যুবলীগকে নিয়ে জুয়া খেলা, নাকি শুভ বুদ্ধির উদয়?

ক্যাসিনোতে র‍্যাবের অভিযান। ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption ক্যাসিনোতে র‍্যাবের অভিযান।

সম্প্রতি বাংলাদেশে যে খবরটি সব চেয়ে বেশি আলোচনা সৃষ্টি করেছে তা হলো ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে চালিত ক্যাসিনোতে পুলিশের অভিযান এবং তার জের হিসেবে কয়েকজন আওয়ামী যুবলীগ নেতার গ্রেফতার।

স্বাভাবিকভাবেই, এই ক্যাসিনো অভিযানের নানা দিক নিয়ে অনেক চিঠি এসেছে। প্রথমে, ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে তানাকা রহমান:

''বৃহস্পতিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত "ঢাকার চারটি ক্যাসিনোতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৮২" শীর্ষক প্রতিবেদনটি পড়লাম এবং এটি ছিল এদিনের সবচেয়ে আলোচিত খবর।

''এদিন প্রায় সবগুলো গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব ক্যাসিনোগুলো অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে এবং ইয়ংমেনস ক্যাসিনোটি অবৈধভাবে পরিচালনার জন্য ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠনের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে পরে গুলশানের বাসভবন থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অস্ত্রসহ আটক করে।

''কিন্তু বিবিসির প্রতিবেদনে রাজনৈতিক ছত্রছায়ার বিষয়টি এবং খালেদ মাহমুদ ভুঁইযার রাজনৈতিক পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি। এর কারণ কী? এটা কী সরকারের প্রতি সহনশীলতার পরিচয়?''

ছবির কপিরাইট যুবলীগ ওয়েবসাইট
Image caption আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী

আপনি যে রিপোর্টটির কথা বলছেন মি. রহমান, সেখানে তার নাম ছিল, তবে রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে আমরা সেটা আমাদের রিপোর্টে রাখতে পারি না। তবে দিনের দ্বিতীয় রিপোর্টে শুধু যে মি. ভূঁইয়ার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে তাই নয়, বরং সেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে জবাবদীহিতার মুখোমুখি করা হয়েছে। কাজেই আপনার অভিযোগ আমি গ্রহণ করতে পারলাম না। আপনাকে ধন্যবাদ।

আরো পড়তে পারেন:

ঢাকায় ক্যাসিনো: সুর নরম করলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান

ঢাকায় জুয়া: ক্লাব হাউজি থেকে ক্যাসিনো

জুয়া নিয়ে বাংলাদেশের আইনে যা বলা আছে

পুলিশের এই অভিযান নিয়ে আরো লিখেছেন ঢাকার ধানমণ্ডী থেকে শামীমউদ্দিন শ্যামল:

''ঢাকায় অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালানো বা জুয়ার বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান যতটা না প্রশংসিত হচ্ছে জনমনে, তার চেয়ে বেশি প্রশ্নের জন্ম হচ্ছে এই অভিযানকে ঘিরে। এই অভিযান নিয়ে অনেক সংবাদ হয়েছে বিবিসি বাংলায় এবং এখনও হচ্ছে। আমরা ধরেই নেই, মদ-জুয়াসহ অন্যান্য অবৈধ ব্যবসাগুলো প্রভাবশালী রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় হয়ে থাকে এবং এর পেছনে পুলিশ প্রশাসনের হাত থাকে।

''এরকম ধারণা হবার একটাই কারণ, আর সেটা হলো, এসব অবৈধ ব্যবসা নিশ্চয় একদিনে গড়ে ওঠেনি? তাহলে কি সরকারের কেন্দ্রস্থল থেকে এ'ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে? রাজার ইচ্ছা না হলে কোন কিছুই হয়না বাংলাদেশে। খুব দুঃখজনক পরিস্থিতিতে আছি আমরা।''

বৃহস্পতিবার আমাদের সন্ধ্যার রেডিও অনুষ্ঠানে একজন মন্ত্রীর বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার হয়েছে যে, অভিযান সরকারের নির্দেশেই শুরু হয়েছে। ঘটনাপ্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে, ক্ষমতাসীন দল বুঝতে পারছে তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলোর অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিলে, সরকারই পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ হারতে পারে। তবে এখানে যে আরো অনেক কিছু খুঁজে বের করা বাকি আছে, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য; এর কী প্রভাব পড়ছে নীতি নির্ধারণে?

তবে ক্যাসিনোর বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইর থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:

''ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ছোটখাটো বিভিন্ন ক্যাসিনো বা জুয়ার আড্ডায় অভিযান চলছে। কিন্তু এইসব ক্লাব-ভিত্তিক জুয়া খেলা যদি বন্ধ করতে হয়, তবে প্রথমেই কথিত ঐতিহ্যবাহী, অভিজাত শ্রেণীর ক্লাবগুলোর জুয়া খেলা বন্ধ করা জরুরি। কারণ, ঐ ক্লাবগুলোতে দেশের সবচেয়ে অভিজাত শ্রেণী, যেমন, বড় বড় সরকারি আমলা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকদের যাতায়াত। এ জন্যই এগুলো মিডিয়াতেও আসে না , কারণ যারা আনবেন তারাও ওই ক্লাবগুলোর সদস্য।''

আপনার কথা হয়তো আংশিক সত্য মি. আহমেদ। কারণ, যেসব অভিজাত ক্লাবগুলোর কথা আপনি বলছেন, সেগুলোতে হাউসি নামে একটি খেলা নিয়মিত হয় বলে জানি, যেটাকে জুয়া বলা যেতে পারে। তবে তাদেরকে ক্যাসিনোর সাথে তুলনা করা যুক্তিসঙ্গত না, কারণ ক্যাসিনোতে মূলত বিভিন্ন রকমের জুয়া অনুষ্ঠিত হয়, সেই স্লট মেশিন থেকে শুরু করে তাসের খেলা এবং রুলেট। অন্যদিকে, আপনি যেসব ক্লাবের কথা বলছেন সেগুলোতে এসব হয়না বলেই আমি জানি। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট থেকে নেয়া পুরনো ছবি
Image caption শোভন-রাব্বানী সরে যেতে বাধ্য হয়েছে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব থেকে, নতুন নেতারা ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন

এবার যুবলীগ থেকে ছাত্রলীগ। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া নিয়ে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''ছাত্রলীগের দুই নেতাকে বহিষ্কারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার দল এবং সহযোগী সংগঠনগুলিকে যে বার্তা দিয়েছেন সেটি আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আমার বিশ্বাস। আমার মনে হয়, প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই উচিৎ তাদের নেতাকর্মীদের মোটামুটি ভাবে নজরদারিতে রাখা এবং দুর্নীতিবাজ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।''

আপনার সাথে, বিশেষ করে আপনার শেষ মন্তব্য নিয়ে অন্যান্য শ্রোতারা যে একমত হবেন তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই মি. সরদার। তবে অনেকের মনেই একটি জিনিস খোঁচা দেবে, আর তা হলো, দুর্নীতিবাজ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয় কেন? এখানে আইনের কি কোন ভূমিকাই নেই? আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট DigitalGlobe/ScapeWare3d
Image caption সৌদি আরবের আবকাইক তেল শোধনাগার (কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি, ২০১২)

এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গ। আমাদের একটি রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে প্রশ্ন দিয়ে, লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে শামীম সরকার:

"সৌদি আরবে তেল শোধনাগারের ওপর ড্রোন হামলা কিসের ইঙ্গিত" - এই শিরোনামে যে খবরটি প্রচারিত হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে যে সৌদি আরবের আবকাইকের তেল শোধনাগারটি বিশ্বের বৃহত্তম। কিন্তু উইকিপিডিয়ায় ভারতের জামনগরকে বিশ্বের বৃহত্তম তৈল শোধনাগার বলা হয়েছে। আবার আমরা স্কুলে শিখেছিলাম ইরানের আবাদান তৈল শোধনাগারটি বিশ্বের বৃহত্তম। তাহলে কোনটি সঠিক?''

গত শনিবার ১৪ই সেপ্টেম্বর আমাদের ওয়েবসাইটে এই রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছিল. এবং আমরা নিশ্চিত সেখানে দেয়া তথ্যই সঠিক মি. সরকার। আবকাইকে অবস্থিত তেল শোধনাগার দিনে ৭০ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল শোধন করতে পারে। অন্যদিকে, গুজরাটের জামনগরের তেল শোধনাগারের ক্ষমতা হচ্ছে দিনে ১২ লক্ষ ব্যারেল আর আবাদানে ক্ষমতা হচ্ছে দিনে পাঁচ লক্ষ ব্যারেলের কাছাকাছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

ফিরে যাচ্ছি ঢাকায় গেণ্ডারিয়ায়, সেখানে আছেন পাঠক মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি। তিনি লিখেছেন ফেলুদা-খ্যাত অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তীকে নিয়ে:

''বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতা ও ইউটিউব চ্যানেলে ১৪ই সেপ্টেম্বর আফরোজা নীলার সাথে সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত চরিত্র 'ফেলুদা'র অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তীর দু'পর্বের সাক্ষাৎকার দেখলাম। সাক্ষাৎকারটি আমার খুব ভাল লেগেছে। সব্যসাচী চক্রবর্তী আমার একজন পছন্দের অভিনেতা। ধন্যবাদ বিবিসি বাংলা ও আফরোজা নীলাকে। এ'ধরণের সেলিব্রিটির আরও সাক্ষাৎকার দেখতে চাই।''

আপনার অভিনন্দন নীলাকে পৌঁছে দেব মিস ফেরদৌসি। আমরাও আশা করছি সব্যসাচী চক্রবর্তীর মত জনপ্রিয় অভিনেতা বা জনপ্রিয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন এমন তারকাদের আমাদের পরিবেশনায় আরো দেখতে পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

আমাদের কয়েকজন সহকর্মী নিয়ে ছোট প্রশ্ন করেছেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে দীপক চক্রবর্তী:

''বিবিসিতে যারা আগে কাজ করতো, তারা কি নেই? যেমন মিথিলা ফারজানা, সেলিম মিয়া - ওরা কি বিবিসিতে আছে, নাকি বিবিসি তাদের বাদ দিয়েছে?''

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ মি. চক্রবর্তী। মিথিলা ফারজানা তো বেশ কয়েক বছর আগেই বিবিসি ছেড়ে ঢাকার একটি টেলিভিশন চ্যানেলে যোগ দেন। তবে সেলিম মিয়া এখনো বিবিসিতেই আছেন, আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহতে কাজ করছেন।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
যেভাবে গড়ে ওঠে দুর্ধর্ষ কিশোর অপরাধীদের গ্যাং

এবারে আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহতে প্রচারিত একটি রিপোর্ট নিয়ে চিঠি দিয়ে, লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''সোমবার ১৬ই সেপ্টেম্বর তাফসীর বাবুর "কিশোর গ্যাং: যেভাবে গড়ে ওঠে দুর্ধর্ষ কিশোর অপরাধীদের এক একটি দল" প্রতিবেদনটি দেখলাম। তাছাড়া, আপনাদের ওয়েবসাইটে সায়েদুল ইসলামের "কীভাবে বুঝবেন আপনার সন্তান কিশোর গ্যাং কালচারে জড়িত হয়ে পড়ছে" শীর্ষক প্রতিবেদনটিও পড়লাম।

''খুবই উদ্বেগজনক বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে শহরে কিশোর গ্যাং কালচার চলে আসছে। যৌন হয়রানির মুখে অনেক ছাত্রী পড়াশোনা ছাড়তেও বাধ্য হচ্ছেন। অবশেষে বখাটেপনা এবং কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধে মাঠে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। সময়োপযোগী প্রতিবেদন প্রচার করার জন্য বিবিসি বাংলাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মি. রহমান। আমাদের অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু আপনার কাছে সময়োপযোগী মনে হয়েছে আমাদের ভাল লেগেছে।

Image caption বিবিসি প্রবাহ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন শারমিন রমা।

বিবিসি প্রবাহ অনুষ্ঠান নিয়ে লিখেছেন ঢাকা সেনানিবাস থেকে মোহাম্মদ সোহেল রানা হৃদয়:

''গত সপ্তাহে আপনাদের টিভি অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহ দেখলাম চ্যানেল আইতে। পুরো পরিবেশনাটি বেশ উপভোগ্য ছিল। শারমিন রমার উপস্থাপনায় পুরো লাইভ আয়োজনটি আপনাদের বৈশিষ্ট্যকে আলাদা করেছে। সেই শুরু থেকেই নিয়মিত অনুষ্ঠানটির সাথে রয়েছি। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁও-এ বিবিসি প্রবাহ টিভি অনুষ্ঠানটি শুরুর প্রাক্কালে একটি শ্রোতা মতামত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে আমি গিয়েছিলাম। আমাদের সকলের পজিটিভ মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে শুরু হয় টিভি অনুষ্ঠান। আজ অবধি সাথেই আছি।''

আপনাকে ধন্যবাদ মি. রানা। সোনারগাঁও-এর সেই অনুষ্ঠানে আমি ছিলাম এবং আপনাদের সাথে বেশ প্রাণবন্ত আলোচনার কথা আমার কথা মনে আছে। রেডিও থেকে টেলিভিশনের দিকে যাত্রা শুরু করাটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল সন্দেহ নেই, তবে অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে বিবিসি প্রবাহ এখন প্রতিষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠান। আপনাদের সমর্থনের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
বধির নারী রুমানা ফেরদৌস মেখলা অনলাইন ব্যবসায় সফল

পরের চিঠি লিখেছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থেকে মোহাম্মদ হোসেন:

''বিবিসি বাংলার ফিচার ও ভিডিও প্রোগ্রামগুলো প্রায়ই ফলো করি। খুব ভালো লাগে যখন দেখি কোন নতুন আবিষ্কার, সামাজিক আন্দোলন, ইতিহাস ঐতিহ্য, সমাজ বদলের কাহিনী নিয়ে নতুন কোন ভিডিও। এ সপ্তাহে প্রচারিত তেমনই দুটো নতুন ভিডিও খুব ভালো লাগলো। যা হলো, গত বিশ বছরে যেভাবে বদলেছে মোবাইল ক্যামেরার ফিচার ও রুমানা ফেরদৌস মেখলার জীবন পরিবর্তনের কাহিনী।''

আমাদের ভিডিওগুলো আপনি দেখছেন এবং উপভোগ করছেন জেনে অনেক খুশি হলাম মি. হোসেন। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের পরিবেশনায়, বিশেষ করে ভিডিওতে বিভিন্ন ধরণের বিষয়বস্তু নিয়ে আসতে। ভবিষ্যতে আমরা ভিডিওর ওপর যে আরো জোর দেব, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবার সুন্দর একটি প্রস্তাব দিয়ে লিখেছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জ-এর শিবগঞ্জ থেকে নুর মোহাম্মদ:

''প্রায় ১৫/১৬বছর আগে আমি যখন আমাদের বাজারের পাশ দিয়ে স্কুল কিংবা কোথাও যেতাম, তখন বাজারের ২টি দোকানে বিবিসির সংবাদ শুনতে পেতাম। একটি চা স্টল আর অন্যটি এক বড় দাদার হোমিওপ্যাথি ঔষধের দোকান। আজ আমাদের সেই বাজার নেই, চা স্টল নেই, সেই ঔষধের দোকানও নেই। তবে সেই শতোর্ধ দাদা এখনো বেঁচে আছেন। আর এখনো তার রেডিওটিতে সকাল - সন্ধ্যা বিবিসির সংবাদ চলে। যাদের অনুপ্রেরণায় আমার মত শত শত বিবিসি-পাগল সৃষ্টি হয়েছে, তাদের সাক্ষাৎকার নিয়ে কয়েক পর্বের একটি অনুষ্ঠান করলে কেমন হয়? বিষয়টি একটু ভাববেন।''

প্রস্তাবটি বেশ চমৎকার মি. মোহাম্মদ। এরকম পুরনো দিনের অনেক শ্রোতা ছড়িয়ে আছেন গোটা বাংলাদেশে। তাঁদের খোঁজ পেলে এবং যোগাযোগ সম্ভব হলে অবশ্যই আমরা সেরকম কিছু করার কথা ভাববো। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

বিলকিছ আক্তার, সরকারী ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

মোহাম্মদ সাব্বির হাসান, সদরপুর,ফরিদপুর।

জহির জায়েফ, ফেনি।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

এস এম.লিয়াকত আলী, পার্বতীপুর দোলাপাড়া, রংপুর।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

সুজন পাল, ঢাকা।

জহিন মুমতাহিনাহ, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা।

শাহিন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী।

মোহাম্মদ আব্দুল হক, বড় কমলাবাড়ী, রংপুর।

মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মালদাহ কলোনি, রাজশাহী।

মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, রাজারহাট, কুড়িগ্রাম।