ফাঁসির দন্ডের আদেশ কারাগারে পৌঁছেছে

ছবির কপিরাইট Focus Bangla

বাংলাদেশে বিএনপি নেতা সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির দন্ডের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে।

এর আগে বিচারকরা চুড়ান্ত রায়ের নথি স্বাক্ষরের পর তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

সরকারের এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বিবিসি বাংলাকে এখবর নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, "এই দুজনের ফাঁসির রায়ের নথিতে আদালত ইতোমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন। আজকেই এই নথি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে এই নথি যাবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে"।

কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ফাঁসির দন্ডের আদেশ পৌঁছানোর পর সরকার যে কোন সময় এই আদেশ কার্যকর করতে পারে।

ছবির কপিরাইট EPA
Image caption জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (ফাইল ছবি)

উল্লেখ্য আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ গতকালই তাদের চুড়ান্ত রায় ঘোষণা করে। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাদের এই দন্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

দুজনের তরফ থেকেই এই রায় পুর্নবিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু আপীল বিভাগ দুটি আবেদনই খারিজ করে দেয়।

এদিকে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে আজ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

দুই পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ তাঁদের এই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন।

প্রথমে সকালে মিস্টার চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য কারাগারে যান।

তবে দেখা করে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কোনও কথা বলেননি তারা।

ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সালাউদ্দীনকা চৌধুরীকে গতকাল কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়।

Image caption সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (ফাইল ফটো)

এরপর মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরাও তার সঙ্গে দেখা করতে যান।

এই দুটি রায় ঘোষণার আগে থেকে ঢাকা শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ সহ প্রধান প্রধান সড়কে রাস্তার দুপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশে ফেসবুক, ভাইবার সহ বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।