেছিলেন।''

প্রতিবেদনগুলো আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

জিয়াগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ থেকে লিখেছেন তপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়:

''আমি একজন অনেক পুরোন শ্রোতা যদিও চিঠিপত্র লেখা হয় না। তবুও প্রতিদিনের অনুষ্ঠান নিয়মিত শুনে থাকি। কিছুদিন আগে ডেঙ্গু নিয়ে সংবাদভিত্তিক প্রতিবেদন শুনলাম। আমার প্রশ্ন ওই রোগটি কি ডেঙ্গু না ডেঙ্গি?''

অভিধান অনুযায়ী সঠিক উচ্চারণটা হল ডেঙ্গি। কিন্তু বাংলাদেশ সহ অনেক জায়গায় ডেঙ্গু উচ্চারণটা বহুদিন থেকে চালু রয়েছে। অনেকে বলে ইংরেজিতে dengue উচ্চারণের সময় শেষের e টা কেমনভাবে বাদ চলে গেছে। ফলে উচ্চারণটা অনেকটা agrue-র মত ডেঙ্গু হয়ে গেছে। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
মৃত্যু পর্যন্ত জেনারেল এরশাদ ছিলেন বাংলাদেশের আলোচিত এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম

চিঠির উত্তর নিয়ে মালদাহ কলোনি, রাজশাহী থেকে অভিযোগ করে লিখেছেন মো: শফিকুল ইসলাম:

''এর আগে বেশ কয়েকটি চিঠি লিখেছি। এর মধ্যে মাত্র দুটি চিঠির উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু দুটি চিঠিরই সম্পূর্ণ না পড়ে শুধু আংশিক পড়ে উত্তর দিয়েছেন। আবার দেখা যায় কিছু কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করেন। মানলাম আপনাদের রেডিও অনুষ্ঠানে সময় নেই, কিন্তু আপনাদের ওয়েবসাইটে তো চিঠির জবাব দেওয়া যায়। আর যদি একান্তই সম্ভব না হয়, তাহলে চিঠির বাকী অংশ এবং যাদের চিঠি প্রাপ্তি স্বীকার করেন, তাদের ইমেলে ঐসব চিঠির জবাব দেওয়া যায় না কী?''

মি: ইসলাম খুব লম্বা চিঠির পুরোটা অনুষ্ঠানে পড়তে গেলে একটা দুটির বেশি চিঠি নেয়া যাবে না। তাই চিঠির মূল বক্তব্যটুকু আমরা পড়ে শোনাই যাতে আপনারা কী বলতে চাইছেন তা তুলে ধরতে পারি। ওয়েবসাইটে বা ইমেলে সব চিঠির জবাব দেবার মত জনবল আমাদের নেই। আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে বলে দু:খিত।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।

শাহিন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

মোঃ ফিরোজুল ইসলাম, বড়গ্রাম, ঠাকুরগাঁও।

মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পী, কপিলমুনি, খুলনা।

মোঃ উজ্জ্বল ইসলাম, বড়শশী, পঞ্চগড়।

কামাল হোসাইন, মোল্যা বাড়ী মধুখালী, ফরিদপুর।

বিজন দাশ, ধুবড়ি, আসাম।

সাব্বির হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

তন্ময় কুমার পাল, বেতাগা, বাগেরহাট।

আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/