এডিটারস মেইলবক্স: বাবরি নিয়ে বিতর্ক, বুলবুল আর ট্রেন নিয়ে কথা

দিল্লির সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে রাম মন্দির সমর্থকদের উল্লাস, ০৯-১-২০১৯। ছবির কপিরাইট NurPhoto
Image caption বাবরি মসজিদ নিয়ে রায়: দিল্লির সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে রাম মন্দির সমর্থকদের উল্লাস।

সাধারণত এডিটারস মেইলবক্স শুরু করি কোন বড় ঘটনা বা আমাদের সাংবাদিকতা নিয়ে কোন অভিযোগের চিঠি দিয়ে। এ'সপ্তাহে আমাদের শ্রোতা-পাঠকদের নজর নি:সন্দেহে কেড়েছে বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্ক নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়।

সেই রায় সম্পর্কে মন্তব্য দিয়ে শুরু করছি, প্রথমে ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি:

''বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ঘিরে১০ এবং ১১ তারিখে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন পড়লাম। সত্যি কথা বলতে কী, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। কাগজ কলমে ভারত একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কিন্তু কাজে কর্মে সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। বলা যায় কাগুজে বাঘ। বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দিলো তা স্পষ্টতই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।''

ছবির কপিরাইট Hindustan Times
Image caption অযোধ্যায় ধ্বংসযজ্ঞ: দিনটি ছিল ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯২ সাল। হিন্দু উগ্রবাদীদের হাতে বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়।

আরো লিখেছেন ঢাকার ধানমন্ডি থেকে শামীমউদ্দিন শ্যামল:

''গত ৯ নভেম্বর ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণ করার কথা বলা হলো। এই রায় অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য। কারণ, যে খোঁড়া যুক্তি দেখিয়ে এই রায় দেয়া হয়েছে তা হাস্যকর। এই যুক্তি যদি কার্যকর করা হয় তাহলে অনেক বাড়িঘর ও স্থাপনা গুড়িয়ে দিতে হবে। প্রত্যেক স্থাপনার নিচে কোন না কোন ধর্মাবলম্বী বা জাতিগোষ্ঠীর নমুনা পাওয়া যাবে।''

আপনাদের মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মিস ফেরদৌসি এবং শামীমউদ্দিন শ্যামল । বাবরি মসজিদ বিতর্কের অবসান হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না, যেহেতু আদালতে আরো অন্তত: একটি ধাপ বাকি আছে। দেখা যাক কী হয়।

আরো পড়তে পারেন:

তাজমহল বা কাশী-মথুরার মসজিদ কি অক্ষত থাকবে?

ছবির কপিরাইট ইজতিহাদ মাশরুর
Image caption সংঘর্ষে ট্রেনের বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়

বাংলাদেশে যে পর পর দুটি ট্রেন দুর্ঘটনা হয়ে গেল, তা নিয়ে অবশ্যই আমাদের পাঠকদের মধ্যে আগ্রহ এবং ক্ষোভ দেখা গেছে। সেরকম একজন, ফয়সাল আহমেদ সিপন, লিখেছেন গোপালগঞ্জের ঘোরাদাইর থেকে:

''এই দুর্ঘটনার জন্য যতই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়া হোক না কেন, আমি মনে করি এর মূল কারণ স্রেফ রেল মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি। প্রতি বছর এ'খাতে বরাদ্দ বাড়তে থাকলেও, ব্রিটিশ আমলে তৈরি অধিকাংশ স্টেশনের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি, রেল লাইনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তির ছিটেফোঁটাও কাজে লাগানো হয়নি।''

ছবির কপিরাইট হেলাল হেদায়েতুল ইসলাম
Image caption দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেন রংপুর এক্সপ্রেস

একই বিষয়ে লিখেছেন ঠাকুরগাঁও-এর বরগাও থেকে মোহাম্মদ ফিরোজুল ইসলাম:

''গত দুই সপ্তাহ আগে পাকিস্তানে এক বিরাট রেল দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে অনেক মানুষের জীবন শেষ হয়ে যায়। তার প্রেক্ষাপটে বিবিসি বাংলার প্রীতিভাজনেষুতে আমি বাংলাদেশ রেলওয়ের বেশ কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে ছিলাম। জানি না, সরকার বা রেলওয়ের কোন কর্মকর্তা এই বিষয়ে কর্ণপাত করেছিল কিনা। সরকারের এই দিকে নজর ফেরানো দরকার। বাস দুর্ঘটনার পর ছাত্র-ছাত্রীসহ সকল সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে ছিল। তার কিছু ফলও আমরা পেয়েছি। তাহলে কি রেলওয়ের জন্য জনগণকে রেলপথে নামতে হবে?''

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লিখেছেন মি. আহমেদ এবং মি. ইসলাম। রেলওয়ে খুবই নিরাপদ একটি যাতায়াত ব্যবস্থা হওয়ার কথা। কিন্তু বিভিন্ন কারণে এই পরিবহন না পারছে নিরাপদ থাকতে, না পারছে যাত্রী সেবা দিতে। এর কারণ খতিয়ে দেখা হবে বৃহস্পতিবারের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহতে। আশা করি দেখবেন। আপনাদের ধন্যবাদ।

একই বিষয়, কিন্তু অভিযোগ করে লিখেছেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থেকে মোহাম্মদ সাইফুল:  

''মাঝে মাঝে খুব খারাপ লাগে আপনাদের সংবাদ বাছাই করা দেখে। এ'মাসের ১৪ তারিখ বৃহস্পতিবার, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিকাল ৩টায় রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয় এবং তিনটি বগিতে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনা নিয়ে বিবিসি বাংলায় কোন সংবাদ পরিবেশন করা হলো না সেদিন সন্ধ্যার খবরে। আমার মতে, এ ঘটনাটি শিরোনামে রাখা উচিত ছিল।''

আপনার সাথে আমি একমত মি. সাইফুল, সিরাজগঞ্জের ট্রেন দুর্ঘটনার খবর আমাদের রেডিও অনুষ্ঠানে রাখা উচিত ছিল, এটা আমাদের গাফিলতি। তবে আমাদের ওয়েবসাইটে এই খবর সেদিন দেয়া হয়েছিল এবং আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠানে রেলওয়ের সার্বিক সমস্যা নিয়ে প্রতিবেদন থাকছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছবির কপিরাইট রতন গোমেজ
Image caption শুধু মুশফিকুর রহিম নয়, মাহমুদুল্লাহও ডাবল ফিগারে পৌঁছেছিলেন।

আরেকটি অভিযোগ করে লিখেছেন খুলনার খালিশপুর থেকে এস এম এম রাসেল হাসান:

''বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা বেলার রেডিও অনুষ্ঠানে খেলা ধুলার খবরে বলা হলো, ইন্দোর টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিম আর মমিনুল হক ছাড়া আর কেউ দুই অংকের রান সংখ্যা অতিক্রম করতে পারে নাই। কিন্তু কথাটি ভুল, কারণ আরো তিন জন ব্যাটসম্যান দুই অংকের কোঠায় পৌঁছেছিল।''

আপনি ঠিক বলেছেন মি. হাসান । ঐ দুইজন ছাড়াও, মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ আর লিটন দাস ডাবল ফিগারে পৌঁছেছিল। এই ত্রুটির জন্য আমরা অত্যন্ত দু:খিত। আপনাকে ধন্যবাদ। (ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ নিয়ে ফয়সাল তীতুমীর আর রায়হান মাসুদের 'প্রেডিকশন বিতর্ক' দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন )

এবারে আরেকটি অভিযোগ, কিন্তু ভিন্ন ধরণের। অভিযোগটি চিঠি-পত্রের আসর প্রীতিভাজনেষু নিয়েই, লিখেছেন যশোরের মনিরামপুর থেকে ইলতুতমিশ:

''প্রীতিভাজনেষুতে কয়েকজন পরিচিত নাম বারবার উল্লেখ হতে দেখি। আপনারা যাদের চিঠি পড়েন, তাদের নামগুলোর সংখ্যা গড় করলে দেখবেন শতকরা ৯০ ভাগই হচ্ছে ঐ কয়েকজন পরিচিত পত্রলেখকের নাম। প্রশ্ন হচ্ছে, বিবিসি বাংলায় পত্রলেখক কি খুবই কম যাদের মধ্যে ইনারাই বেশি? নাকি অন্য যারা পাঠাচ্ছেন তাদের থেকে ইনাদের প্রশ্নের মানই সব সময় ভাল হয়?''

ভাল প্রশ্ন করেছেন মি.ইলতুতমিশ, এবং আপনার সাথে একমত না হবার কোন উপায় আমার নেই। এটা সত্য যে, প্রীতিভাজনেষু বা এডিটারস মেইলবক্সে ঘুরেফিরে কয়েকজন পত্রলেখকের চিঠি নেয়া হয় বেশি। এর কারণ, বেশির ভাগ শ্রোতা বা পাঠক কখনো চিঠি লেখেন না। যারা লেখেন, তাদের মধ্যে অনেকে নিয়মিত লেখেন না। আর যাদের কথা আপনি বলছেন, তারা প্রতি সপ্তাহে লেখেন, মাঝে মধ্যে একাধিক চিঠি লেখেন। আমাদের যেটা ভাবতে হবে, সেটা হলো, এই পরিস্থিতি কি সাধারণ শ্রোতা এবং পাঠকের কাছে প্রীতিভাজনেষুকে বিরক্তিকর করে তুলছে? আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে আমাদের অনুষ্ঠান নিয়ে লিখেছেন, পঞ্চগড় থেকে মোহাম্মদ মকবুল হোসেন:

''বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান আমি ১৪-১৫ বছর বয়স থেকে শুরু করে আজ ৫৪ বছরে এসেও নিয়মিত শুনে থাকি । বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠানের চড়াই উতরাই, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজনের কালের সাক্ষী আমি। বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠানের মূল শ্রোতাদের বৃহৎ অংশই বাংলাদেশী এবং বাংলা ভাষাভাষী ভারতীয় । এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর প্রাণের দাবি সকাল সাড়ে ছয়টার এবং রাত সাড়ে দশটার অনুষ্ঠান পুনরায় চালু করা হউক ।''

দু'এক সপ্তাহ আগেই আমি বলেছিলাম মি. হোসেন, ভোরের অনুষ্ঠান ফেরত আসার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। এমনকি বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে সকালে তুলনামূলকভাবে খুব কম মানুষই রেডিও শোনেন। সে'অবস্থায়, সকালে আদৌ রেডিও অনুষ্ঠান রাখা উচিত কি না, সেটা নিয়ে আমরা ভাবছি। তবে রাতের দৃশ্যপট ভিন্ন এবং সাড়ে দশটার অনুষ্ঠান ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা এখন উজ্জ্বল।

এবারে ভিন্ন ধরণের চিঠি, সাম্প্রতিক কোন ঘটনা নয়, তবে ঐতিহাসিক একটি ঘটনার ব্যাখ্যা খুঁজছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কামরুল ইসলাম মারুফ:

''১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর আওয়ামী লীগের চারজন জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে কতিপয় সেনা কর্মকর্তা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে হত্যা করে। এ ইতিহাস মোটামুটি সকলেরই জানা। তবে কী কারণে তাঁরা কারাগারে ছিলেন? আমার মত অনেকেই হয়তোবা জানেন না।''

আপনি নিশ্চয়ই জানেন মি. ইসলাম, ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর, খন্দকার মোশতাক আহমেদ ক্ষমতা দখল করেন এবং তিনি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান নিয়োগ করেন। মি. আহমেদ তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য চারজন সিনিয়র নেতাকে ২২শে অগাস্ট গ্রেফতার করার আদেশ দেন, যেটা সেনাবাহিনীর সদস্যরা কার্যকর করে। মোশতাক আহমেদ সম্ভবত আশংকা করেছিলেন যে, এই চারজন নেতা বাইরে থাকলে, এমনকি গৃহবন্দী অবস্থায় থাকলেও, শেখ মুজিবের অনুসারীরা তাদের নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে। সেদিন থেকেই তারা কারাগারে ছিলেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহ নিয়ে একটি প্রশ্ন করেছেন পঞ্চগড়ের বড়শশী থেকে মোহাম্মদ উজ্জ্বল ইসলাম:

''বিবিসি বাংলার টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাঝে যে সমস্ত বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়,তার অর্থ কি বিবিসি বাংলা পায়?''

না মি. ইসলাম, বিজ্ঞাপনের অর্থ বিবিসি পায় না। বিবিসি প্রবাহ অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আই-এর সাথে যৌথভাবে নির্মিত। এখানে সম্প্রচারসহ কারিগরি সব দিক চ্যানেল আই-এর এবং বিজ্ঞাপনের অর্থও তাদের। আপনাকে ধন্যবাদ।

পরের চিঠি লিখেছেন রংপুর সদর থেকে এস এম লিয়াকত আলী:

''বুলবুলের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ, বিবিসি বাংলার কাছে এই খবরটির গুরুত্ব ছিলনা অথচ, বিবিসি বাংলার একটি বড় অংশের শ্রোতা হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিবিসি কীভাবে এমন ভুল করতে পারে।''

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ মি. আলী। তবে আমি বলবো না যে আমরা ভুল করেছি। গত শনি-রবিবার ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এবং ভারতের বাবরি মসজিদ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। তার কারণে অনেক খবরকেই কম গুরুত্ব দিতে হয়েছে, যেমন বুলবুলের প্রভাবে স্কুল-কলেজ বা পরীক্ষা বন্ধের খবর। আশা করি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত না হলেও, শিক্ষার্থীরা তাদের কলেজ থেকেই পরীক্ষা স্থগিত হবার খবরটি পেয়ে গিয়েছিলেন।

এবারে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা নিয়ে কিছু মন্তব্য। প্রথমে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''আমরা যারা উপকূলীয় অঞ্চলে বাস করি সাইক্লোনের পূর্বাভাস পেলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। কারণ সাইক্লোন শেল্টার এর সংখ্যাটি এমন পরিমাণে নয় যে, উপকুলের সব মানুষ দুর্যোগের সময়ে জীবন বাঁচাতে আশ্রয় নিতে পারি।''

প্রতিটি পাড়া বা মহল্লায় সাইক্লোন শেল্টার নেই বলেই দুর্যোগের সময়ে বাড়ির সব সম্পদ ফেলে দূরের সাইক্লোন শেল্টারে মানুষ যেতে চায় না।

আরো লিখেছেন ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে জহিন মুমতাহিনাহ:

''বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের রঙের রাজনীতি নিয়ে ১২ই নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পড়লাম। সাম্প্রতিক সময়ে লেজুড়-ভিত্তিক ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির কারণে বেশ কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বেশ অস্থির হয়ে উঠেছে। উচ্চ শিক্ষার স্বার্থে দ্রুত ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করা উচিত। কারণ, ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির বেপরোয়া লেজুড়বৃত্তির কারণে মুক্তচিন্তা ও চর্চা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।''

আপনাদের ধন্যবাদ মুকুল সরদার এবং জহিন মুমতাহিনাহ। আশা করি প্রতিবেদন আপনাদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়েছে।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

আরিফুল ইসলাম, পাইকগাছা, খুলনা।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

উম্মে হাবিবা রাত্রী, মংলা, বাগেরহাট।

মোহাম্মদ শফি উল্লাহ, উত্তরা, ঢাকা।

তানাকা রহমান, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

আহসান হাবিব রাজু, লালমনিরহাট ।

রফিক সরকার, নদ্দা সরকার বাড়ী, গুলশান, ঢাকা।

ওবায়েদুল ইসলাম উজ্জ্বল, আল-আইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত।

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম।

আসিক ইকবাল, ঢাকা।

মোহাম্মদ আজিনুর রহমান লিমন, ডিমলা, নীলফামারী।

বৃত্তি রায়, মোহাম্মদপুর, ঠাকুরগাঁও।

আব্দুল জলিল, মানামা, বাহরাইন।

মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।