করোনা ভাইরাস: বাংলাদেশিদের ব্রিটেনে ঢোকা নিষিদ্ধ হচ্ছে

লাল তালিকাভূক্ত দেশের কোন নাগরিককে ব্রিটেনে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

ছবির উৎস, JUSTIN TALLIS

ছবির ক্যাপশান,

লাল তালিকাভূক্ত দেশের কোন নাগরিককে ব্রিটেনে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পটভূমিতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কেনিয়া এবং ফিলিপিন্সের নাগরিকদের ব্রিটেনে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে।

আগামী ৯ই এপ্রিল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

তার আগের ১০ দিনে যেসব যাত্রী এই দেশগুলো থেকে যাত্রা শুরু করেছে কিংবা ট্রানজিট করেছে তাদের ব্রিটেনে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে ব্রিটিশ সরকারের পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।

ব্রিটেনে টিকাদান কর্মসূচি পুরো-দমে চলছে। তারই মাঝে কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন ধরণ যাতে এদেশে ঢুকতে না পারে সে জন্যই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে ওয়েবসাইটে জানানো হয়।

ছবির উৎস, JUSTIN TALLIS

ছবির ক্যাপশান,

লাল তালিকাভূক্ত দেশ থেকে আসা এক দম্পতিকে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে নেয়া হচ্ছে।

আরো পড়তে পারেন:

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ৯ই এপ্রিল শুক্রবার ভোর চারটা থেকে ফিলিপিন্স, পাকিস্তান, কেনিয়া ও বাংলাদেশের নাম নিষিদ্ধ দেশের 'লাল তালিকা'য় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এই তালিকায় মোট ৩৯টি দেশের নাম রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনাটি ৯ই এপ্রিল থেকে কার্যকর হলেও হিসেব করা হবে তার আগের ১০ দিন থেকে।

এই সময়ে যেসব বাংলাদেশি যাত্রা শুরু করবেন, কিংবা যেসব যাত্রী বাংলাদেশসহ ঐ তিনটি দেশে ট্রানজিট করবেন তাদের ব্রিটেনের যে কোন বন্দরে ঢুকতে দেয়া হবে না।

ছবির উৎস, JUSTIN TALLIS

ছবির ক্যাপশান,

হিথ্রো বিমানবন্দরের কাছে এক কোয়ারেন্টিন হোটেলে আটক এক যাত্রী।

ব্রিটিশ কিংবা আইরিশ পাসপোর্টধারী যাত্রী, এবং যাদের ব্রিটেনে বসবাসের অনুমতি রয়েছে, তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন না।

তবে তাদেরকে সরকার অনুমোদিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে ১০ দিন থাকতে হবে।

বাংলাদেশ বা অন্য তিনটি দেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইট বাতিলের কোন পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত নেই বলে ব্রিটিশ সরকার জানাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি পর্যালোচনা করে ব্রিটিশ সরকারের জয়েন্ট বায়োটেক সেন্টার।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিদিনই খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬,৪৬৯ জন।

এটিই হচ্ছে এ পর্যন্ত একদিনে শনাক্ত হওয়া সবচেয়ে বেশি সংখ্যা।

এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর: