মাদারীপুরের আহত কলেজ শিক্ষক আশংকামুক্ত

ছবির কপিরাইট Zahirul Islam Khan
Image caption আহত কলেজ শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী আশংকামুক্ত বলে চিকিৎসকরা স্বজনদের জানিয়েছেন

মাদারীপুরে কুপিয়ে আহত করা কলেজ শিক্ষক আশংকামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক রিপন চক্রবর্তী বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তার একজন আত্মীয় মিঠুন চক্রবর্তী জানান, 'তিনি এখন আশংকামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।'

ওই হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে মাদারীপুরে বিক্ষোভ করেছেন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় আর কলেজের শিক্ষার্থীরা। সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা আর গুপ্তহত্যা যারা করছে, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচার করার জন্য তারা দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার বিকালের ওই হামলার ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এর মধ্যেই আটক যুবককে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকালে মাদারীপুর নাজিমউদ্দীন কলেজের গণিতের প্রভাষক রিপন চক্রবর্তীর ওপর এই হামলা চালানো হয় কলেজের পাশে তার ভাড়া বাসায়।

পুলিশ আরও জানিয়েছেন, হামলাকারী তিনজনের একজনকে জনতা ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

ছবির কপিরাইট facebook
Image caption মাদারীপুরের সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজের একজন শিক্ষকের উপর বুধবার বিকালে হামলার ঘটনা ঘটে

মাদারীপুর থানার ওসি জিয়াউল মোরশেদ জানান, শিক্ষক রিপন চক্রবর্তীর বাসায় তিনজন অজ্ঞাতনামা লোক এসে দরোজায় নক করে। দরোজা খোলার পরই তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে।

চিৎকার শুনে লোকজন জড়ো হলে হামলাকারীরা পালাতে শুরু করে। দুজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ফাইজুল্লাহ ফাহিম নামে একজনকে জনতা ধরে ফেলে।

পুলিশ বলছে, হামলাকারীদের একজনকে যেহেতু হাতে-নাতে ধরা গেছে, তাই জিজ্ঞাসাবাদে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশা করছে।

বাংলাদেশে একের পর এক যেসব সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে, তার সঙ্গে সর্বশেষ এই হামলার ঘটনার মিল আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশে জঙ্গি হামলা বন্ধের লক্ষ্যে এখন দেশজুড়ে যে অভিযান চলছে, তার মধ্যে এটি এ ধরণের দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। এই অভিযানের প্রথম দিনেই পাবনায় একটি হিন্দু সেবাশ্রমের এক সেবককে হত্যা করা হয়।

এই খবর নিয়ে আরো তথ্য

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর