বৃটেনে ছাত্র ভিসার আবেদন বন্ধ

ইউকে ভিসা
Image caption ইউ.কে. অভিবাসন বিভাগ

বাংলাদেশে ছাত্র ভিসার আবেদনপত্র জামা নেয়া আপাতত বন্ধ রাখার ঘোষনা দিয়েছে বৃটেন৻ পহেলা ফেব্রুয়ারী থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরি হবে৻ বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল এবং উত্তর ভারতের ছাত্রদের ক্ষেত্রেও এই স্থগিতাদেশ কার্যকরী হবে৻

ছাত্র ভিসার আবেদনপত্র স্থগিত করার এই সিদ্ধান্ত এমন সময় নেয়া হল যখন বৃটেনে সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কলেজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, যে কলেজগুলোতে সাধারনত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে ছাত্ররা ভর্তি হত৻

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

কেন ছাত্র ভিসার ওপর এই কড়াকড়ি আরোপ করা হল, এ প্রশ্নের জবাবে ঢাকায় ইউ কে বর্ডার এজেন্সির বাংলাদেশ প্রধান, স্টুয়ার্ট পারসিভেল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে অস্বাভাবিক সংখ্যায় ছাত্র ভিসার আবেদনপত্র আসতে থাকার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৻ ছাত্র ভিসার আবেদনপত্র বৃদ্ধির উদাহরেন দিতে গিয়ে মি পারসিভেল বলেন, ২০০৯ এর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের ভেতর ৯,৫০০ এর বেশী ছাত্র ভিসার আবেদন জমা পড়েছে৻ তার আগের বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১২০০৻ তিনি বলেন স্থগিত করার কারণে ভিসার আবেদনগুলো ঠিকমত পরীক্ষা করার সুযোগ পাওয়া যাবে৻

মি. পারসিভেল অবশ্য বলেন এবং ভিসার আবেদনপত্র নেয়ার উপযুক্ত সময় হলে তা জানিয়ে দেয়া হবে৻

কিন্তু ভর্তির জন্য ইতিমধ্যে যাঁরা কলেজগুলোকে ফি দিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের কি হবে? তাঁরা কিভাবে টাকা ফেরত পাবে? – এই প্রশ্নে স্টুয়ার্ট পারসিভেল বলেন তারা বৃটেনের কলেজগুলোকেও ভিসা সম্পর্কিত এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন৻ তিনি বলেন যাঁরা ভর্তি হওয়ার জন্য টাকা দিয়েছেন, তাদের উচিৎ কলেজগুলোর সাথে যোগাযোগ করা৻

বেশ কিছুদিন ধরে বৃটেন এবং বাংলাদেশেও খবর বেরুচ্ছিল, যারা ছাত্র ভিসা নিয়ে বৃটেনে আসছে তাদের সবাই আদৌ পড়তে আসছে না৻ যে সব কলেজে তারা ভর্তি হচ্ছে সেগুলোর মান নিয়েও বিস্তর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে৻

গত কয়েক সপ্তাহে বৃটেনে অনেকগুলো কলেজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, যে কলেজগুলোতে বাংলাদেশ থেকে আসা প্রচুর ছাত্র ছাত্রী পড়ছিল বা ভর্তি হয়েছিল৻ স্টুয়ার্ট পারসিভেল জানিয়েছেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব কলেজে ভর্তি হয়ে যারা ভিসার আবেদন করেছেন তাদের ভিসা প্রদান আপাতত বন্ধ থাকবে৻ আর যারা ইতিমধ্যেই বৃটেনে আছেন, তাদেরকে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে৻