BBC navigation

চট্টগ্রামে আটক বিস্ফোরকবাহী জাহাজ, তদন্ত

সর্বশেষ আপডেট শনিবার, 19 জানুয়ারি, 2013 11:52 GMT 17:52 বাংলাদেশ সময়
Chittagong Port

চট্টগ্রাম বন্দর

বাংলাদেশে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে বিস্ফোরকবোঝাই ছোট একটি জাহাজ উপকূলরক্ষীদের হাতে আটক হওয়ার পর বন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুসন্ধান করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

কোস্টগার্ড বা উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় ১৫ নম্বর খালে শুক্রবার ওই লাইটেরাস জাহাজটিকে তারা আটক করেন, যেখানে প্রায় ১৮০০ কার্টন বিস্ফোরক পাওয়া গেছে।

কোস্টগার্ডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, লেফটেন্যান্ট কম্যান্ডার আবদুল্লা ইউসুফ বিবিসিকে জানান, এই প্রতিটি কার্টনের ওপরই লেখা আছে ‘এক্সপ্লোসিভ জেল’ – এবং এগুলি শক্তিশালী বিস্ফোরক পদার্থ বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধানের কাজে নিয়োজিত বহুজাতিক সংস্থা শেভরনের জন্যই ওই বিস্ফোরক আসছিল, তবে তা আমদানির জন্য তাদের বৈধ অনুমতি ছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

"ওই সব পদার্থ আনা হচ্ছিল জালালাবাদ গ্যাস ক্ষেত্রে সিসমিক পরীক্ষা চালানোর জন্য - বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে প্রকল্পটির গুরুত্ব বিরাট।"

তানিয়া আলি উনিয়াটোওস্কি, ঢাকায় শেভরনের মুখপাত্র

শেভরনের পক্ষ থেকে ঢাকায় তাদের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন, ওই পণ্যগুলি জালালাবাদ গ্যাস ক্ষেত্রে ত্রিমাত্রিক সিসমিক প্রোগ্রামের জন্যই আনা হচ্ছিল – বাংলাদেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যে প্রকল্পটির গুরুত্ব অপরিসীম।

শেভরন আরও দাবি করেছে, তারা বাংলাদেশের সব আইনকানুন ও বিধিনিষেধ মেনে কাজ করার ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ এবং এই সব জিনিসপত্রও যাতে সব সরকারি শর্ত মেনেই আমদানি ও পরিবহন করা যায়, সে ব্যাপারে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।

তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন, এই সব বিস্ফোরক পদার্থ আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি শেভরনের আদৌ ছিল কি না, তা নিয়ে।

chevron

বহুজাতিক জ্বালানি সংস্থা শেভরন বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে বহুদিন ধরেই

চট্টগ্রাম বন্দরের উপসংরক্ষক ক্যাপ্টেন নাজমুল আহসান বিবিসি বাংলাকে জানান, বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানির জন্য শেভরনের যে লাইসেন্স ছিল তার মেয়াদ অনেক আগেই উত্তীর্ণ হয়ে গেছে।

তা ছাড়া সমুদ্রবন্দর দিয়ে এই ধরনের জিনিসপত্র আমদানির জন্য নৌবাহিনীর কাছ থেকে যে বিশেষ অনুমতি হয়, শেভরন সেটাও নেয়নি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এই গোটা বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ আজই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন – আগামী সাতদিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻