‘দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কোন দেশে নেই’

বিবিবি ছবির কপিরাইট MUNIR UZ ZAMANAFPGetty Images
Image caption ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের সাথে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে

বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত।

বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের বৈঠকে গতকাল নেয়া হয়েছে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত। যেগুলো নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা।

বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দল নির্বাচনের নতুন প্রক্রিয়ায় তিন সদস্যের নির্বাচক প্যানেলের সঙ্গে যোগ হবে নির্বাচক কমিটি।

ক্রিকেট পরিচালনা-প্রধানের নেতৃত্বাধীন এই কমিটিতে থাকবেন জাতীয় দলের কোচ এবং ম্যানেজার।

প্রধান নির্বাচকের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেল দল গঠনের আগে কমিটির সঙ্গে বসে তাদের চাহিদা জানবে এবং দল নির্বাচনের পর আবারও আলোচনায় বসে খেলোয়াড় তালিকায় সবার সম্মতি নেবে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এরপর সেটি যাবে সভাপতির কাছে।

চন্ডিকা হাথুরুসিংহের কোচ থাকাকালীন বাংলাদেশ দল বেশ কিছু উল্লেখ যোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু কোচের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় থাকাটা কতটা নিয়মিত ঘটনা?

ছবির কপিরাইট Getty
Image caption চন্ডিকা হাথুরুসিংহের কোচ থাকাকালীন বাংলাদেশ দল বেশ কিছু উল্লেখ যোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

ক্রিকেট বিশ্লেষক সাবেক ক্রিকেটার রাকিবুল হাসান বলছিলেন ‘দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটা ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রক্রিয়া আমাদের এখানে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের মত এই সিস্টেম এখন কোন দেশে নেই’ । তিনি বলছিলেন হয়ত কোঅপারেশনের সমস্যা হচ্ছিল সিলেকশন কমিটির সাথে কোচের।

এদিকে টিম ম্যানেজারকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। কারণ বলা হয় টিম ম্যানেজারের কাজটা দলের আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা।

সে পদে ক্রিকেটের বাইরের কেও থাকতে পারেন। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্যে যারা থাকেন তারা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই থাকেন।

রাকিবুল হাসান বলছিলেন “টিম ম্যানেজারকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখাতে আমার মত অনেকেই অবাক হয়েছেন। কারণ যখন টিম ট্যুর করে তখন টিম ম্যানেজারের যদি ক্রিকেট ব্যাকগ্রাউন্ড থাকে তাহলে তাকে সাথে নেয়া হয় কিন্তু দেশের মধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখাতে আমার খটকা লেগেছে”।

২০১৯ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বোর্ডের এইসব সিদ্ধান্ত কতখানি ফলপ্রসূ হয় সেটাই এখন দেখার জন্য উদগ্রীব ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর