টোকিও অলিম্পিকস: দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে শুরু হলো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দৃশ্য।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দৃশ্য।

দর্শক নেই, স্বল্প সংখ্যক অ্যাথলেট, অনেক অনেক ফেসমাস্ক এবং জীবাণু-বিহীন ফ্ল্যাগ - এসব নিয়েই আজ শুক্রবার শুরু হলো টোকিও অলিম্পিকস।

করোনাভাইরাস মহামারি জাপানে একটি জাঁকজমকপূর্ণ অলিম্পিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করার আশাকে একেবারে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

এর পরিবর্তে পুরো অনুষ্ঠানটির মেজাজ হবে ভাব-গম্ভীর, বর্তমান সময়ের জন্য যা উপযুক্ত।

টোকিও থেকে বিবিসি সংবাদদাতা অ্যালেক্স ক্যাপস্টিক জানাচ্ছেন, জাপানি সম্রাট নারুহিতো এই অলিম্পিকস উদ্বোধন করবেন।

কিন্তু তার ভাষণে 'উৎসব', 'আনন্দ' ইত্যাদি শব্দগুলো থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

যে ভেন্যুতে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে তার ধারণ ক্ষমতা ৬৮,০০০।

আরো পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

স্টেডিয়ামের বাইরে মাস্কধারী পুলিশ।

কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন এক হাজারেরও কম মানুষ, যাদের বেশিরভাগই আমন্ত্রিত ভিআইপি।

সাম্প্রতিক কোন অলিম্পিকস নিয়ে এতটা বিতর্ক আর কখনই হয়নি।

গত বছর করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হলে টোকিও অলিম্পিকস স্থগিত করা হয়।

কিন্তু এখনও টোকিওতে জরুরি অবস্থার মধ্যেই এই বিশ্ব প্রতিযোগিতা চলবে।

কারণ জাপানে করোনার সংক্রমণ এখনও ঊর্ধ্বমুখী।

তাই প্রায় কোন ইভেন্টেই দর্শক থাকতে পারবে না।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর:

ছবির ক্যাপশান,

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী অ্যাথলেট টিম।

এই গেমস একেবারে বাতিল করার দাবী অনেক দিন ধরেই রয়েছে।

কারণ এই ধরনের অনুষ্ঠানের পর সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

কিন্তু আয়োজকরা আশা করছেন, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর যখন বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতা শুরু হবে তখন এবারের অলিম্পিকস নিয়ে সমালোচনাগুলো কমে আসবে।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিকস কমিটির সভাপতি টমাস বাখ বলছেন, স্টেডিয়ামে ঢোকার অনুভূতি হবে আনন্দের এবং স্বস্তির।

অলিম্পিক লরেল পাচ্ছেন অধ্যাপক ইউনুস

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দর্শকশূন্য স্টেডিয়াম।

বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসকে টোকিও অলিম্পিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে 'অলিম্পিক লরেল' পদক পাচ্ছেন।

বিশেষভাবে সামাজিক ব্যবসার নেটওয়ার্ক ইউনুস স্পোর্টস হাব তৈরিসহ ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য মি. ইউনুসকে এই পুরষ্কার দেয়া হচ্ছে।

অলিম্পিক লরেল ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকসে চালু করা হয়।

কথা ছিল প্রতিটি সামার অলিম্পিকসের উদ্বোধনী আয়োজনে এই পুরষ্কার দেয়া হবে।

প্রথমবারের মতো এই পুরষ্কারটি দেয়া হয়েছিল কেনিয়ার প্রবাদপ্রতিম অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন কিপ কিইনোকে।

ইয়ং লিডার্স প্রোগ্রাম, ইম্যাজিন ইউথ ক্যাম্প এবং অ্যাথলেট ৩৬৫ বিজনেস অ্যাকসেলারেটার ইত্যাদি প্রকল্পে অধ্যাপক ইউনুস আইওসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

ভিডিও দেখুন:

ভিডিওর ক্যাপশান,

কীভাবে শরীর ফিট রাখছেন পেশাদার অ্যাথলেটরা?