ত্রিপুরার জন্য ট্রানজিট সুবিধে

আশুগঞ্জ
Image caption আশুগঞ্জ

ভারতেরত্রিপুরায়একটি বিদ্যুতকেন্দ্রনির্মাণেরজন্যভারযন্ত্রপাতি যাতবাংলাদেশেরভেতরদিয়পরিবহনকরযায়, সেজন্যএকটি রাস্তনির্মাণঅর্থসাহায্যেরপ্রস্তাবদিয়েছভারতসরকার

ঢাকায়ভারতীয়হাই-কমিশনাররজিতমিত্তারনৌপরিবহনমন্ত্রশাজাহানখানেরসঙ্গদেখকরএইপ্রস্তাবেরকথজানান

ভারতনৌপথএইযন্ত্রপাতি বাংলাদেশেরআশুগঞ্জবন্দরপর্যন্তএনসেখানথেকআখাউড়া-আগরতলসীমান্তপর্যন্তসড়কপথসেগুলত্রিপুরায়নিয়যেতচায়

শাহজাহান খান জানান, ত্রিপুরায় একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্যে ভারত বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে চায় এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, ত্রিপুরা রাজ্যের পালটানায় সাতশ’ ছাব্বিশ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের জন্যে ভারত ইতোমধ্যে দরপত্র আহবান করেছে।

তবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্যে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে, ভারত তা বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নির্মাণস্থলে নিতে চায়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত জানুয়ারী মাসে যখন ভারত সফর করেন, তখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়, এবং সিদ্ধান্ত হয় যে এর জন্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টি দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা খতিয়ে দেখবেন।

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভারী যন্ত্রপাতি বহনের জন্যে আশুগঞ্জে একটি জেটি নির্মান এবং আখাউড়া সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন করতে হবে।

এর জন্যে ভারত দশ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ করতে চায় বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, যেসব কাজগুলো আমাদের করতে হবে, সেগুলো দ্রুত শুরু করার ব্যাপারে তাদের একটি প্রস্তাব রয়েছে।

অন্যদিকে আমাদেরও প্রস্তাব আছে যে কীভাবে এ সংক্রান্ত দরপত্রগুলো হবে।

তিনি জানান, প্রকল্পে তাদের পরামর্শক থাকবে। তবে আমাদের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এই কাজ করবে। খুটিনাটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আগামীতে এসব বিষয়ে আরো আলোচনা হবে।

মিঃ খান বলেন যে ভারতের ব্যবহারের জন্যে আশুগঞ্জকে আরো আগে থেকেই পোর্ট অব কল ঘোষণা করা হয়েছে, অর্থাৎ এই বন্দরটি ব্যবহারের অনুমতি ভারতের রয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ ভারত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজে বন্দরটি ব্যবহার করতে পারবে বলে তিনি মনে করেন।

এছাড়া, নেপাল ও ভুটান যাতে বাংলাদেশের মোংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে পারে সে লক্ষ্যে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ভারতীয় অংশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার ব্যাপারে মিঃ মিত্তারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে নৌপরিবহন মন্ত্রী জানান।

তিনি বলেন, বন্দরের যে ভারতীয় অংশ রয়েছে, তা ভালোভাবে উন্নয়ন করতে হবে।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন যে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে যখন ট্রানজিট শুরু হবে, তখন যানবাহন চলাচল যথেষ্ঠ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

“এখন যে রাস্তা কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তাতে এই ট্রানজিট কার্যক্রম চালানো খুবই কঠিন হবে। সেজন্যেই কাদের সমন্বয়ে কী কী কাজ করতে হবে, তা নিয়ে আমরা আলোচনা শুরু করেছি।“

ভারতীয় মালামাল আনা-নেওয়ার জন্যে চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময়ই সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

একই সাথে নেপাল ও ভুটানকেও এই দুটো বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ তার ইচ্ছার কথা ভারতকে জানিয়েছিল।