জামায়াতের নিরুত্তাপ হরতাল, শেষ হচ্ছে সকালে

হরতালের সমর্থনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মিছিল ছবির কপিরাইট focus bangla
Image caption হরতালের সমর্থনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াত সমর্থকদের মিছিল

বাংলাদেশে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ডাকা এক নিরুত্তাপ হরতালের প্রথম ১২ ঘন্টা পার হয়েছে। হরতাল শেষ হবে শুক্রবার সকালে।

রাজধানী ঢাকাসহ প্রধান শহরগুলোতে রাস্তায় লোকজন ও গাড়ি-ঘোড়ার উপস্থিতি স্বাভাবিক দিনের চেয়ে কম লক্ষ্য করা গেছে।

মহাসড়কগুলিতে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করেনি। তবে নৌ ও রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল বলে জানা যাচ্ছে।

ট্রাকের সংখ্যা কম থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে মাল নামানো-ওঠানোয় বিপত্তি তৈরি হয়েছে।

অন্যান্যবারের মতো হরতালের সমর্থনে জামায়াত কিংবা তার অঙ্গ সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরকে রাস্তায় পিকেটিং করতে দেখা যায়নি।

তবে কোন কোন জায়গায় হরতাল সমর্থকরা চোরাগোপ্তা মিছিল করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঢাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

জামায়াতের হরতালের প্রতিবাদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো ঢাকার বিভিন্ন জায়াগায় মিছিল ও হরতালবিরোধী সমাবেশ করেছে।

সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, হরতালের সময় বিভাগীয় শহর রাজশাহীর কয়েকটি স্থানে জামায়াতের সমর্থকরা গাড়ির বাতিল চাকায় আগুন দিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।

সিলেটের টুকেরবাজার এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিলকারীদের ওপর পুলিশ রবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়েছে। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে।

বরিশালে জামায়াত ইসলামীর ঝটিকা মিছিল পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে এবং সেখান থেকে বেশ ক’জনকে আটক করে।

এর পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ, মাগুরাতেও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে জামায়াতের ওয়েবসাইট বলছে, তাদের কর্মীরা ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশালসহ বিভিন্ন জায়াগায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে।