'আশ্বস্তের বার্তা' দিতে ১৪ দলের ঝিনাইদহ সফর

ছবির কপিরাইট Google Maps
Image caption সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনের উপর হামলার প্রেক্ষাপটে আজ ঝিনাইদহ সফরে যাচ্ছেন ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনের ওপরে বেশ কয়েকটি হামলার প্রেক্ষাপটে আজ ঝিনাইদহ জেলা সফরে গেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।

তারা এই সফরটি এমন সময়ে করছেন, যখন বাংলাদেশের অনেক জেলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং পুলিশ দেশব্যাপী জঙ্গি দমনে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ঝিনাইদহে একজন হিন্দু পুরোহিতকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার প্রায় একসপ্তাহ পরে জেলাটিতে সফরে গেছেন ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ। পরে তাদের পাবনা এবং আরো কয়েকটি জেলা সফরের কথা রয়েছে।

পাবনায় একটি সেবাশ্রমের সেবককে কয়েকদিন আগে কুপিয়ে হত্যা করে আততায়ীরা।

জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বিবিসিকে বলছেন, ''সাম্প্রতিক সময়ে যেসব দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, আমরা মনে মনে করি এই সময় এসব পরিবারের পাশে থাকা আর আর সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ করতেই তাদের এই উদ্যোগ।''

এমন প্রেক্ষাপটে আজ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ ঝিনাইদহ যাচ্ছেন এবং কদিন পর পাবনা সফর করবেন। ঠিক কি কারণে ১৪ দলের এই সফর?

মোহাম্মদ নাসিম বলছেন, ''এসব গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে এবং স্থানীয় মানুষজনকে সাহস যোগাতে রাজনৈতিক কর্মসূচীর অংশ হিসাবেই আমরা সেখানে যাচ্ছি।''

তিনি বলছেন, ''এটা আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচীর একটি অংশ। সাধারণ মানুষকে আমরা এই বার্তাটি দিতে চাই যে, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।''

বাংলাদেশের অনেক স্থানেই তো এরকম ঘটনা ঘটছে। আর কোথায় কোথায় যাবেন তারা? জানতে চাইলে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ''সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এভাবে নিরীহ মানুষের মধ্যে আতংক তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেজন্য আজ আমরা ঝিনাইদহে যাচ্ছি, কয়েকদিন পরেই পাবনায় যাবো।''

কয়েকদিন আগে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের এমন কয়েকটি জেলায় গিয়েছেন, যেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এটা কি ১৪ দলের জন্য বা সরকারের জন্য কোন চাপ তৈরি করছে?

মোহাম্মদ নাসিম বলছেন, ''এখানে চাপের কিছু নেই। সহমর্মিতা জানানোর জন্য তারা যেতে পারেন, যে কেউ যেতে পারে। যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলোয় মামলা, তদন্ত বা গ্রেপ্তার, এসব নিয়মিত কার্যক্রম তো চলছেই।''

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর