এডিটার'স মেইলবক্স: ধর্ষণের বিচার, মালালার বিয়ে আর পাকিস্তানি পতাকা নিয়ে প্রশ্ন

ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে মেডিকেল পরীক্ষার সাথে বিচারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে?

ছবির উৎস, Towfiqu Barbhuiya / EyeEm

ছবির ক্যাপশান,

ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে মেডিকেল পরীক্ষার সাথে বিচারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে?

ঢাকার বনানীর এক হোটেলে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল বলে যে অভিযোগ করা হয়েছিল, সম্প্রতি তার নিষ্পত্তি হয়েছে। কিন্তু জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যাচ্ছে, অনেকেই মনে করছেন এখানে কোন ন্যায় বিচার হয়নি। কারণ, অভিযুক্ত পাঁচজন আসামীই প্রমাণের অভাবে খালাস পেয়েছে। কিন্তু এই তাজা ঘায়ে মনে হচ্ছে যেন নুন ছিটিয়ে দিয়েছেন বিচারক নিজেই, তার পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে।

সে বিষয় দিয়েই আজ শুরু করছি, প্রথমে লিখেছেন ঝিনাইদহ থেকে কাজী সাঈদ:

''ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর মামলা গ্রহণ না করার জন্য পুলিশকে সুপারিশ করা হয়েছে রায়টি তে। আচ্ছা, কোন শক্ত অপরাধীর বিরুদ্ধে যদি কেউ সাক্ষী দিতে না চায় তাহলে কি আসামি খালাস পাবে শুধু সাক্ষীর অভাবে? বাহাত্তর ঘণ্টা পরে যদি ধর্ষণ মামলা না নেওয়া হয় তাহলে একজন প্রভাবশালী ধর্ষণকারী ভিকটিমকে ৭২ ঘণ্টা আটকে রেখে ছেড়ে দিলেই তো পার পেয়ে যাবে, তাই নয় কি?''

একই বিষয়ে লিখেছেন বাগেরহাট থেকে তন্ময় কুমার পাল:

''আদালতের প্রতি সম্মান রেখে বলছি যে, ৭২ ঘণ্টা পার হলে ধর্ষণের মামলা না নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি আদালত যে নির্দেশনা/পরামর্শ দিয়েছেন এটা কতটা যুক্তিযুক্ত? যেখানে নারীদের অধিকার, ন্যায় বিচারের প্রশ্ন জড়িত থাকে। আর এই নির্দেশনার মাধ্যমে পুলিশের কাছে ধর্ষণ মামলা অবহেলিত হবে কিনা?'

ছবির উৎস, MONIRUL ALAM

ছবির ক্যাপশান,

ঢাকায় বাংলাদেশ হাইকোর্ট: নিম্ন আদালতের 'পর্যবেক্ষণে' সন্তুষ্ট নন বিচারপতিরা।

আপনারা নিশ্চয়ই ইতোমধ্যে জেনে গেছেন, মিঃ সাঈদ এবং মিঃ পাল, এই ৭২ ঘণ্টা পরে ধর্ষণ মামলা না নেবার কথা বলার পর বিচারককে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার এই পর্যবেক্ষণকে কর্তৃপক্ষ গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করছে বলে মনে হয় না, এমনকি অনেক আইনজীবী মনে করছেন বিচারক তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন।

অন্য দিকে, মামলা যাই হোক না কেন ,অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করার দায়িত্ব সরকার পক্ষের। তাদেরই সাক্ষ্য-প্রমাণ দেখাতে হবে। মিডিয়াতে যাই বলা হোক না কেন, অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করতে হবে, এবং তার জন্য সাক্ষী বা আলামত দরকার।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

প্রভাবশালী বিবাদী

তবে শুধু এই মামলা নয়, পুরো বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রংপুরের লালবাগ থেকে মোহসীন আলী:

''ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রায় প্রদানকারী বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়া বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার নাজুক পরিস্থিতি ইঙ্গিত করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে পারে নাই। একজন বিবাদী প্রভাবশালী হলে একটি মামলায় কী ঘটনা ঘটতে পারে, এটি কি তারই প্রতিফলন নয়?

''একটি বহুল আলোচিত মামলার ক্ষেত্রে যদি এরকম ঘটনা ঘটে তাহলে সাধারণ মানুষ গুলোর ক্ষেত্রে কী ঘটনা ঘটছে?''

এই ধরনের রায় বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই মিঃ আলী। তবে আগেই যেটা বলছিলাম, সরকারের পক্ষে যারা মামলা পরিচালনা করেন, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে অভিযোগ প্রমাণিত করা। তারা সেটা করতে ব্যর্থ হলে বিচারক অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করবেন কী করে?

ছবির ক্যাপশান,

হাসান আজিজুল হক

বিবিসি কেন দেরি করে?

এবারে বিবিসি নিয়ে দু'একটি চিঠি, প্রথমে লিখেছেন ঢাকার ধানমন্ডি থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:

''বাংলাদেশে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যু কিংবা অসুস্থতা নিয়ে কিছু ফেইক নিউজ মিডিয়া দীর্ঘদিন ধরে নোংরামি করে আসছে, যা সবার জানা। তাইতো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক-এর মৃত্যু সংবাদ অনলাইনে পাবার পর থেকেই বিবিসি নিউজ বাংলার ওয়েবসাইটে চোখ রাখছিলাম। কিন্তু দীর্ঘ ২/৩ঘন্টা অপেক্ষার পর অবশেষে বিবিসি নিউজ বাংলার ওয়েবসাইটে সংবাদ হলো।

''আমার প্রশ্ন হলো- সংবাদ প্রকাশে বিবিসি এত দীর্ঘ সময় নেয় কেন? লোকবলের অভাব, নাকি অন্য কোন মিডিয়ার সংবাদের অপেক্ষায় বসে থাকা এর কারণ?''

লোকবলের অভাব মাঝে-মধ্যে একটি কারণ হতে পারে, বিশেষ করে দিনের শেষের দিকে। তবে এ'ধরনের খবর একটু দেরিতে দেবার প্রধান কারণ সেটা না। আমরা শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে কোন খবর প্রকাশ করতে চাই না। সেজন্য মাঝে-মধ্যে আমরা কিছুটা পিছিয়ে পড়ি ঠিকই, কিন্তু আমরা সেটা মেনে নেই, কারণ খবর ভুল করার চেয়ে দেরি করা অনেক ভাল।

আপনি বিবিসির নিউজের জন্য অপেক্ষা করেছেন, কারণ আপনি জানেন আমরা নিশ্চিত হয়েই খবরটি প্রকাশ করবো। সেদিন আমরা হাসান আজিজুল হকের মৃত্যুর খবর বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখেছিলাম ঠিকই, কিন্তু তাঁর পারিবারিক সূত্র থেকে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করেছি। সেজন্যই দেরি হয়েছে।

ছবির ক্যাপশান,

ব্রিটিশ সংসদে জবানবন্দি দিচ্ছেন আজিম রাফিক

ইংল্যান্ডের ক্রিকেট কি বর্ণবাদী?

আবার ফিরছি সাময়িক ঘটনাবলিতে। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে বর্ণবাদ নিয়ে যে অভিযোগ সম্প্রতি করা হয়েছে, তা নিয়ে লিখেছেন ভোলার চরফ্যাশন থেকে মুহাম্মদ মাসুদুল হক মাশুক:

''এ'মাসের ১৭ তারিখে বিবিসি বাংলার ফেসবুকে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট ক্লাবগুলোতে বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় আজিম রাফিকের খবরটি পড়লাম। ব্রিটেনের মতো উন্নত দেশে এখনও বর্ণবাদের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটে, শুনতেই অবাক ও বিস্ময় লাগে।

''আসলে ব্রিটেন শিক্ষা, সভ্যতা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিতে অনেক উন্নত হলেও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের আড়ালে এক শ্রেণির দুষ্ট বর্ণবাদী দীর্ঘকাল ধরে সমাজের নানা স্তরে তাদের জঘন্য ধরণের বর্ণবৈষম্য ও প্রতিহিংসা লালন করছে।

''সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ও পরিবর্তন ছাড়া এদেরকে আইনের আওতায় আনা বেশ কঠিন। আসলে এসব বর্ণবৈষম্য ও প্রতিহিংসা সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করার জন্য নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং কিংবা আব্রাহাম লিংকনদের মতো সামাজিক আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই।''

আপনি ঠিকই বলেছেন মিঃ হক, ব্রিটেনে যতই উন্নত আর সভ্য হোক না কেন, সমাজের কিছু অংশ থেকে বর্ণবাদ এখনো দূর করা সম্ভব হয়নি। আজিম রাফিক যেমন বলেছেন, বর্ণবাদী ভাষা অনেক ক্ষেত্রে এতই প্রচলিত যে অনেকে বুঝতেই পারেন না যে তারা কী ক্ষতি করছেন। তবে অনেকে বুঝে-শুনেই বর্ণবাদী আচরণ করে থাকেন যাদের সংখ্যা মোটেই কম নয়।

ছবির উৎস, MUNIR UZ ZAMAN

ছবির ক্যাপশান,

ঢাকার শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছেন শাহিন আফ্রিদি ও অন্যান্য পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

পাকিস্তান নিয়ে বিতর্ক

ইংল্যান্ডে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটাররা বর্ণবিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে খোদ পাকিস্তানের ক্রিকেট দল বাংলাদেশে গিয়ে ভিন্ন ধরনের আক্রোশের মুখে পড়েছেন। সে বিষয়ে লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''গত ১৬ই নভেম্বর মিরপুরের একাডেমি মাঠে জাতীয় পতাকা গেড়ে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অনুশীলন নিয়ে বিস্তর সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে বাংলাদেশে। বিবিসি বাংলা'র ওয়েবসাইটেও এ সংক্রান্ত একটা খবর পড়লাম। এ প্রসঙ্গে আমার মতামত হলো, এর মধ্যে রাজনৈতিক ইস্যু খোঁজার কোন কারণ নেই।

''পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় তারা তাদের দেশের প্রতি আবেগ ভালোবাসা দেখাতেই পারে। এটা খুবই সাধারণ একটা বিষয়, কিন্তু এটাকে এমনভাবে অতিরঞ্জিত রূপ দেয়া হচ্ছে, যেন পাকিস্তান ক্রিকেট দল এদেশে খেলতে আসেনি, মিরপুর দখলে নিতে এসেছে। আসলে খেলাধুলার সাথে এসব যায়না, সেটা অনেকেই কেন বুঝতে চান না?''

আপনি ঠিকই বলেছেন মিঃ ইসলাম। পাকিস্তানর দল তো তাদের পতাকাই নিয়েই মাঠে আসবে, তাতে অবাক হবার বা রাগ করার কী হল? খেলার সময় তো স্টেডিয়ামে তাদের পতাকা ওড়াতে হবেই, তাহলে অনুশীলনের সময় যদি তারা দুটো ছোট পতাকা নিজেদের নেটস-এর পাশে রাখে, তাতে ক্ষতির কী হল?

ভিডিওর ক্যাপশান,

আমিনুল ইসলাম বুলবুল-"আমি ক্রিকেট বোর্ড থেকে কখনো কোন নির্দিষ্ট অফার পাইনি"

যাই হোক, ক্রিকেট নিয়েই আরেকটি চিঠি, লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের খোলামেলা আলোচনা শুনলাম। খুব ভালো লাগলো। মিঃ বুলবুলের এ সাক্ষাৎকার থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সাক্ষাৎকারটির জন্য বিবিসি বাংলাকে ধন্যবাদ।

''বাংলাদেশের ক্রিকেটের সংগে যারা জড়িয়ে রয়েছেন তারা সকলেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের মানোন্নয়নে আরও তৎপর হবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মিঃ সরদার। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সাক্ষাতকার আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমাদেরও ভাল লাগল।

ছবির উৎস, MALIN FEZEHAI

ছবির ক্যাপশান,

মালালা ইউসুফযাই ও আসের মালিক - বিয়ের পর

মালালা ইউসুফযাই

এবার বিয়ে নিয়ে কয়েকটি কথা। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানী তরুণী মালালা ইউসুফযাই সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। কিন্তু সেখানেও বিতর্ক। কারণ, মিস ইউসুফযাই কয়েক মাস একটি সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, বিয়ে করার কোন কারণ তিনি দেখেন না, কাওকে জীবনসঙ্গী করতে চাইলে তার জন্য বিয়ের দলিলে সই করতে হবে কেন?

মিস ইউসুফযাই-এর এই মন্তব্য নিয়ে দ্বিমত পোষণ করে লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''অস্বীকার করার উপায় নেই, বিবাহ হল একটি বৈশ্বিক সার্বজনীন সংস্কৃতি। বিবাহ সাধারণত কোন রাষ্ট্র, কোন সংস্থা, কোন ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ, কোন আদিবাসী গোষ্ঠী, কোন স্থানীয় সম্প্রদায় অথবা দলগত ব্যক্তিবর্গের দ্বারা স্বীকৃত হতে পারে। একে প্রায়শই একটি চুক্তি হিসেবে দেখা হয়।

''কিন্তু ধর্মীয় রীতিতে বিবাহের ক্ষেত্রে লিখিত চুক্তি জরুরি নয়। মৌলিক সম্মতি ও সাক্ষী থাকাই যথেষ্ট। বিবাহ মূলত একটি ধর্মীয় রীতি হলেও আধুনিক সভ্যতায় এটি একটি আইনি প্রথাও বটে। বিবাহবহির্ভূত যৌনসংগম অবৈধ বলে স্বীকৃত এবং ব্যভিচার হিসাবে অভিহিত একটি পাপ ও অপরাধ।

''মালালা ইউসুফযাই নানা সামাজিক সমস্যা ও মানবাধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন, এটা অবশ্যই ইতিবাচক কাজ। তার বক্তব্যের যথেষ্ট মূল্য আছে, সমাজের কাছে তার এক একটি বক্তব্য একটি বার্তা এবং এ ধরনের ব্যক্তির কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলা উচিৎ যাতে ভবিষ্যতে কোন নেতিবাচক বার্তা না পৌঁছে।''

আমার তো মনে হয় বিয়ে করে মালালা ইউসুফযাই তার আসল বার্তাটি দিয়েছেন মিঃ রহমান। অর্থাৎ বিয়ের বিপক্ষে যে মনোভাব তিনি ব্যক্ত করেছিলেন সেটা মনে হয় শুধুমাত্র তর্কের খাতিরে করেছিলেন। কিন্তু নিজে বিয়ে করে তিনি বিবাহ প্রথার আকর্ষণ প্রমাণ করলেন।

পরে তিনি বিবিসির সাথে এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, যে বাল্যবিবাহ, জোরপূর্বক বিবাহ এসব কথা মাথায় রেখে তিনি আগের মন্তব্যটি করেছিলেন।

তবে আমি আপনার একটি কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করে শেষ করছি। সব সমাজে, এমনকি অনেক রক্ষণশীল দেশেও বিবাহবহির্ভূত যৌনসংগম খারাপ চোখে দেখা হলেও, সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় বলে আমার মনে হয় না।

ছবির উৎস, SOPA Images

ছবির ক্যাপশান,

লন্ডনে বিবিসির সদর দফতর, নিউ ব্রডকাস্টিং হাউস, যেখান থেকে বাংলা সহ ৪০টি ভাষায় অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়।

সব শেষে, বিবিসিতে নিয়োগ নিয়ে একটি প্রশ্ন, লিখেছেন খুলনার কপিলমুনি থেকে মোহাম্মদ শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:

''বিবিসি বাংলার লন্ডন আর ঢাকা অফিসে কী প্রক্রিয়ায় সংবাদ কর্মী নিয়োগ করা হয়? নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কোন গণ মাধ্যমে প্রচার করা হয়?

''বিবিসি বাংলা কি তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইটে প্রচার করে? নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কি আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবে? নিয়োগ আবেদন কি ডাকযোগে বা ই-মেইল করে করতে হয়?''

বিবিসি বাংলায় কোন ভেকেন্সি হলে প্রথমে বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বিবিসির নিজস্ব জব সাইটে। সেই বিজ্ঞাপনেই আবেদন করার জন্য লিঙ্ক থাকে। শুধু মাত্র ঐ লিঙ্ক-এর মাধ্যমেই আবেদন করা যায়। ইমেইল বা ডাকযোগে কোন সিভি বা আবেদনপত্র পাঠালে সেটা বিবেচনা করা হয় না।

বিবিসির জব সাইটের মাধ্যমে আবেদন আসার পর, সেগুলো বাছাই করে লিখিত পরীক্ষার জন্য তালিকা তৈরি করা হয়। পরীক্ষার পর যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদেরকে সাক্ষাতকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সাক্ষাতকারের পর সফল প্রার্থী বাছাই করা হয়।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, খটখটিয়া, রংপুর ।

মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সৈয়দপুর, নীলফামারী।

গোলাম মুকতাদির, ঢাকা।

এ.কে.এম একরামুল হক, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী।

দীপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

মোহাম্মদ মাসুদ রানা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।