কথিত বন্দুকযুদ্ধে কারা নিহত হলেন

Image caption বাংলাদেশ পুলিশ

বাংলাদেশের পুলিশ বলছে ঢাকা ও রাজশাহীতে তাদের আলাদা দুটি অভিযান চালানোর সময় কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে নিহতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবির সদস্য।

পুলিশ বলেছে, ঢাকায় তাদের অভিযানে নিহত দু’জনের একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যায় জড়িত ছিল বলে তারা নিশ্চিত হয়েছে।

পুলিশ আরও দাবি করেছে, ঢাকায় এবং রাজশাহীতে তাদের অভিযানে নিহত তিনজন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র সদস্য হিসেবে দেশটির উত্তরাঞ্চলে কয়েকটি জঙ্গি হামলায় জড়িত ছিল।

পুলিশের মিডিয়া বিভাগের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান বলেছেন, “ঢাকায় নিহতদের একজনের নাম তারেক হোসেন মিলু ওরফে ওসমান। তার বাড়ি দিনাজপুরে। এই তারেক হোসেন মিলু সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ড এবং দিনাজপুরের কাহারোলে মন্দিরে হামলায় জড়িত ছিল।”

পুলিশ এটা নিশ্চিত হয়েছে বলে মি: রহমান উল্লেখ করেছেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, ঢাকায় পুলিশি অভিযানে নিহত জঙ্গিদের অপরজন সুলতান মাহমুদ ওরফে রানা। তার বাড়ি জয়পুরহাটে। তিনি বগুড়ায় শিয়া মসজিদে হামলায় জড়িত ছিলেন।

ঢাকায় এই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান সম্পর্কে পুলিশ বলেছে, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র ৫/৬জনের একটি দল নাশকতা করার জন্য ঢাকায় আসছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঢাকার পল্লবীর কালশী এলাকায় অভিযান চালাতে গেলে জঙ্গি দলটি পুলিশের ওপর বোমা হামলা করে এবং গুলি করে।

তখন পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে গোলাগুলিতে ঐ দু’জন জঙ্গি নিহত হয়।

রাজশাহীতে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জামালউদ্দিন নামে নিহত যুবকও জেএমবি সদস্য এবং রাজশাহীর বাঘমাড়ায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মসজিদে হামলায় জড়িত ছিল বলে সেখানকার পুলিশ বলেছে।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর