ইসরায়েল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বদলায়নি, বলছে বাংলাদেশ সরকার

  • ফারহানা পারভীন
  • বিবিসি বাংলা, ঢাকা
বাংলাদেশের পাসপোর্ট

ছবির উৎস, bdspn/Getty

ছবির ক্যাপশান,

বাংলাদেশের পাসপোর্ট

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে করা একটা টুইট-বার্তায় বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে- এমনটা জানিয়ে স্বাগত জানানোর পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ইসরায়েল ভ্রমণের ওপর আগের মতই নিষেধাজ্ঞা আছে।

রোববার এক বিবৃতিতে এবিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ইস্যু করা ই-পাসপোর্ট থেকে ইসরায়েলে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হয়েছে উল্লেখ করে এই বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে যে টুইট করা হয়েছে সেটা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে।

তাতে বলা হয়েছে, নতুন ইস্যু করা ই-পাসপোর্টে " ইসরায়েল ছাড়া সব দেশ" এই পর্যবেক্ষণটি না থাকার কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া সব পাসপোর্টে এতদিন লেখা থাকত- 'দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সসেপ্ট ইসরায়েল।'

কিন্তু নতুন ইস্যু করা ই-পাসপোর্টে এখন লেখা থাকছে 'দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড।' অর্থাৎ এই পাসপোর্ট বিশ্বের সব দেশের ক্ষেত্রে বৈধ।

আরো পড়ুন:

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পর্যবেক্ষণটি বাতিল করা হয়েছে বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার জন্য।

তবে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের জন্য ইসরায়েলে ভ্রমণ নিষিদ্ধই থাকবে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির কোন পরিবর্তন হবে না।

"বাংলাদেশ সরকার ইসরায়েল ইস্যুতে তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। এবং বাংলাদেশ তার দীর্ঘদিনের অবস্থানে কঠোর থাকবে," বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

আল-আকসা মসজিদ চত্বরে এবং গাযায় বেসামরিক মানুষের উপর "ইসরায়েলি দখলদারি বাহিনীর নৃশংসতার" নিন্দা জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

আরো বলা হয়েছে "জাতিসংঘের প্রস্তাবের আলোকে দুই রাষ্ট্র সমাধানকে স্বীকৃতি জানানোর মৌলিক অবস্থানেই আছে বাংলাদেশ, যেখানে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সীমানা ঠিক রেখে দুটি রাষ্ট্র তৈরি এবং পূর্ব জেরুসালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী করার কথা বলা হয়েছে।"

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন: