স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের প্রচারণায় উত্তেজনা

ছবির কপিরাইট

স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের আগে শেষ কয়েকদিনে উভয় পক্ষই জোর প্রচারণা চালাচ্ছে।

আগামী ১৮ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডে এই গণভোট হবে।

স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষের শিবিরের নেতারা জানান, তারা এই প্রচারণায় এযাবতকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশের আয়োজন করবেন আজ।

অন্যদিকে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজ ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের এক মানববন্ধন তৈরির পরিকল্পনা করছে।

অর্থনৈতিক বিতর্ক

স্কটল্যান্ডের এই গণভোটের প্রচারণায় গত কদিন ধরেই জোর বিতর্ক চলছে মূলত অর্থনীতি আর ব্যবসা-বাণিজ্যে এর কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে।

স্কটল্যান্ড যদি আলাদা হয়ে যায়, তাহলে সেখান থেকে বড় বড় কিছু কোম্পানী তাদের দফতর লন্ডনে সরিয়ে নেবে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছে।

স্কটল্যান্ডে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বড় বড় সুপারমার্কেটগুলো। আর এই বিতর্কে সর্বশেষ জড়িয়েছে জার্মান ডয়েশ ব্যাংক।

তাদের প্রধান অর্থনীতিবিদ বলেছেন, স্কটল্যান্ডের গণভোটে যদি হ্যাঁ ভোট জয়ী হয়, ব্রিটেনে ১৯৩০ এর দশকের মতো গভীর মন্দার সূচনা হতে পারে। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতাদের এসব মতামতকে অযাচিত হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে স্বাধীনতাপন্থীরা।

স্কটিশ ন্যাশনালিষ্ট পার্টির নেতা অ্যালেক্স স্যামনড অভিযোগ করেছেন, লোকজন যাতে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট না দেয়, সেজন্যে আতংক সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।

তাঁর দলের নেতারা এমন হুমকিও দিয়েছেন যে, যেসব কোম্পানি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আতংক সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের তারা দেখে নেবেন।

সর্বশেষ জনমত জরিপেও দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতার পক্ষে আর বিপক্ষের মধ্যে ব্যবধান খুবই সামান্য।

ফলে গণভোটের আগে শেষ কয়েকটা দিন জনমত নিজেদের পক্ষে টানতে দুপক্ষের রাজনীতিকরাই মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।