র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ১২১টি শিশুকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট

কিশোরদের জেলখানা
Image caption সরকারিভাবে এগুলোকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র বলা হলেও মূলত কিশোর অপরাধীদের জেলখানা বা সংশোধনকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত বেশি।

বাংলাদেশে হাইকোর্ট গাজীপুর এবং যশোরের কিশোর উন্নয়নকেন্দ্রে, যেগুলো কিশোরদের জেলখানা বা সংশোধনকেন্দ্র হিসেবে বহুলভাবে পরিচিত, সেখানে আটক রাখা ১২১ জন শিশুকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে।

মূলত ১৮ বছরের কমবয়সী অপরাধী বা অভিযুক্তদের আটকে রাখার জন্য এই কেন্দ্রগুলো ব্যবহৃত হয়।

এই ১২১ জন শিশুকে আটকের পর বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে বিশেষ বাহিনী র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের সাজা দিয়েছিল।

এরপর এই শিশুদের গাজীপুর এবং যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল।

শিশুদের সাজা দেয়ার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ হওয়ার পর তা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

দু'জন আইনজীবী পত্রিকার এই খবর সম্পর্কে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

একজন আইনজীবী জানিয়েছেন যে, আদালত এই শিশুদের মুক্তির নির্দেশ দিয়ে বলেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত কোন শিশুকে সাজা দিতে পারে না।

শিশুরা অপরাধ করলে শিশু আদালত তার বিচার করবে।

আদালত এটাও উল্লেখ করেছে যে, ভ্রাম্যামাণ আদালতের কোন শিশুকে আটক করে রাখার এখতিয়ার নেই।

আরো খবর:

চাকরি হারানোর ভয় জেঁকে বসেছে গণমাধ্যমে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আমাদের ধ্বংস করতে পারে

ফেসবুকে মিথ্যা খবর ছড়াতেই 'রাজনীতিবিদ' হচ্ছেন যিনি