BBC navigation

যুদ্ধাপরাধ: আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদন্ড

সর্বশেষ আপডেট সোমবার, 21 জানুয়ারি, 2013 12:30 GMT 18:30 বাংলাদেশ সময়
আদালতের বাইরে মুক্তিযোদ্ধাদের উল্লাস

আদালতের বাইরে মুক্তিযোদ্ধাদের উল্লাস

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইবুনাল জামায়তে ইসলামীর সাবেক সদস্য আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেছে।

ঢাকায় সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই প্রথম ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করলো।

এ সময় আবুল কালাম আযাদ আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পলাতক থাকার কারণে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার হয়।

তার বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে মোট আটটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

৩৩টি অনুচ্ছেদে বিভক্ত ১১২ পৃষ্ঠার রায়ে আদালত সাতটিতে অভিযোগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করে।

তিনটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড, এবং চারটিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রমাণের অভাবে একটি অভিযোগ আদালত খারিজ করে দেয়।

তবে ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে মি. আযাদ 'বাচ্চু রাজাকার' নামে পরিচিত।

আবুল কালাম আযাদ

আবুল কালাম আযাদ

মি. আযাদ বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলাম বিষয়ক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন।

মামলার ইতিহাস

আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয় ২০১১ সালের ১০ই এপ্রিল।

গত বছরের মার্চে রাষ্ট্রপক্ষ তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করে। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলে এর আগেই তিনি পালিয়ে যান।

গত বছরের নভেম্বরে মি. আযাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

বিচারে আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে মোট আট ধরণের অভিযোগ আনা হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, যে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র মি. আযাদ জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংঘের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় তিনি ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতা বিরোধী অপরাধ ঘটান। যার মধ্যে রয়েছে জোর করে ধর্মান্তরিত করা, দেশত্যাগে বাধ্য করা, লুট, ধর্ষণ, হত্যা, গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের মতো মানবতাবিরোধী অভিযোগ।

একই ধরনের খবর

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻