এডিটার'স মেইলবক্স: করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক, সাংবাদিক নির্যাতনে ক্ষোভ

রাশিয়াতে একটি বাস জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption করোনাভাইরাস প্রতিরোধ: রাশিয়াতে একটি বাস জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে।

বিশ্বের সব চেয়ে বড় খবর করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ে আমরা প্রতি দিন সংবাদ, বিশ্লেষণ এবং তথ্য সমৃদ্ধ প্রতিবেদন প্রচার এবং প্রকাশ করছি। এই সব প্রতিবেদনে যাতে নির্ভুল তথ্য এবং বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণ থাকে তা নিয়ে আমরা যত্নশীল, কিন্তু তা সত্ত্বেও দুই-একটা ভুল হয়ে যায়।

সে রকম একটি ভুলের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখেছেন পাবনার ভাঙ্গুরা থেকে মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বাচ্চু:

''আমি গত এক যুগেরও বেশি সময় যাবত বিবিসি বাংলার একজন নিয়মিত শ্রোতা। বিবিসি বাংলার নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আমাকে আকৃষ্ট করার অন্যতম কারণ। কিন্তু গত ১১ই মার্চ বুধবার রাতের অধিবেশন পরিক্রমায় শেষ মিনিটের সংবাদ শিরোনামে বলা হলো " WHO বলছে, ১০০টিরও বেশি দেশে এই ভাইরাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমিত হয়েছেন এক লক্ষ ২০ হাজার মানুষ এবং এতে মারা গেছেন এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার"।

''বিবিসি বাংলার কাছে আমার প্রশ্ন হলো, করোনাভাইরাসে কি ঐদিন পর্যন্ত ৪৩ হাজার মানুষ মারা গেছেন? সারা বিশ্বে বর্তমানে ভীতিসঞ্চারকারী করোনাভাইরাসের প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে এমন ভুল তথ্য পরিবেশন বিবিসি বাংলার কাছে মোটেও কাম্য নয়। পরবর্তীতে এই ভুলের কোন সংশোধনী দেয়া হয়নি। ভুল সংশোধনীর বিষয়ে বিবিসি বাংলার নিয়ম কি জানতে পারি?''

আপনি ঠিকই বলেছেন মি. ইসলাম, এরকম ভুল বিবিসির কেন, কোন সংবাদ মাধ্যমেরই করা উচিত না। সঠিক সংখ্যা সম্ভবত ৩৪'শ ছিল এবং শ'কে উপস্থাপক ভুল করে হাজার বলে ফেলেছেন। তার আগের বাক্যেই যেহেতু লক্ষ হাজারের একটি সংখ্যা বলা হয়েছে সেজন্যই আমার মনে হয় মুখ ফসকে শ'র জায়গায় হাজার বেরিয়ে গেছে। সাধারণত আমরা অনুষ্ঠানের মাঝেই ভুলটা শুধরে দেই। কিন্তু এই ভুলটা যেহেতু একবারে অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে হয়েছিল, তাই সেটা স্বীকার করার কোন জায়গায়ও ছিল না । অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা অবশ্যই দুঃখিত।

ছবির কপিরাইট Getty Images
Image caption করোনাভাইরাস প্রতিরোধ: জনগণের সচেতনতাই বাধ্য করেছে হংকংয়ের সরকারকে পদক্ষেপ নিতে।

তবে বিবিসির পরিবেশনা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়ে লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বেশ কয়েকদিন আগেই করোনাভাইরাসকে মহামারি রোগ হিসাবে ঘোষণা করেছে। বিশ্বব্যাপী এটা যতটা না মহামারি আকার ধারণ করেছে, এটি তার চেয়েও বেশি আশেপাশের মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। বিবিসি বাংলা এর শুরু থেকেই প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পাতায় করোনাভাইরাস নিয়ে নিত্যনতুন আপডেট দিচ্ছে এবং আমার মতো হাজারো শ্রোতা নিশ্চয়ই অনেক উপকৃত হচ্ছে।

''আমি মনে করি, বিবিসি বাংলা এক্ষেত্রে একজন বিপদের বন্ধু ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের চেয়েও বড় ভূমিকা পালন করছে। এর প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আতঙ্কিত না হয়ে বরং সর্বদা সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে আতঙ্কিত না হয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলে যেতে হবে। বিবিসিকে আন্তরিক ধন্যবাদ করোনাভাইরাস নিয়ে নিত্যনতুন আপডেট জানানোর জন্য।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মি. রহমান। করোনাভাইরাস সম্পর্কে, বিশেষ করে কীভাবে এই ভাইরাস থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায়, সেটা জানতে আমাদের পাঠকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ আমরা লক্ষ্য করছি। আশা করি আপনাদের চাহিদা আমরা মেটাতে পারবো।

ছবির কপিরাইট Ariful Islam Rigan
Image caption কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম

গত সপ্তাহে বাংলাদেশের আলোচিত বিষয়গুলোর অন্যতম ছিল কুড়িগ্রামে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম নির্যাতনের ঘটনা। সে বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কয়েকটি চিঠি এসেছে।

প্রথমে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের হাতে নির্যাতনের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন আরিফুল ইসলাম। একজন ডিসি কি এভাবে আইন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারেন? আমার মনে হয়, সরকারকে বিষয়টি ভালো ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে যে, ঐ ডিসি ঠিক কোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত এবং তার সঙ্গে আর কারা রয়েছেন?

''গভীর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে নির্যাতন এবং জেলে পাঠানোর অভিযোগে ডিসি সুলতানা পারভীন, সিনিয়র সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিন এবং আরও দু'জন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়াটাই কি যথেষ্ট হবে? এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে হয়তো আর কেউ এমন জঘন্য অপরাধ করতে সাহস পাবে না।''

আপনি ঠিকই বলেছেন মি. সরদার। যেকোন অপরাধ যদি অপরাধ হিসেবে গণ্য না হয় বা অপরাধীকে যথাযথ বিচারের মুখোমুখি না করা হয়, তাহলে অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা যাবে না। আর অপরাধ যদি সরকারী কর্মকর্তারা করে থাকেন, যাদের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের অধিকার সমুন্নত রাখা, তাহলে শাস্তি দৃষ্টান্তমূলক হতে হবে।

একই বিষয়ে পরের চিঠি লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''কেন জানি এ প্রসঙ্গে আর চুপ থাকতে পারছিলাম না কিছুতেই। আমি মনে করি, সাংবাদিকদেরকে ভয় দেখানোর জন্য, তাদেরকে আতঙ্কিত করার জন্যই এই শাস্তি। এমনিতে বর্তমান সাংবাদিকদের একটা বড় অংশ সরকারি দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর মধ্যেও দুই-একজন যারা সততার স্বাক্ষর রাখতে চান, সরকার তাদেরকে এভাবে ভয় দেখিয়ে মামলা দিয়ে, হামলা করে থামিয়ে দিতে চায়।

''রাষ্ট্রের কিছু অসৎ অফিসারদের কারণে আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলা আজও প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি। বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে তাদের বুঝিয়ে দেয়া হোক - তারা প্রজাতন্ত্রের সাধারণ কর্মচারী মাত্র, মালিক নন কখনোই।''

এমন হতে পারে মি. ইসলাম যে কিছু কিছু সরকারী কর্মকর্তা এখনো ঔপনিবেশিক আমলের আমলাদের মনমানসিকতা নিয়ে চলছেন এবং নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করছেন। শুধু বিচার বিভাগীয় তদন্ত না, প্রশাসনিক সংস্কার না হলে এই সংস্কৃতি বদলাবে না।

ছবির কপিরাইট Barcroft Media
Image caption সাংবাদিক নির্যাতনে উদ্বেগ: ঢাকায় সাংবাদিক শফিকুল আল কাজল নিখোঁজ হওয়ায় প্রতিবাদ।

এ'বিষয়ে আরও লিখেছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে মোহাম্মদ সাহিব আলম:

"মধ্যরাতে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে জেল" শিরোনামে সায়েদুল ইসলামের প্রতিবেদনটি পড়ে বেশ হতভম্ব হলাম। কেউ দুর্নীতি করবে আর তার বিরুদ্ধে কথা বললেই অন্যায়? আবার তার ওপর এরূপ নির্যাতন? কেউ অন্যায় করলে তাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে সে হোক এমপি, মন্ত্রী, কোন সরকারি কর্মকর্তা বা সাধারণ জনগণ ।

''পৃথিবীতে দুর্নীতিপ্রবণ দেশের তালিকায় যে কয়েকটি দেশের নাম আছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আসলে সকল সরকারি কর্মকর্তাদের বোঝা উচিত যে একটি দুর্নীতির মাধম্যে তারা শুধু দেশের সাময়িক ক্ষতি করছেন না, বরং তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে উন্নয়ন থেকে আরও ১০০ বছর পিছিয়ে দিচ্ছেন।''

দুর্নীতি এমন একটি জিনিস, মি. আলম, একবার জেঁকে বসলে তা দূর করা খুবই কঠিন হয়ে পরে। তবে এই ঘটনার ফলে যদি কর্মকর্তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে আরো অনুসন্ধান হয়, তাহলে হয়তো সরকার কিছু করার জন্য চাপ অনুভব করবে।

Image caption ইসলামিয়া কলেজ, কলকাতা: ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকের তালিকায় ১৯৪৫-৪৬ সালে এম রহমান (শেখ মুজিবুর রহমান)।

এবারে আসি অন্য প্রসঙ্গে। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভুল তারিখের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বাগেরহাট থেকে সুব্রত কুমার বিশ্বাস:

''মুজিব জন্মশতবার্ষিকী: শেখ মুজিবের শততম জন্মদিন আজ, বাংলাদেশে আজ থেকে মুজিববর্ষ' শীর্ষক এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি ১৯৪২ সালে গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আইএ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে বিএ পাস করেন।এখানে ১৯৮৭ সালের স্থানে কি ১৯৪৭ হবে না? এটা কি অনিচ্ছাকৃত ভুল, নাকি ঠিক তথ্য?যদি সম্পাদনাজনিত ভুল হয়ে থাকে তবে আশা করি ঠিক করবেন, কারণ এই এধরনের ভুল আপনাদের কাছে কাম্য নয়।''

কোন ভুলই কাম্য না মি. বিশ্বাস। ভুল ঠিক করে দেয়া হয়েছে এবং আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার প্রাক্তন উপ-প্রধান সিরাজুর রহমানের নামের বানান বিভ্রাট নিয়ে আপত্তি করে লিখেছেন খুলনার মুন্সিপাড়া থেকে মুনির আহম্মদ:

''বিবিসি নিউজ বাংলা গত কিছুদিন ধরে টেলিভিশন অনুষ্ঠান 'বিবিসি প্রবাহে' ধারাবাহিক ভাবে শেখ মুজিবের জীবনের উপর প্রামাণ্য ফিচার প্রচার করেছে। ইউটিউবেও বিভিন্ন অডিও/ভিডিও আপলোড করেছে। বিশেষ করে বিবিসির আর্কাইভ থেকে যে তিনটা সাক্ষাৎকার প্রচার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ। তবে সাক্ষাতকার গ্রহণকারী সিরাজুর রহমানের নাম সব সাক্ষাতকারের হেডিংয়ে "সেরাজুর রহমান" লেখা হয়েছে। নামের বিকৃতি কি তাঁর প্রতি অসম্মানের পর্যায়ে পড়ে না? তিনি নিজে তাঁর নামের বাংলা বানান লিখতেন সিরাজুর রহমান।''

Image caption বিবিসি বাংলার চিঠি-পত্রের আসরে সিরাজুর রহমান আর কমল বোস।

সিরাজুর রহমান তার নাম ইংরেজিতে Serajur লিখতেন, যেটার উচ্চারণ হবে সেরাজুর। সেজন্যই সেরাজুর লেখা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, তার নামের বাংলা বানানটা যাচাই করে নিয়েই লেখা উচিত ছিল, তাহলে ভুলটা হত না। তবে কারো নামের বানান ভুল করা যেমন ঠিক না, তেমনি বানান ভুল হলে ব্যক্তির প্রতি অসম্মান দেখানো হয়, এটা বোধ হয় একটু বেশি বলা হয়ে যাবে।

আমিও প্রায় দেখি কেউ কেই আমার নাম প্রায়ই ভুল করে ময় ওকার দিয়ে আমাকে মোস্তফা বানিয়ে দেয়। বিষয়টি বিরক্তিকর, কিন্তু তাতে অপমানিত বোধ করার প্রশ্নই কখনো ওঠে না।

যাই হোক। পরের চিঠি লিখেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসজাদ, যিনি শুধু একটি নামই ব্যবহার করেছেন:

''আমি প্রীতিভাজনেষুর যথেষ্ট পুরনো শ্রোতা ও পাঠক হওয়া সত্ত্বেও চিঠি লেখা আজই প্রথম। আপনাদের স্মরণিকা 'বিবিসি লাইভ' থেকে অনেক বিষয় জানতে পেরেছি । আচ্ছা, কাজী জাওয়াদের 'বাংলার মুখ' অনুষ্ঠানটি কি কোনোভাবে পেতে পারি? ওয়েবসাইটে দিয়ে দিন না! এরকম অন্যান্য জনপ্রিয় অনুষ্ঠানমালাও দিয়ে দিন । আপনাদের আর্কাইভ সাধারণের জন্য ব্যবহারের সুযোগ হবে কি?''

পুরনো বেশ কিছু অনুষ্ঠান আমাদের কাছে আছে, মি. আসজাদ। তবে সেগুলো অনলাইনে দেওয়ার কোন পরিকল্পনা আপাতত নেই। আমাদের আর্কাইভ এখনো অনলাইনে নেই, কাজেই সাধারণের ব্যবহারের কোন সুযোগ আপাতত নেই। যখন হবে তখন নিশ্চয়ই আপনাদের জানিয়ে দেব।

সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ-এর ঘোড়াদাইড় থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:

''বাংলাদেশে কেউই নবাবজাদা নন, কেউই হারামজাদা নন। প্রবাসীরা প্রবাসে যেমন কঠোর পরিশ্রম করেন, ঠিক তেমনি দেশের কৃষক-শ্রমিক সহ আপামর মানুষের কঠোর পরিশ্রমেই আমরা আজকের অবস্থানে। সবাইকে সবার সম্মান করা উচিত, কাউকে খাটো করে দেখার সুযোগ নাই।''

আপনি ঠিকই বলেছেন মি. আহমেদ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাদের জীবন উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমি নিজে একজন প্রবাসী, আমি নিজেকে নবাবজাদা অবশ্যই মনে করি না এবং দেশে গিয়ে আমি নবাবজাদার মত আচরণও করি না।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

ভারতের কলকাতা থেকে তালাত মাহমুদ

নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

রাজশাহীর বাগমারা থেকে অমরেশ কুমার পাল

কানাডার টরোন্টো থেকে আমিনুর রহমান।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে সাদিয়া সুলতানা।

ঢাকা থেকে পার্থ শিকদার

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে দীপক চক্রবর্তী

পটুয়াখালীর মৌকরন থেকে শাহিন তালুকদার

গাইবান্ধার দারিয়াপুর থেকে মাহবুবুর রহমান মামুন

চট্টগ্রাম থেকে জেবুন্নেসা রাশেদ

পটুয়াখালী সদর থেকে মোহাম্মদ আল-আমিন