বিদেশিদের রাস্তা পরিস্কার অভিযানের প্রশংসায় মেয়র

ছবির কপিরাইট cleanupdhaka
Image caption ঢাকার রাস্তা পরিস্কারে নেমেছেন বিদেশিরা। সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্থানীয়রাও।

ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক জানিয়েছেন, কিছু বিদেশি রাস্তায় যে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন সেটি নিয়ে তাঁর মধ্যে কোন ধরণের অস্বস্তি নেই।

বিদেশিদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, মেয়র হিসেবে এই উদ্যোগের ব্যাপারে কোন নেতিবাচক মন্তব্য তিনি করতে চান না। যিনি কাজটি করছেন, তিনি ভালোর জন্যই কাজটি করছেন।

তিনি বলেন, আমরা সবাই যদি সচেতন হই, এদেরকে দেখে যদি আমার সচেতনতা আসে যে আমরা আমাদের জায়গা অপরিস্কার করবো না, তাহলে একটা বিরাট কাজ হবে।

বিদেশিরা ঢাকার রাস্তা পরিস্কারে নামার পর বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা বিতর্ক চলছে। অনেকেই এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। অনেকে মন্তব্য করেছেন, ঢাকার রাস্তা পরিস্কারে বিদেশিদের ঝাড়ু হাতে নামতে হচ্ছে, এর জন্য নগর কর্তৃপক্ষের জন্য লজ্জা পাওয়া উচিত।

ছবির কপিরাইট Clean Up Dhaka
Image caption বিদেশিদের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

ঢাকা শহরের অভিজাত বনানী-গুলশান এলাকায় বিদেশিদের রাস্তা পরিস্কার করার এই ছবি অনেকে ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। তাদের উদ্যোগ অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয়রাও যোগ দিয়েছেন।

বিবিসি বাংলার শাকিল আনোয়ারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক স্বীকার করেন যে ঢাকা শহর পরিচ্ছন্ন রাখা নগর কর্তৃপক্ষের জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে সামনের মাস থেকে তাঁর প্রতিটি ওয়ার্ডে সভা করবেন।

তিনি জানান, মানুষের বাড়ী থেকে বর্জ্য সংগ্রহের পর তা আমিনবাজার ল্যান্ডফিল সাইটে নেয়ার আগ পর্যন্ত মাঝখানে কোথায় রাখা হবে, তার কোন জায়গা নেই। প্রতিদিন আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টন বর্জ্য রাস্তার ওপরই যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে।

আনিসুল হক বলেন, সিটি কর্পোরেশন শহরের বিভিন্ন জায়গায় সরকারের কাছে থেকে জমি নিয়ে ৩৬টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে দুটি করে মোট ৭২ টি ট্রান্সফার সেন্টার করতে যাচ্ছে। বাড়ি থেকে সংগৃহীত বর্জ্য প্রথমে এখানে এনে রাখা হবে, এরপর তা নিয়ে যাওয়া হবে ল্যান্ডফিল সাইটে। এ বছরের মধ্যে এই সেন্টারগুলো হয়ে যাবে বলে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এরপর আর রাস্তায় বর্জ্য দেখা যাবে না।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর