বাংলাদেশে ফিশ্চুলা রোগীর নতুন পরিসংখ্যান নেই

bd_women_abuse_torture_violence ছবির কপিরাইট bbc
Image caption সামাজিক রক্ষণশীলতার কারণে আক্রান্ত হলেও চিকিৎসা নিতে আসে কম সংখ্যক মানুষ---প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে ফিশ্চুলায় আক্রান্ত নারীর সংখ্যা পঁচাত্তর হাজার বলা হলেও, বছরে ঠিক কত নারী এ রোগে আক্রান্ত হন তা নিয়ে নতুন কোন পরিসংখ্যান নাই।

তবে, চিকিৎসকেরা বলছেন, নতুন রোগীর হার কমেছে, এখন পুরনো রোগীরাই বেশি আসছেন চিকিৎসা নিতে।

এমন প্রেক্ষাপটে আজ বাংলাদেশে আজ পালিত হচ্ছে ফিশ্চুলা সচেতনতা দিবস।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ফেরদৌসি ইসলাম ইসলাম বলছেন, বাংলাদেশে কয়েক ধরনের ফিশ্চুলা রোগী রয়েছে, এর মধ্যে বেশিরভাগ রোগী প্রসবজনিত ফিশ্চুলায় ভোগেন।

বাল্যবিবাহ এবং অল্প বয়সে গর্ভধারণ এর একটি প্রধান কারণ।

তবে, সমাজে নারীর প্রতি রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অনেক সময়ই আক্রান্ত নারীরা সময়মত চিকিৎসা নিতে আসেন না।

অধ্যাপক ফেরদৌসি ইসলাম বলছেন, চিকিৎসার ব্যবস্থা আগের চেয়ে বাড়লেও এখনো অনেকে জানেনই না এর চিকিৎসা সম্পর্কে।

তিনি বলছেন, এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ন্যাশনাল ফিশ্চুলা সেন্টারে ৩৫টি বেড আছে।

এছাড়া আরো দশটি সরকারী হাসপাতালে ফিশ্চুলা কর্ণার আছে।

এর বাইরে বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতালেও এর চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু সেসব জায়গায় রোগীরা অনেক কম যান।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই নারীদের মধ্যে, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হবার সংখ্যা বেশি।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক তহবিল, ইউএনএফপিএ এবং বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে এনিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর