শিয়া মসজিদে হামলা মামলার আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

ছবির কপিরাইট Google Maps
Image caption বগুড়ার শিবগঞ্জে শিয়া মসজিদে হামলার একজন আসামী পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছে

বগুড়ার শিবগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বুধবার ভোর ৬টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলায় জামতলী লোহার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহত ব্যক্তি গত বছর বগুড়ার শিবগঞ্জে শিয়া মসজিদ হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ বলছে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) একজন সদস্য ছিলেন।

গত দুইদিনে এ নিয়ে সারাদেশে পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে চারজন নিহত হলেন, যারা সবাই জেএমবির সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বগুড়া জেলা পুলিশ জানতে পারে যে শিয়া মসজিদ হামলায় সরাসরি জড়িত কয়েকজন জেএমবি সদস্য আজ আবার হামলা করবে। সে তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোর সাড়ে ৩টায় শিবগঞ্জ উপজেলায় জামতলী লোহার ব্রিজ এলাকায় পুলিশের একটি দল অভিযান চালায় এ সময় পুলিশের উপর হামলা হলে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে সেখান থেকে কাউসারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে পুলিশ তাদের কাছে থাকা ছবির সাথে মিলিয়ে দেখতে পায় যে, নিহত ব্যক্তি কাউসার, যিনি শিয়া মসজিদ হামলা মামলায় একজন আসামি।

এ ঘটনায় পুলিশের দুইজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জের কীচক ইউনিয়নের শিয়া মসজিদে মাগরিবের নামাজের সময় এলোপাথাড়ি গুলি করে দুর্বৃত্তরা। এতে কয়েকজন আহত হন এবং পরে হাসপাতালে একজন মারা যান।

মঙ্গলবার ঢাকা ও রাজশাহীতে পুলিশের আলাদা দুটি অভিযান চালানোর সময় কথিত বন্দুক যুদ্ধে সন্দেহভাজন তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তারাও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তাদের একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যা এবং দিনাজপুরের কাহারোলে মন্দিরে হামলায় জড়িত ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সন্দেহভাজন জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশের কথিত বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো যখন চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী, নাটোরে খ্রিস্টান ব্যবসায়ী এবং ঝিনাইদহে হিন্দু পুরোহিত হত্যার ঘটনাগুলো ঘটেছে।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর