ঘরে নির্যাতিতদের সুরক্ষায় নতুন আইন

পরিবারের ভেতরে সহিংসতা রোধে বাংলাদেশে এই প্রথম পারিবারিক সহিংসতা সুরক্ষা ও প্রতিরোধ আইন হতে যাচ্ছে।

মূলত নারীর ওপর শারীরিক, মানসিক ও যৌন নিপীড়ন বন্ধের লক্ষ্যে তৈরী করা এই আইনের খসড়া সোমবার মন্ত্রিপরিষদ নীতিগত অনুমোদন করে৻

Image caption নারী অধিকার কর্মীদের বিক্ষোভ

নারী আন্দোলন কর্মীদের মতে প্রতিদিন ৭০ শতাংশের বেশী নারী পরিবারের ভেতরে যে নির্যাতনের শিকার হয় তা বন্ধে এই আইনটির কার্যকর প্রয়োগ একটি মাইলফলক হিসাবে কাজ করতে পারে৻

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এই আইনের ফলে পারিবারিক সহিংসতার শিকার যে কেউ আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবেন এবং প্রশাসন অথবা সেবা দানকারী বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তাকে প্রাথমিক নিরাপত্তা দেয়া হবে।

সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতি মন্ত্রী শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, এই আইনের ফলে যিনি গৃহ পরিমন্ডলে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তাকে হয়তো বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে হবে না৻ কারণ তাকে নিজ গৃহেই সুরক্ষার ব্যবস্থা করার বিধান এই আইনে রয়েছে৻

পরে সমঝোতার মাধ্যমেও অবশ্য বিরোধ মীমাংসার সুযোগ থাকবে । তবে সুরক্ষা আইন ভঙ্গকারীদের ক্ষেত্রে শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে এক বছরের কারাদন্ড।

নারী অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এরকম একটি আইনের দাবী তাঁরা বহু দিন ধরেই জানাচ্ছিলেন৻ তারা মনে করেন এই প্রস্তাবিত আইনের ফলে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া যেসব অপরাধের সমাধান এতদিন করা যাচ্ছিল না এখন করা করা সম্ভব হবে৻

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম বলেন , আইনটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে সব ঠিক হয়ে যাবে তা নয়৻ কিন্তু নির্যাতিতদের সুরক্ষার জন্য যে এরকম একটা আইন হলো সেটাই একটা বিরাট পদক্ষেপ৻