এডিটারস মেইলবক্স: শ্রোতাদের প্রশ্নের মুখে বিবিসির সিদ্ধান্ত

ঢাকার রাস্তায় বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা, ১৯-১২-২০১৯। ছবির কপিরাইট NurPhoto
Image caption শীতে কাতর: ঢাকার রাস্তায় বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা।

আমাদের রেডিও অনুষ্ঠানমালায় গুরুত্বপূর্ণ রদবদলের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। জানুয়ারির ১২ তারিখ থেকে সকালের অধিবেশন প্রত্যুষা আর থাকবে না, কিন্তু রাতের অধিবেশন পরিক্রমা আবার ফিরে আসবে, কিছুটা নতুন সাজে।

তাই এ সপ্তাহে এই বিষয় নিয়েই বেশি চিঠি-পত্র হাতে এসেছে। তবে শুরু করছি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয় দিয়ে, লিখেছেন মাদারীপুর থেকে সাবরিন সুলতানা:

''এখন আমাদের দেশে শৈত্যপ্রবাহ হচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। এতে করে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দরিদ্র ও অসহায় মানুষজন। ইতোমধ্যে সরকারি উদ্যোগে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে এসব কম্বলের বেশিরভাগই যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকদের বাড়িতে। এখান থেকে ছিটেফোঁটা কিছু অংশ সহায় সম্বলহীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণ করা হলেও, বাকি বৃহত্তর অংশ বড়লোকদের আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে ভাগ হচ্ছে। কতদিন চলবে এমন?''

আপনার প্রশ্নের জবাব আমার কাছে নেই মিস সুলতানা। তবে বিষয়টি যে গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। ত্রাণ যদি দুস্থ মানুষের কাছে না পৌঁছায় তাহলে সেটাকে প্রশাসনিক ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই বলা যাবে না।

ছবির কপিরাইট K M Asad
Image caption ব্যাংকিং সংকট: বৃহৎ শিল্পে অল্প জামানতে ঋণ দেয়া বড় সমস্যা।

আমাদের অনুষ্ঠানে প্রচারিত একটি প্রতিবেদন নিয়ে, লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যার প্রবাহ অনুষ্ঠানে ব্যাংকিং খাতের সংকট নিয়ে সাইয়েদা আক্তারের বিশেষ প্রতিবেদনটি শুনলাম। তবে, প্রতিবেদনটিতে খেলাপি ঋণের যেসব কারণ উল্লেখ করা হয়েছে তার মধ্যে একটি প্রধানতম কারণ উল্লেখ করা হয়নি। আসলে যখন কোন বৃহৎ শিল্পে চলতি মূলধন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ঋণ প্রদান করা হয়, তখন প্রদানকৃত ঋণের চেয়ে বন্ধকীকৃত জামানতের মূল্য অনেক কম নেওয়া হয়।

''এক্ষেত্রে গ্রাহক খেলাপি হলে ব্যাংক জোরালো আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে না এবং প্রদানকৃত ঋণের চেয়ে জামানতের মূল্য বেশ কম হওয়ার কারণে অর্থঋণ আইনে বিক্রয় করাও সম্ভব হয় না। এ কারণে অনেক বৃহৎ ঋণ দীর্ঘদিন যাবত অনাদায়ী পড়ে থাকে এবং এরা সংঘবদ্ধভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় সরকারের কাছ থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে।''

কারণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এটা উল্লেখ করার জন্য ধন্যবাদ মি. রহমান। কিন্তু প্রতিবেদনে যে রাজনৈতিক বিবেচনা এবং দুর্নীতির আভাস দেয়া হয়েছে, এটাও তারই ফসল বলে আমার মনে হয়। ব্যাংকগুলো যে নামমাত্র অংকের জামানতের বিনিময়ে বড় বড় ঋণ দিয়ে থাকেন, সেটা কি আসলেই ব্যবসায়িক বিবেচনায় দেয়া হচ্ছে, নাকি সেখানে দুর্নীতি বা রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করছে?

ছবির কপিরাইট Majority World
Image caption ব্যাংক পাড়া: মতিঝিল কি রাজনৈতিক প্রভাবে কাবু হয়ে আছে?

এবারে আসা যাক আমাদের রেডিও সময়সূচী পরিবর্তনের বিষয়ে। প্রথমে লিখেছেন খুলনার ডুমুরিয়া থেকে দীপক বিশ্বাস:

''অভিনন্দন জানাচ্ছি ১২ই জানুয়ারি হতে আবারো রাতের অধিবেশন ফিরিয়ে আনার জন্য। এর জন্য খুবই ভালো লাগছে। তবে একটু কষ্টও অনুভব করছি, কারণ সকালের অধিবেশনটা হারাতে হচ্ছে। মানে, একটি আঙ্গুল কেটে আর একটি আঙ্গুল স্থাপন করা হচ্ছে। তাতে কোন সমস্যা নেই। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, পরপর দুটি না রেখে প্রথমটা আর শেষেরটা রাখলে কি কোন অসুবিধা ছিল?''

হ্যাঁ মি, বিশ্বাস, অসুবিধা অবশ্যই ছিল। প্রথমত, সকালের চেয়ে রাতে অনেক বেশি লোক রেডিও শোনেন। অন্যদিকে, প্রত্যুষা বন্ধ করে দিয়ে আমরা ডিজিটাল মাধ্যমে লোকবল বাড়াতে পারবো, কিন্তু সকালের প্রত্যুষা বহাল রেখে, সন্ধ্যার প্রবাহ বন্ধ করে পরিক্রমা শুরু করলে সেটা সম্ভব হত না।

Image caption শ্রোতা সম্মেলন: খুলনায় ২০১১ সালের সম্মেলনে ছবির বাঁ দিকে মুকুল সরদার।

খুলনা থেকেই আরেকটি চিঠি, লিখেছেন দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''দুই হাজার উনিশ এর শেষ প্রান্তে এসে বিবিসি বাংলার কাছ থেকে পাওয়া ধাক্কাটা সামলে নেওয়া বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের জন্য একটু কষ্টকর হচ্ছে বলেই আমার মনে হয়। আপনারা বলছেন, বাংলাদেশে সকালে রেডিওর যথেষ্ট চাহিদা নেই। আমার কিন্তু তেমনটা মনেই হয় না। পরিক্রমা ফিরে আসার খবরে যতটা খুশি হয়েছি তার চেয়ে বেশি হতাশ হয়েছি প্রত্যুষা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরে। আমার একান্তই ব্যক্তিগত অভিমত, দিনের শুরুতে একটি অধিবেশন থাকাটা খুবই জরুরি।''

আমিও কিন্তু আপনার সাথে একমত মি. সরদার যে, সকালে একটি অনুষ্ঠান রাখা দরকার। কিন্তু শুধু মাত্র ধারণার ওপর ভর করে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। বাংলাদেশে সকালে শ্রোতা আছে, কিন্তু সেটা রাতের চেয়ে অনেক কম। আর সব চেয়ে বড় সত্য হচ্ছে, বাংলাদেশে রেডিওর চাহিদা ক্রমশই কমছে।

বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বাগেরহাট থেকে মোহাম্মদ তৈমুর হুসাইন:

''খুবই আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,আমি আবার বিবিসি শোনা শুরু করব! কেননা আবার রাতের অধিবেশন ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। আমি তো ভীষণ খুশি। বিবিসির এই সিদ্ধান্তের সাথে আমি একমত, কেননা সারাদিন কর্মব্যস্ত থাকলেও রাতের অধিবেশনটা শুনতে কোন অসুবিধা হয়না। রাতের ও সকালের দুটি অধিবেশন বন্ধ হবার পর আমি আর নিয়মিত বিবিসি শুনতে পারিনি।''

Image caption পরিবর্তনশীল সম্প্রচার: এক সময়ের বুশ হাউস স্টুডিও থেকে সংবাদ পরিবেশন করছেন মোয়াজ্জেম হোসেন আর মিজান খান।

যুক্তিটা সেরকমই মি. হুসাইন। অনেকে সন্ধ্যার অধিবেশন শোনার সময় পান না, সেজন্য পরিক্রমার চাহিদা আছে। আশা করি পরিক্রমা বন্ধ হবার ফলে যারা বিবিসি শুনতে পারছিলেন না, তারা আবার আপনার মত ফিরে আসবেন।

তবে আমাদের সিদ্ধান্তে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন ময়মনসিংহের আশেক মাহবুব:

''প্রত্যুষা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত তো নিয়েই ফেলেছেন, বুঝতে পারছি এখন আর বলে কোন লাভ নেই। তবে ঘটনাটা ঘটলো অনেকটা বাংলাদেশ সরকারের স্বৈরাচারী একক সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো। ঘোষণাটা হঠাৎই এলো, আপনারা একটা শ্রোতা মতামত নিতে পারতেন। একেবারেই অযৌক্তিক। তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুটো প্রোগ্রামের কোন যুক্তি কোনভাবেই কেউ দেখাতে পারবে না যেখানে বাকি ২১ ঘণ্টা বিবিসি বাংলা টোটালি নীরব থাকবে। খুবই দুঃখজনক!''

স্বৈরাচারী কি না, তা বলতে পারবো না মি. মাহবুব, তবে এসব সিদ্ধান্ত আমাদেরকেই নিতে হবে এবং একক ভাবেই নিতে হয়। তবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে, বিশেষ করে কোন সময় বাংলাদেশে শ্রোতারা রেডিও শুনছেন, তার ওপর। আমি বলবো, সিদ্ধান্তটা দু:খজনক, তবে অযৌক্তিক না।

আরেকটি ছোট প্রশ্ন করেছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ:

''যখন শুনলাম রাতের পরিক্রমা ফিরে আসছে তখন বেশ খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু খুশি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারলাম না, যখন শুনলাম প্রত্যুষা বন্ধ হয়ে যাবে। তাহলে আমার সবচেয়ে প্রিয় সংবাদপত্র পর্যালোচনা অনুষ্ঠানটির কী হবে?''

সংবাদপত্র পর্যালোচনাটা আমাদেরও প্রিয় ছিল মি. রশিদ, কিন্তু এটা আসলেই সকালের জন্য উপযুক্ত, সন্ধ্যা বা রাতের জন্য নয়। কাজেই, এই অনুষ্ঠানটি আমাদের হারাতে হচ্ছে।

আমাদের একটি না, দুটি ভুল সংশোধন করে লিখেছেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থেকে মোহাম্মদ রেজাউল রহিম:

''প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই গত সপ্তাহের এডিটারস মেইলবক্সে, স্যার ফজলে হাসান আবেদকে নিয়ে আমার লেখা প্রকাশ করবার জন্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, আমার নামটি ভুল লেখা হয়েছে। আমার নাম মোহাম্মদ রেজাউল করিম হবে না। আমার নাম মোহাম্মদ রেজাউল রহিম হবে। আর উপজেলা লোহাগড়া হবে না। হবে লোহাগাড়া।''

আমাদের ভুল সংশোধনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ মি. রহিম। এবং ভুলের জন্য আমরা অত্যন্ত দু:খিত।

নতুন প্রত্যুষা নিয়ে ছোট একটি প্রশ্ন করেছেন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে মোহাম্মদ বেলাল হোসেন:

''আগামী ১২ই জানুয়ারি থেকে প্রত্যুষা আর প্রচার হবেনা শুনে দুঃখ পেলাম। সেই সাথে পরিক্রমা প্রচার হবে শুনে আনন্দও পেলাম। পরিক্রমায় শ্রোতাদের চিঠি পত্রের অনুষ্ঠান প্রীতিভাজনেষু থাকবে কি?''

হ্যাঁ মি. হোসেন, পরিক্রমায় প্রীতিভাজনেষু আপাতত রেখে দেয়ার সিদ্ধান্তই আমরা নিয়েছি, যেহেতু এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা শ্রোতা-দর্শক আর পাঠকদের প্রশ্নের জবাব দিতে পারি। তবে তার অনলাইন সংস্করণ এডিটারস মেইলবক্স রাখা হবে কি না, সেটা নির্ভর করবে পাঠকের চাহিদার ওপর।

ছোট প্রশ্ন করেছেন পটুয়াখালীর মৌকরন থেকে শাহীন তালুকদার:

''অনুষ্ঠানে বার বার পরিবর্তন এনে বিবিসি বাংলার ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে । তারপরও বলি, ফোন ইন ও প্রীতিভাজনেষু নিয়ে পরিকল্পনা কী?''

অনুষ্ঠানের সময়সূচী পরিবর্তন করে কোন গণমাধ্যম তার ঐতিহ্য হারায় না মি. তালুকদার। ঐতিহ্যের মূলে আছে সম্পাদকীয় নীতিমালা এবং সংগঠনের মূল্যবোধ। সেগুলো অটুট রাখা মানেই ঐতিহ্য ধরে রাখা। আর ফোন-ইন অবশ্যই থাকবে, যেমন থাকবে প্রীতিভাজনেষু।

পরের চিঠি লিখেছেন সাতক্ষিরা সরকারি কলেজ থেকে রাজিব হুসাইন রাজু:

''বিগত সাত বছর ধরে নিয়মিত বিবিসি বাংলা শুনে আসছি। রাতের পরিক্রমা না শুনলে সে সময় আমার ভালো ঘুমই হতো না। ব্যস্ততার কারণে এখন প্রবাহ শুনি বিবিসি বাংলার ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে দেখছি ডাউনলোড করা সংবাদ পরিবেশনা শুনতে কিছু সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি শ্রোতাদের কাছে কিছুটা বিরক্তিকর।

''আশা করি, এই টেকনিকাল সমস্যাটি কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমাধান করবেন। রাত সাড়ে ১০টার পরিক্রমা আবারও চালু হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে।''

আপনার ভাল লাগছে জেনে আমাদেরও ভাল লাগলো মি. হুসাইন। তবে আমাদের ওয়েব সাইট থেকে অনুষ্ঠানের অডিও ডাউনলোড করার কোন ব্যবস্থা নেই, আগেও ছিল না। আপনি কীভাবে ডাউনলোড করতেন, তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।

পরের চিঠি লিখেছেন নরসিংদীর পলাশ থেকে মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইকবাল:

''আমি বিবিসি'র একজন নিয়মিত শ্রোতা। তবে সরাসরি অনুষ্ঠান শুনার চেয়ে রেকর্ড থেকেই বেশি শুনে থাকি। লাইভ চলার সময় অফিসে যাওয়া এবং আসার পথে থাকি বলে সম্ভব হয়ে ওঠে না। অফিস এবং বাসায় পৌঁছেই খবর শুনে থাকি। বর্তমানে ওয়েবসাইটে রেকর্ড করা থাকায়, মোবাইলের স্ক্রিন বন্ধ করেও শুনতে পারছি। যা আমার জন্য খুবই উপকারী। বিবিসির টেলিভিশন অনুষ্ঠান এবং ক্লিক ও খুব ভালো লাগে।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মি. ইকবাল। আমরা জানি অনেকে স্রোতাই এখন কাজ বা অন্যান্য ব্যস্ততার চাপে অনুষ্ঠান লাইভ শুনতে পারেনা। সেজন্য রেকর্ড করে পরে শোনার সুযোগটা অবশ্যই প্রয়োজনীয়।

বিবিসি বাংলা অ্যাপ নিয়ে বিভ্রান্তিতে আছেন খুলনার কৌশিক সরদার:

''আপনাদের লাইভ অনুষ্ঠান অ্যাপ-এ শুনি আসছি এক মাসের মতো। কিন্তু ২৮শে ডিসেম্বর থেকে সকালে আর শুনতে পাই না। আবার ২৯ তারিখ সকালের অনুষ্ঠানে বললেন আপনাদের কোন অ্যাপ নেই। তাহলে আপনাদের নামে যে অ্যাপ আছে সেটা কাদের মাধ্যমে চলে?''

বেশ বিপদেই ফেললেন মি. সরদার। বিবিসি বাংলার কোন অ্যাপ নেই। যদি ঐ নামে কোন অ্যাপ বাজারে থাকে তাহলে সেটা ভুয়া এবং বেআইনি। বিষয়টি আমরা অনুসন্ধান করে দেখবো।

এবার কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

কাজী সারোয়ার হোসেন বিপু, মহাখালী, ঢাকা।

রতন রঞ্জন রায়, বোদা,পঞ্চগড়।

শামীম উদ্দিন শ্যামল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার , ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।

মোহাম্মদ বেলাল, ঢাকা।

মোহাম্মদ শাহ জালাল ফয়সাল, ঢাকা।

পাংকু মিয়া, ত্রিপুরা।

বিলকিছ আক্তার, কাউনিয়া, রংপুর।

সামিদুল ইসলাম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ।

মোহাম্মদ সোহাগ বেপারী, নাংগলকোট, কুমিল্লা।

আর হৃদয় হোসেন, বাঘা, রাজশাহী।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

এইচ, এম, তারেক, বন্দর, নারায়নগঞ্জ।

মোহাম্মদ সেলিম, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।

সোহেল ৱানা হৃদয়, ঢাকা সেনানিবাস।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

সম্পর্কিত বিষয়