তিস্তা নিয়ে আস্থা রাখুন: মমতার আহ্বান

mamata banerjee in dhaka ছবির কপিরাইট AFP
Image caption ঢাকায় এক মত-বিনিময় অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

ঢাকা সফররত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জ্জি তিস্তা চুক্তির বিষয়ে তাঁর ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন এই চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর আলোচনা হবে।

স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন এক্ষেত্রে বাধার দিকগুলো দূর হয়ে গেছে এবং ভারত সরকার এ ব্যাপারে বিল আনছে।

আজ শুক্রবার ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে 'ভুল বোঝাবুঝি' দূর করতে তিনি সেতু হিসাবে কাজ করবেন।

ওই মত-বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা কাদির কল্লোল জানাচ্ছেন তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে মমতা ব্যানার্জ্জি বলেছেন তিস্তা নিয়ে তাঁর ওপর আস্থা রাখতে।

''অনেকের মনে প্রশ্ন আছে তিস্তা নিয়ে। আমার ওপর আস্থা রাখুন- ভরসা রাখুন। আমাদের প্রবলেম আছে, আপনাদেরও প্রবলেম আছে।''

তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আগামীকাল তিনি আলোচনা করবেন এবং বলেন ''এটা আমাদের ওপর ছেড়ে দিন। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না।''

প্রসঙ্গত তাঁর বিরোধিতার কারণেই চার বছর ধরে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি আটকে আছে।

ছবির কপিরাইট focus bangla
Image caption সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে তিস্তা ও স্থল সীমান্ত চুক্তি নিয়ে কথা বলেছেন মমতা ব্যানার্জ্জি
ছবির কপিরাইট focus bangla
Image caption বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ীদের একটি মত বিনিময় অনুষ্ঠান হয়েছে বৈঠকী বাংলা নামে

স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রসঙ্গেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এই নিয়ে কিছু জট ছিল- তবে তা দূর হয়েছে।

''সমস্যাগুলো আমরা সমাধান করে দিয়েছি। ভারত সরকার সংসদে বিল আনছে। এটা হয়ে গেলে একটা বড় কাজ হবে এবং তখন দুদেশের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।''

বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণেল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রায় তিন দিনের সফরে ঢাকা এসেছেন মমতা ব্যানার্জ্জি।

দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরো সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে তাঁর সঙ্গে গেছেন পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

দুই দেশের শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে 'বৈঠকী বাংলা' নাম দিয়ে একটি মত বিনিময় অনুষ্ঠান আজ হয়েছে ঢাকার একটি নামী হোটেলে।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর