ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন এলাকায় অবিস্ফোরিত ককটেল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
Image caption ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ডাকসু ভিপি নূরুল হকের ওপর হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে একটি ককটেল উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) মফিজুর রহমান পলাশ বিবিসি বাংলা'কে জানান, খবর পেয়েই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুলিশের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটসহ সেখানে যান। পরে ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

তিনি জানান, বেলা পৌনে এগারোটার দিক মধুর ক্যান্টিনের পশ্চিম দিকের দরজার বাইরে আইবিএ ভবনে প্রবেশের পুরনো গেইট বরাবর রাস্তায় কালো স্কচটেপ মোড়ানো ককটেল থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিলো।

"সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়েই রমনা জোনের এডিসির নেতৃত্বে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা সেখানে গিয়ে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করে"।

তবে কারা এটি এনেছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো দেয়া হয়নি।

যদিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সাথে কথা বলে সাংবাদিকদের বলেছেন, তার ধারণা বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীল করতেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কর্মরত একটি সংবাদপত্রের একজন সংবাদদাতা ফাহিম রেজা শোভন বলছেন, তখনো মধুর ক্যান্টিনে ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা পুরোদমে সমবেত হতে শুরু করেনি।

যদিও মধুর ক্যান্টিনের কর্মচারীরা বলছেন ছাত্রদলের ৩০/৪০ জন কর্মী এবং ছাত্রলীগের ৮/১০ জনের মতো কর্মী তখন ক্যান্টিনের ভেতরে অবস্থান করছিলেন।

এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা সাধারণত এগারোটার দিক থেকে সমবেত হতে শুরু করেন মধুর ক্যান্টিনে।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

বিশ্বের সেরা এক হাজারেও নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতা করেছিলেন যারা

ডাকসু কার্যালয়ে ভিপি নুরুল হকের ওপর হামলা

ডাকসু ভিপি নূরুল হকের সাথে ছাত্রলীগের সমস্যা কোথায়?

সম্পর্কিত বিষয়