গাদ্দাফির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিল সিআইএ

CIA
ছবির ক্যাপশান,

সিআইএ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোপনে অন্য দেশে নিয়ে গেছে

লিবিয়ার কর্নেল গাদ্দাফির সরকারের সাথে মার্কিন ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার সম্পর্ক ছিল, লিবিয়া থেকে পাওয়া দলিল পত্রের ভিত্তিতে একথা বলছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ৻

মার্কিনভিত্তিক সংস্থাটি বলছে, সন্ত্রাসবাদী সন্দেহে আটক করা লোকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইএ তাদের লিবিয়াতে পাঠাতো।

অন্যদিকে ব্রিটিশ এজেন্টরা কর্নেল গাদ্দাফিকে তার বিরোধীদের সম্পর্কে তথ্য দিতো বলেও আভাস পাওয়া গেছে৻

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য এর প্রতিক্রিয়ায় বলছেন, এসব আগের সরকারের সময়কার কথা৻

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে এসব নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে সিআইএ এবং লিবিয়া গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ ছিল যে সিআইএ তাদের গোয়েন্দা সূত্র অনুযায়ী যাদের সন্দেহভাজন মনে করত তাদের লিবিয়া পাঠাতো সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

ছবির উৎস, ap

ছবির ক্যাপশান,

আবদেল হাকিম বেলহাজ একসময় নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন

এমনকী সন্দেহভাজনদের কী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হবে সে ব্যাপারেও সিআইএ লিবীয় গোয়েন্দাদের পরামর্শ দিত।

হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ বলছে তাদের হাতে যেসব নথিপত্র এসেছে, তাতে তারা দেখেছে যে সন্ত্রাসী সন্দেহে অন্তত ৮ জনকে ধরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিমানে লিবিয়া পাঠানো হয়েছে।

এদের মধ্যে একজন হলেন আবদেল হাকিম বেলহাজ, যিনি এখন কর্নেল গাদ্দাফি বিরোধী ত্রিপোলি সামরিক পরিষদের প্রধান।

এসব নথিপত্র সম্বন্ধে মন্তব্য করতে সিআইএ অস্বীকার করেছে।

তবে তারা বলছে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে আমেরিকা যে বিদেশী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে থাকে সেটা অবাক হবার মত কোন বিষয় নয়।