বাংলাদেশে মেসি ভক্তদের ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া

bbc ছবির কপিরাইট AFP
Image caption মেসির চোখেমুখে ফুটে ওঠে হতাশা

লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে আর খেলবেন না- এমন ঘোষণার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে তার সমর্থকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।

অনেকে আবেগে আপ্লুত হচ্ছেন তার বিদায়ের ঘোষণায় আবার অনেকে তার পারফরমেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

কোপা আমেরিকার ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে চিলির বিপক্ষে হেরে যায় আর্জেন্টিনা।

টাইব্রেকারের প্রথম শটে মেসি গোল মিস করেন। খেলার ফলাফলের পর তার চোখেমুখে ফুটে ওঠে চরম হতাশা, গ্যালারিতে বসে থাকা মেসি ভক্তদের মুখেও তখন একই রকম ছবি দেখা যায়।

মেসি মাথায় হাত দিয়ে মাঠে কিছুক্ষণ বসে থাকেন সেসময়।

খেলাটি বাংলাদেশ সময় সকাল ছয়টায় শুরু হয়ে সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ চলে। এর ঘণ্টা কয়েক পরে ঘোষণা আসে মেসির অবসরের।

ছবির কপিরাইট Reuters
Image caption অনেকে মেসির অবসরের ঘোষণায় দু:খপ্রকাশ করেছেন

তারপরেই সরগরম হয়ে ওঠে ফেসবুক। আর্জেন্টিনার পরাজয়ের খবর যত না আলোচনা হয় তার চেয়ে বেশি হয় মেসির বিদায়ের খবর।

অনেকে মেসির আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা না করার সিদ্ধান্তে দু:খ প্রকাশ করেছেন।

সবুজ সজিব নামে একজন লিখেছেন “ আর আমি ফুটবল খেলা দেখা থেকে অবসর নিতে চলেছি। মেসি, আমরা সবাই তোমাকে ভালোবাসি”।

নাসির আহমেদ লিখেছেন “মেসির অবসর আমি মেনে নিতে পারিনা মেসির তুলনা শুধু মেসি নিজেয় তার সাথে কারো তুলনা চলেনা।♥♥♥I LOVE BOOS♥♥”

তবে অনেকেই ম্যাচে তার পারফরমেন্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নুরুল আমিন লিখেছেন “ এত বড় একটি গোল পোষ্ট পেয়েও বল জালে ঢুকাতে পারেনা, সে পদত্যাগ করাই উচিত।তার আবার কষ্ট কি?”

Image caption বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় কয়েক জনের মন্তব্য

বিবিসি বাংলার ফেসবুক পাতায় মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের খবরে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

আনোয়ার হোসেন অনিক লিখেছেন “ মেসি এত নামি দামি খেলোয়াড় হয়ে নিজের দেশের জন্য কি করতে পেরেছে?”

নিশাত নিশু লিখেছেন “ মেসি এ সিদ্ধান্ত নিলো কেন।এটা কখনই আশা করিনি।না মেসি আবার ফিরবে।এটা যেনও শুধু অভিমান হয়”।

রিয়েন সাকির লিখেছেন “ আজকে খেলার সব স্মৃতি ভুলে থাকতে পারবো। কিন্তু মেসির সেই দুঃখ ও কষ্টে ভরা মুখখানির কথা ভুলে থাকতে পারবো না। মেসির জন্যই সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে”।

আর আসিফ মুন লিখেছেন “ সেই ২০০৬ সাল থেকে খেলতেছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে! আর কত? অনেক অনেক সুযোগ চলে গেছে”।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর