বিজ্ঞানের আসর: আর্কটিক কাঠবিড়ালি, আর মঙ্গলে মিথেন

আপনার ডিভাইস মিডিয়া প্লেব্যাক সমর্থন করে না
mars curiosity ছবির কপিরাইট NASA
Image caption কিউরিওসিটি রোভার

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা-র বিজ্ঞানীরা বলছেন, তারা মঙ্গলগ্রহ থেকে এমন কিছু তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন - যাতে আভাস পাওয়া যায় যে মঙ্গলগ্রহে হযতো একসময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল।

মঙ্গলগ্রহে নাসার পাঠানো যান 'কিউরিওসিটি' এমন কিছু তথ্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছে - যাতে আভাস পাওয়া যায় যে সেখানে পরিমাণে কম হলেও মিথেনের উপস্থিতি রয়েছে।

মিথেন হচ্ছে এমন একটি যৌগিক গ্যাস যার উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজেন।

এবার বিজ্ঞানীরা যে পরিমাণ মিথেনের উপস্থিতির আভাস পাচ্ছেন, তা আগের অনুমানের চাইতে বেশি।

বিজ্ঞানীদের ধারণা: এই মিথেন মঙ্গলের মাটি থেকে বা কোন প্রাণীর পরিপাকতন্ত্রে থাকা মাইক্রোব থেকেও এসে থাকতে পারে।

এবারের বিজ্ঞানের আসরে এ নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন নাসার মার্সপাথফাইন্ডার প্রকল্পের বিজ্ঞানী অমিতাভ ঘোষ।

ছবির কপিরাইট john wood

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী কে?

জলবায়ু পরিবর্তন ত্বরান্বিত করার একটি কারণ হিসেবে নতুন এক প্রাণীর ভুমিকা চিহ্নিত করতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা - যা শুনলে অনেকেই বিস্মিত হবেন। প্রাণীটি হচ্ছে এক ধরণের কাঠবিড়ালি।

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী কে - এর সবচাইতে সহজ জবাব হবে : মানুষ এবং মানুষের যন্ত্র প্রযুক্তি নির্ভর সভ্যতা। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ত্বরান্বিত করার অন্য কারণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে এক ধরণের কাঠবিড়ালি। এর নাম হচ্ছে আর্কটিক স্কুইরেল - যা বাস করে খুবই ঠান্ডা বরফ-ঢাকা মেরু এলাকায়, মাটির নিচে গর্ত করে।

এই আর্কটিক কাঠবিড়ালি মাত্র ৪০ সেন্টিমিটার বা ১৫/১৬ ইঞ্চি লম্বা, এবং তারা বছরের সাত মাসই হাইবারনেশন বা শীতনিদ্রায় কাটিয়ে থাকে।

সাইবেরিয়াতে এক গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন যে এই কাঠবিড়ালির করা মাটির নিচের গর্তগুলোর কারণে জমে যাওয়া মাটির গরম হচ্ছে, এবং সেই উষ্ণ মাটি বায়ুমন্ডলে কারবন ছড়াচ্ছে।

সানফ্রান্সিসেকোতে আমেরিকান জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নে উত্থাপন করা এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে - এই কাঠবিড়ালি যতটা কার্বন বাতাসে ছড়াচ্ছে বলে আগে ধারণা করা হতো - প্রকৃত পরিমাণ তার চাইতে অনেক বেশি।

এ সপ্তাহের বিজ্ঞানের আসর পরিবেশন করেছেন পুলক গুপ্ত।