রমজানে বিশেষ খাদ্য সহায়তা

বাংলাদেশে আসন্ন রমজান মাসে দরিদ্রদের জন্য বিশেষ খাদ্য সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন রমজান মাসে শহরাঞ্চলে দরিদ্র মানুষের জন্য কমদামে চাল বিক্রি এবং গ্রামাঞ্চলে বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচী নেবে সরকার। এজন্য দরিদ্র মানুষের একটি তালিকাও তৈরী করা হয়েছে৻

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না

খাদ্যমন্ত্রী বলছেন দরিদ্র মানুষেকে খাদ্য সহায়তা দেবার পাশাপাশি চালের দামের উর্ধ্বগতি ঠেকানো এ কর্মসূচীর অন্যতম লক্ষ্য।

এজন্য ঢাকা শহরের ৯০টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ছ‘হাজার দরিদ্র মানুষের একটি তালিকা তৈরী করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা রমজান মাসে সরকারের কাছে থেকে কমদামে চাল পাবে। তবে এখনও দাম নির্ধারন করা হয়নি৻

খাদ্যমন্ত্রী বলছেন গতবার সরকারের খোলা বাজার চাল বিক্রি কর্মসূচীতে প্রতি কেজির দাম নির্ধারন করা হয়েছিল ২২ টাকা । এবার সেটি কিছুটা বাড়তে পারে বলে খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।

পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় অতিদরিদ্র মানুষকে চাল দেয়া হবে।

তবে বছরের একটি বিশেষ সময়ে সাধারন ভিজিএফ কর্মসূচীতে প্রতি পরিবারকে ২২ কেজি করে চাল বিনা মূল্যে দেয়া হলেও বিশেষ কর্মসূচীতে চালের পরিমান ১২ থেকে ১৪ কেজি দেয়া হবে। তাছাড়া এ কর্মসূচীর আওতায় সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে চাল সরবরাহ বাবদ সরকার কিছু টাকা নেবে।

খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন সাধারন ভিজিএফ কর্মসূচীতে সুবিধাভোগীর সংখ্যার চেয়ে বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচীতে সুবিধাভোগীর সংখ্যা কম হবে। সরকারের সাধারন ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় বর্তমানে এক কোটি চার লক্ষ মানুষ বিনামূল্যে চাল পায়।

বাড়তি আরেকটি কর্মসূচী নেবার মতো পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য সরকারের আছে কিনা ? এমন প্রশ্নে খাদ্যমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন দেশীয় বাজার থেকে সংগ্রহের পাশাপাশি সরকার যে পরিমান চাল ও গম আমদানী করছে সেটি পর্যাপ্ত।

খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন রমজানের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচী চালু করার পরিকল্পনা সরকারের আছে। তিনি বলেন এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলে সরকার মনে করছে।