রোহিঙ্গা বসতির স্যাটেলাইট ছবি: দুই বছরে যেভাবে বদলেছে কক্সবাজার ও নোয়াখালীর কিছু এলাকার ভূ-দৃশ্য

২০১৭ সালের ২৫শে অগাস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী।

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী ২৫শে অগাস্ট ২০১৭ থেকে ১৮ই অগাস্ট ২০১৯ পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৪১ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী।

*দুটি সময়ের পার্থক্যটি দেখার জন্য মাঝখানের সবুজ বাটনটি মাউস কার্সর বা টাচের মাধ্যমে ডানে বা বামে নিয়ে যান

ইন্টারঅ্যাক্টিভ কুতুপালং শরণার্থী শিবির, কক্সবাজার

07 August 2018

Kutupalong

21 September 2016

Kutupalong

বিপুল সংখ্যক এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের রাখার জন্য কক্সবাজারে মোট ৩২টি আবাসিক ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্যাম্পটি স্থাপিত হয় কুতুপালং-বালুখালী অঞ্চলে।

প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার সুবিধার জন্য উখিয়ার কুতুপালং-বালুখালী এলাকাকে ২২টি ক্যাম্পে বিভক্ত করা হয়।

ইন্টারঅ্যাক্টিভ নয়াপাড়া শরণার্থী শিবির, কক্সবাজার

25 November 2018

Nayapara

20 November 2016

Nayapara

এছাড়া প্রাথমিকভাবে ৮৪ হাজার অস্থায়ী শেল্টার নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় শেল্টারের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় সোয়া দুই লক্ষে উন্নীত করা হয়।

এগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন শেল্টারের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার এবং মধ্যমেয়াদী শেল্টার রয়েছে প্রায় ৭০০টি।

রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য সবকটি ক্যাম্প মিলিয়ে মোট সাড়ে ৬ হাজার একর ভূমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

ইন্টারঅ্যাক্টিভ ভাসান চর, নোয়াখালী

26 September 2018

Bhasan Char

24 October 2016

Bhasan Char

টেকনাফ-কক্সবাজার অঞ্চলের শরণার্থী শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে গত সেপ্টেম্বরে প্রায় এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ সরকার।

তবে রোহিঙ্গারা ভাসানচরে স্থানান্তরিত হতে না চাওয়ায় সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

স্যাটেলাইট ইমেজ স্বত্ব: ESA Sentinel Hub

সম্পর্কিত বিষয়