লকডাউন: কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই ঢাকার দিকে মানুষের ঢল

  • নাগিব বাহার
  • বিবিসি বাংলা, ঢাকা
১৪ দিনের লকডাউন শুরু হওয়ায় তড়িঘড়ি করে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়।
ছবির ক্যাপশান,

১৪ দিনের লকডাউন শুরু হওয়ায় তড়িঘড়ি করে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে শুক্রবার সকাল থেকে পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই সপ্তাহের জন্য আবারো 'কঠোর বিধিনিষেধ' কার্যকর করা হয়েছে।

কোরবানির ঈদের ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ঢাকার ভেতরে যানবাহন চলাচল ও রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি এমনিতেই ছিল কম।

আরো পড়তে পারেন:

ছবির ক্যাপশান,

অনেককেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটতে হয়েছে বাড়ি ফেরার লক্ষ্যে।

লকডাউনের কারণে রাস্তায় বাস বা সিএনজি চালিত অটোরিকশার মত গণপরিবহনের উপস্থিতি ছিল না। তবে বিভিন্ন জায়গায় কিছু ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল ছিল। রাস্তাঘাটে রিকশার উপস্থিতি

শহরের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় এবং ঢাকায় প্রবেশের রাস্তাগুলোতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছিল চেকপোস্ট।

ছবির ক্যাপশান,

আমিনবাজার ব্রিজের ওপর ঢাকামুখী গাড়ি আটকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, গাড়ির দীর্ঘ লাইন ।

কিন্তু কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে দেশের সব জায়গায় যান চলাচল বন্ধ থাকার কথা থাকলেও সকাল থেকে ঢাকায় ঢুকেছেন হাজার হাজার মানুষ।

গাবতলী এলাকার আমিনবাজার ব্রিজে ঢাকামুখী যানবাহন আটকে দেয়া হয়। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষকে দেখা যায় পায়ে হেঁটে, রিকশায় নিজেদের গন্তব্যে ফিরতে।

ছবির ক্যাপশান,

গাবতলী এলাকা দিয়ে ঢাকায় প্রবেশের পর মানুষের একমাত্র যাতায়াতের বাহন ছিল রিকশা।

জুনের শেষদিকে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পহেলা জুলাই থেকে সাতদিনের 'কঠোর বিধিনিষেধ' জারি করে কর্তৃপক্ষ। পরে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়।

ছবির ক্যাপশান,

যানবাহন না থাকায় অনেক মানুষই পায়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যাত্রা করেছেন ।

তবে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ১৪ই জুলাই থেকে ২২শে জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দেয়া হয়। সেসময়ই ঈদের ছুটির পর ২৩শে জুলাই থেকে ৫ই অগাস্ট পর্যন্ত আবারো কঠোর বিধিনিষেধ জারি করার বিষয়টি জানানো হয়েছিল।

ছবির ক্যাপশান,

ঢাকার ভেতরে পুলিশ চেকপোস্টগুলোতে আগেরবারের লকডাউনের তুলনায় কম কড়াকড়ি থাকলেও ঢাকার প্রবেশপথে চেকপোস্টে পুলিশ ছিল তৎপর।

ছবির ক্যাপশান,

লকডাউনের প্রথম দিন রাস্তায় গাড়ি না থাকলেও রিকশার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

তবে পহেলা জুলাই থেকে প্রথম দফা লকডাউনে গার্মেন্টস সহ কিছু কলকারখানা খোলা থাকলেও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ২২শে জুলাই মন্তব্য করেন যে এবারের লকডাউনে সব ধরণের কল কারখানা বন্ধ থাকবে।

ছবির ক্যাপশান,

কিছু কিছু জায়গায় ছিল সেনাবাহিনীর উপস্থিতিও।