এডিটার'স মেইলবক্স: বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিয়ে উদ্বেগ; তারকার ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে হৈচৈ

শিক্ষার্থীদের মিছিল
Image caption হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও ছাত্র শিক্ষকদের একটি অংশ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের বেশ কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অস্থির পরিস্থিতির পটভূমিতে যোগ হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্কট নিয়ে বিবিসি বাংলার অনলাইন এবং রেডিওতে প্রচারিত খবর প্রসঙ্গে গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে লিখেছেন তানাকা রহমান:

''সাম্প্রতিক আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের পেছনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের মদত আছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

''আসলে ক্ষমতাসীন এই সরকারের সময়ে যেখানেই এ ধরণের আন্দোলন হয়েছে, সেখানেই তারা জামায়াত শিবিরের সংশ্লিষ্টকার ভুয়া অভিযোগ তুলে সেসব আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা করছে। একজন উপাচার্যকেও এ ধরণের নোংরা রাজনীতির চাল খেলতে হবে, এটা সত্যিই আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।''

মিস রহমান- শিক্ষাঙ্গনে যে কোনকরম রাজনীতি একেবারেই অনভিপ্রেত। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও আরও অন্তত চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত কিছুদিন যাবৎ নানা দাবিতে একটির পর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন হয়েছে। এবং দেখা যাচ্ছে প্রায় সবগুলো আন্দোলনই হচ্ছে উপাচার্যকে কেন্দ্র করে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্কট নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অভিযোগ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা করছেন সেই ব্যাপারে তাদের প্রমাণ হাজির করতে হবে। এই অচলাবস্থার কীভাবে নিরসন হয় এখন সেটাই দেখার। আপনাকে ধন্যবাদ।

আরও পড়তে পারেন:

সরকারের সমর্থন কেন জাবি'র উপাচার্যের পেছনে

জাহাঙ্গীরনগর: ভিসি কেন জামাত শিবির খুঁজছেন

বাংলাদেশের সুপরিচিত অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি অনলাইনে ছড়ানো ও তা নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে লিখেছেন ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:

''বিবিসি নিউজ বাংলার ওয়েবপেজে "অভিনেত্রী মিথিলার ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে অনলাইনে তোলপাড় কেন?" শীর্ষক প্রতিবেদনটির শেষ দিকে মিথিলার কথিত ছবি নিয়ে মূলধারার কিছু সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ এবং অভিনেত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়াকে অধ্যাপক কাবেরী গায়েন 'চরিত্র হনন' বলে উল্লেখ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমিও মনে করি একজন মানুষ তার বেডরুমে বা ব্যক্তিজীবনে কী করবে আর কী করবে না সেটা তাঁর পছন্দের এবং ব্যক্তিগত বিষয়।

''বিশেষ করে সেক্স, প্রেম, পোশাক নির্বাচন, চলাফেরা, ধর্ম পালন, বিয়ে করা ইত্যাদি বিষয়গুলো ব্যক্তির একান্তই পছন্দের বিষয়। তাহলে কেন মানুষ এসব বিষয় নিয়ে ব্যক্তিজীবনের চরিত্র হনন করবে? আমার প্রশ্ন হলো-বিবিসি নিউজ বাংলাও কি এই সংবাদ প্রচার করে অভিনেত্রী মিথিলার চরিত্র হনন করলো না? নাকি অন্য ব্যাখ্যা আছে?''

আরও পড়তে পারেন:

'আমরা লুকিয়ে অন্যের যৌন জীবন দেখার চেষ্টা করছি'

Image caption অধ্যাপক কাবেরী গায়েন

মি: শামীম উদ্দিন শ্যামল - বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে কথিত ছবিটি নিয়ে কোন চর্চ্চা করা হয়নি। কিন্তু যেহেতু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনকে টেনে আনার প্রবণতা বাড়ছে তাই সেটা কতটা সঙ্গত এবং এর পেছনে কীধরনের মানসিকতা কাজ করে, সেটা নিয়েই এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে। এধরনের মানসিকতা বন্ধ করতে হলে বিষয়টি সামনে আনার অবশ্যই প্রয়োজন আছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চরিত্র হনন বলে আমি মনে করি না। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

এ নিয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমীরাতের আল-আইন থেকে ওবায়েদুল ইসলাম উজ্জ্বল:

''সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অভিনেত্রী মিথিলা ও পরিচালককে নিয়ে নানান ভিডিও ছবি প্রকাশ পাচ্ছে। এবং সমাজে তাদেরকে নিয়ে ঘৃণাপূর্ণ নানান কথাবার্তা চলছে। আমি মনে করি চলচ্চিত্র ও নাট্য শিল্পীদের শিষ্টাচার আইন বিধি মালা তৈরি করা উচিত। কারণ তারা অভিনয় জগতে এসে পরিচিতি লাভ করে, আমাদের সন্তানরা তাদের নিয়ে গর্ব করে এবং তাদের প্রেরণার দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে।''

সমাজে প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত জীবন তার একান্তই ব্যক্তিগত- সে যে পেশাতেই তিনি কাজ করুন না কেন। তার ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে তার আচার আচরণও তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেখানে আইনের গণ্ডি টেনে দেওয়াটা তার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপেরই সামিল হবে। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট TIM GRAHAM
Image caption সীসাযুক্ত হলুদের গুঁড়ো স্বাস্থ্যের ক্ষতিকারক বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।

গুঁড়ো হলুদে সীসার উপস্থিতি নিয়ে লিখেছেন গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি:

''বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীসাযুক্ত হলুদের গুঁড়ো স্বাস্থ্যের বড় ধরনের ক্ষতি করে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও তার শিশুকে তা বিশেষভাবে আক্রান্ত করে। ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ১৭ টি ব্র্যান্ডের প্যাকেট-জাত হলুদের গুঁড়ো নয়বার দেশে ফেরত এসেছে।

"দেশে আমরা প্রায়শই মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নানা ধরণের ভেজালযুক্ত খাবার খাচ্ছি এবং খেতে খেতে অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। বিদেশে এটির রপ্তানি বন্ধ করা হয়েছে কারণ এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। আমার প্রশ্ন, যেটি বিদেশিদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, সেটি দেশের ভিতরেও তো ক্ষতিকর, তাহলে কেন দেশীয় বাজার থেকে এখনও গুঁড়া হলুদ প্রত্যাহার করা হয়নি?''

সীসার ব্যবহার ঠেকাতে কী করা যায় সেজন্য গত সোমবার একটি মত বিনিময় সভা করা হয়েছে, যেখানে এ বিষয়ে গবেষক, খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশের প্যাকেট-জাত গুঁড়ো মশলা উৎপাদনকারী বড় কোম্পানিগুলোর প্রায় সবার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সরকার বলছে তারা এটা বন্ধ করতে চান। তারা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তি দেয়ার কথাও বলেছেন । চিঠি লেখার জন্য ধন্যবাদ।

বিস্তারিত পড়তে পারেন:

উজ্জ্বল হলুদের গুঁড়া না কেনার পরামর্শ, রপ্তানি বন্ধ

গর্ভবতী মায়েদের রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ সীসা

ছবির কপিরাইট AFP
Image caption ঘন ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে দিল্লির ইন্ডিয়া গেট

বায়ু দূষণ নিয়ে একটি চিঠি লিখেছেন খুলনার, পাইকগাছা থেকে আরিফুল ইসলাম:

''ভারতের দিল্লিতে প্রচুর বায়ু দূষণের জন্য দেখা গিয়েছে সেখানকার মানুষের সর্দি, কাশি, হাঁপানি এবং বিভিন্ন রোগের লক্ষণ। আর এসব কারণের জন্য অন্যতম দায়ী ছিলো যানবাহন ও শিল্প কারখানা । দূষণের কথা ভাবলে ঢাকার শহরের কথাও মনে পড়ে, নর্দমা, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা এবং যানবাহনের কারণে বায়ুদূষণ সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত মানুষ বিভিন্ন রোগে ভুগছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ঢাকা শহর কি দিল্লির মতো হয়ে যেতে পারে ?''

একইধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাড়েয়া, পঞ্চগড় থেকে পলাশ চন্দ্র রায়।

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ৩০টি নগরীর ২২টিই ভারতে। দিল্লিতে দূষণের মাত্রা খুবই বেশি। আর বছরের এই সময়টায় তা আরও বাড়ে ফসলের গোড়া পোড়ানোর কারণে। এছাড়া আছে যানবাহনের দূষণ আর নির্মাণ কাজ থেকে ছড়ানো ধুলোবালির দূষণ। ঢাকাতেও যানবাহন আর নির্মাণকাজ থেকে প্রচুর দূষণ হচ্ছে। বায়ুদূষণ নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে বায়ু দূষণের দিক দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি দেশের একটি বাংলাদেশ। ঢাকার বায়ু দূষণ নিয়ে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন পড়তে পারেন এই লিংকেচিঠি লেখার জন্য আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ।

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
আমিনবাজার ল্যান্ডফিল: বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে পরিবেশ দূষণ?

বিবিসি বাংলার রাতের অধিবেশন আসলেই ফিরবে কীনা তা জানতে চেয়েছেন দারিয়াপুর, গাইবান্ধা থেকে মাহবুব রহমান মামুন:

''শুনে খুব ভালো লাগলো যে রাত সাড়ে দশটার অনুষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য চিন্তাভাবনা চলছে। এটা সকল শ্রোতারও প্রাণের দাবি। পরিক্রমা অধিবেশনটি যত দ্রুত সম্ভব আবার চালু করুন। এ অধিবেশনটি চালু হলে আমরা আবার গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো শুনতে পাবো।''

আর দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার লিখেছেন।

''গত সপ্তাহের প্রীতিভাজনেষুর দ্বিতীয় পর্ব থেকে জানলাম পরিক্রমা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি এখনও বিবিসি বাংলার বিবেচনাধীন রয়েছে। আমার মনে হয়, পরিক্রমা ফিরে এলে অনেক শ্রোতা উপকৃত হবেন। বিশেষ করে শহরের শ্রোতা যারা একটু রাত করে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরেন তারা তো প্রবাহশুনতেই পারেন না।

''তাই পরিক্রমা ফিরে এলে ওই সব শ্রোতা পরিক্রমায় দিনের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর যেমন জেনে নিতে পারবেন, তেমনি ফিচার অনুষ্ঠান গুলি প্রচারেরও একটি জায়গা পাওয়া যাবে। আশা করি পরিক্রমা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবিসি বাংলা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।''

বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনাধীন রয়েছে। রাতের অধিবেশন পরিক্রমা যেসময় প্রচারিত হতো সেসময় শ্রোতাসংখ্যা কত এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পরিক্রমা ফিরে আসলেও তার সঙ্গে সঙ্গে সব পুরনো ফিচারগুলোও যে ফিরে আসবে তার নিশ্চয়তা কিন্তু দিতে পারছি না। আপনাদের ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট ভিডিও ফুটেজ থেকে
Image caption কয়েকজন ছাত্র মিলে অধ্যক্ষকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরে ফেলে দেয়

তেসরা নভেম্বর রাজশাহী পলিটেকনিকের অধ্যক্ষকে পানিতে নিক্ষেপ করার খবর পড়ে গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে লিখেছেন বিস্মিত মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত মানুষ রূপে গড়ে ওঠার পেছনে বাবা-মা'র চেয়ে শিক্ষকের অবদান কোনো অংশে কম নয়। সমাজে শিক্ষক মাত্রই বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। কিন্তু ছাত্র নামধারী এক শ্রেণির কুলাঙ্গার পিতৃসমতুল্য শিক্ষককে যেভাবে পানিতে ফেলে অপমান করেছে, তাতে আমি শুধু একা নই, আমার মতো অনেকেই খুব লজ্জাবোধ করছে। এসব দুষ্টদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক এমন শাস্তি দেওয়া দরকার যাতে ভবিষ্যতে এ ধরণের অপমান করার ধৃষ্টতা কেউ দেখাতে না পারে।''

ঘটনাটি খুবই দু:খজনক সন্দেহ নেই। রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দীন আহম্মেদ ঘটনার পর বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন যে এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে দুর্বল এবং ডি-মর‍্যালাইজড বোধ করছেন। তার ভাবতে কষ্ট হচ্ছে তার নিজের ছাত্ররা তার সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারে। একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ভাঙলে সেটা বলার অধিকার একজন অধ্যক্ষ নিশ্চয়ই রাখতে পারেন। চিঠির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আরও পড়তে পারেন:

অধ্যক্ষকে পানিতে নিক্ষেপ: যা ঘটেছিল সেদিন

অনুষ্ঠান সম্পর্কে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছেন ঘোড়াদাইড় , গোপালগঞ্জ থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:

''যে কয়েকটি কারণে বাংলাদেশের নাম সারা বিশ্বে পরিচিত, তার মধ্যে রয়েছেপোশাক শিল্প কিন্তু বাংলাদেশের এই পোশাক শিল্পের শুরুর ইতিহাস আমরা ক'জনা জানি? এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রচারের অনুরোধ করছি।''

ভাল প্রস্তাব। নিশ্চয়ই বিষয়টা নিয়ে ভাবা যেতে পারে। ধন্যবাদ আপনাকে।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption বাংলাদেশের নাম সারা বিশ্বে পরিচিত যে কয়েটি কারণে তার মধ্যে অন্যতম দেশটির পোশাক শিল্প

কিছু অভিযোগ নিয়ে লিখেছেন কাউনিয়া, রংপুর থেকে বিলকিছ আক্তার:

''বিবিসি বাংলা'র ওয়েব সাইটে লাইভ বিবিসি শুনতে গেলে প্রায়ই একটি অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- লাইভ বিবিসি'র লিংকটা আসতে প্রায়ই ২-৩ মিনিট দেরি হয়।এর কারণে অনলাইনে শুনতে গেলে আমি আপনাদের সংবাদ শিরোনামগুলো প্রায়ই শোনা মিস করি। এমনটি কেন হয় জানাবেন- আর শনিবারের ফোন ইন-এর বিষয়বস্তু আপনাদের ফেসবুক পেজে এখনও দেরিতে পোস্ট দিচ্ছেন, আপনাদের প্রতিশ্রুতির পরও সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক।''

বিবিসি বাংলার ওয়েবপেজে অনুষ্ঠান শোনার লাইভ লিংক আসতে দেরি হচ্ছে কেন সে বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে যেহেতু আমাদের অনুষ্ঠানগুলো ওয়েবপেজে তিনদিন থাকে, আপনি চাইলে অন-ডিমাণ্ড অর্থাৎ আপনার সুবিধামত সময়ে শুনতে পারেন। আর শনিবারের ফোনইনের বিষয় আমরা অবশ্যই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফেসবুক পেজে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করি। কখনও সখনও অনিবার্য কারণে একটু দেরি হয়ে যায়। সেজন্য আমরা দু:খিত। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

জগন্নাথপুর, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া থেকে লিখেছেন এম নাজমুল হোসাইন:

''আগে বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান ফেসবুক লাইভে দেওয়া হত কিন্তু এখন দেওয়া হচ্ছে না। আগের মত আবার বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান দেখতে চাই । আর বিবিসি বাংলার কাছে আমার অনুরোধ আগের মত প্রীতিভাজনেষু আবার শুক্রবারে ১০ মিনিট করে প্রচার করা হোক। শুক্রবার হলে ভালো হয় কারণ ওই দিন ছাত্রদের স্কুল বন্ধ থাকে বা যার চাকরিজীবী তাদের অফিস ছুটি থাকে।''

মি: হোসাইন- বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান ফেসবুক লাইভে দেওয়ার কোন সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের নেই। আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে বলে দু:খিত। আর প্রীতিভাজনেষুর প্রচার নিয়ে আপনার প্রস্তাব আমরা নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে ভেবে দেখব। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এ সপ্তাহের কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।

মো. ফেরদৌস,পটুয়াখালি।

মো মোজাম্মেল ইসলাম, চট্টগ্রাম।

মো. আবুল কালাম আজাদ, পাবনা।

মোঃ ফিরোজুল ইসলাম, বড়গাঁও, ঠাকুরগাঁও।

মো. আল আমিন, গুলশান, ঢাকা।

নুর মোহাম্মদ, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।

সাব্বির হোসেন, সাঁথিয়া, পাবনা।

অহিদুল ইসলাম, মেহেন্দিগঞ্জ, বরিশাল।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।