নেপালে ভুমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে

nepal quake

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান,

ধ্বংসস্তুপ থেকে একজনকে উদ্ধার

নেপালে এক শক্তিশালী ভুমিকম্পে সবশেষ খবর অনুযায়ী ১১০০-রও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। এতে রাজধানী কাঠমান্ডু ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আরো বহু লোক আহত হয়েছেন, অনেকে এখনো নিখোঁজ।

নেপালের পুলিশ বলছে, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

আক্রান্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। নেপালের তথ্যমন্ত্রী মীনেন্দ্র রিজ্জাল বলেছেন, এই বিপর্যয়ের মোকাবিলায় তার দেশের আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন।

ছবির উৎস, AP

ছবির ক্যাপশান,

আহত একজনকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

ভেঙে পড়া অসংখ্য ভবনের নিচে এখনো অনেকে চাপা পড়ে আছেন, অনেককেই গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

আহতের সংখ্যা এত বেশি যে হাসপাতালগুলোতে জায়গা হচ্ছে না। অনেককেই খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। রাত নেমে আসায় অনেককেই খোলা রাস্তায় থাকতে হচ্ছে।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ও পোখারার মাঝখানে লামজুং এলাকায় ছিল ভুমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল, এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৯।

ভুমিকম্পের কেন্দ্রস্থলে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো অজানা।

ছবির উৎস, AFP

ছবির ক্যাপশান,

কাঠমান্ডুতে ভূমিকম্পে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি ভবন।

কাঠমান্ডু, ভক্তপুর, গোরখা, লামজুং ইত্যাদি ঘনবসতিপূর্ণ জায়গাগুলোয় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নেপাল ছাড়াও সমগ্র উত্তর ভারত, চীনের তিব্বত অঞ্চল, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জুড়ে এই ভূকম্পন অনুভুত হয়।

রাজধানী কাঠমান্ডুর ঐতিহ্যবাহী ধারাহারা টাওয়ার সহ বহু ভবন এবং অনেকগুলো প্রাচীন মন্দির ধ্বংস হয়ে গেছে।

রাজধানীর ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিমান ওঠানামা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান,

আহতদের চিকিৎসা চলছে

হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গ এলাকায় ভৃমিকম্পের কারণে হিমবাহ শুরু হয়ে গেছে। এথানে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন।

হিমালয় অভিযানে যাওয়া পর্বতারোহীদের একটি 'বেস ক্যাম্পের' একাংশ বরফের ধসে চাপা পড়েছে।

ভূমিকম্পের কারণে মাকালু পর্বত থেকে বড় বড় পাথর এবং বরফের টুকরো নেমে আসছে।

এ ভুমিকম্পে ভারতের নানা স্থানে অন্তত ৪০ জন এবং বাংলাদেশে অন্তত ২ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে।

তিব্বতে নিহত হয়েছেন ৬ জন