রানা প্লাজার ধ্বংসাবশেষে মাথার খুলি

Image caption রানা প্লাজার অনেক শ্রমিক এখনো নিখোঁজ

বাংলাদেশের সাভারে রানা প্লাজা কারখানা ভবনের ধ্বংসাবশেষে আবারও একটি মাথার খুলি এবং কিছু হাড়গোড় পাওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, এসব রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নিহত কোন শ্রমিকের দেহাবশেষ হবে বলেই তারা সন্দেহ করছে।

এই হাড়গোড় ডিএন পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

গত বছরের ২৪শে এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিল। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা।

তবে ঐ ঘটনায় নিহতদের ১৩৫ জনের দেহ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় সেগুলো সনাক্ত করা যায়নি।

মঙ্গলবার রানা ভবনের ধ্বংসস্তুপ খুঁড়ে একদল দরিদ্র শিশু রড বের করার চেষ্টা করছিল। তখন এই মাথার খুলি এবং হাড়-গোড় বেরিয়ে আসে।

স্থানীয় পুলিশের হিসাবে এ নিয়ে এ পর্যন্ত ছয় দফায় ছয় জন মানুষের মাথার খুলি এবং শরীরের হাড়গোড়ের অংশ বিশেষ পাওয়া গেছে।

তবে গত বছরের ডিসেম্বরে একজনের শরীরের পুরো কংকাল পাওয়া গিয়েছিল। সেই কংকালের পরনে প্যান্টের অংশ বিশেষ ছিল এবং সেই কাপড়ের পকেটে পরিচয়পত্র দেখে গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃতদেহ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছিল।

সাভার থানা পুলিশের কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র দাশ বলেছেন, ঘটনাস্থলে পাওয়া মাথার খুলি বা ভবন ধসের নিহত শ্রমিকদের মৃতদেহের অংশ বিশেষ হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।তবে পরিচয় বের করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে মাথার খুলি বা মানুষের শরীরের কিছু কঙ্কালের খবর পেলেই অনেকের সাথে মাজেদ মোল্লাও সেখানে ছুটে যান। মঙ্গলবারও হাড় উদ্ধারের খবর পেয়ে খবর শুনেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ভবন ধসে এই গার্মেন্টস শ্রমিক নিজে বেঁচে গেলেও তাঁর স্ত্রীর খোঁজ এখনও পাননি।তিনি বলেছেন, বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার ধরণা দিয়েও তিনি তাঁর স্ত্রীর মৃতদেহও সনাক্ত করতে পারেননি।