সহপাঠীরা হামলাকারীদের চিহ্নিত করছে

ছবির কপিরাইট site
Image caption আই এসের দেওয়া একজন হামলাকারীর ছবি

গুলশানের রেস্তোরাঁয় হামলাকারীদের নাম পরিচয় ক্রমশই বেরিয়ে আসছে।

ফেসবুকের মতো সোশাল মিডিয়ায় জিহাদিদের বন্ধু বান্ধবরাই এখন তাদের পরিচয় তুলে ধরছেন।

ইসলামিক স্টেট তাদের যেসব ছবি প্রকাশ করেছে সেগুলোর সাথে মিল আছে এরকম বেশ কিছু ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে।

তাদের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এসব ছবি নেওয়া হচ্ছে, তারপর আই এসের দেওয়া ছবির পাশাপাশি বসিয়ে সেগুলো শেয়ার করা হচ্ছে সোশাল মিডিয়াতে।

স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা তাদেরকে শনাক্ত করে তাদের সম্পর্কে নানা রকমের তথ্য দিচ্ছেন।

এদের ছ’জন কমান্ডো অভিযানের সময় নিহত হয়েছে। একজন নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আই এসের প্রকাশিত জিহাদিদের ছবিতে দেখা যায়, তারা সবাই কালো পাঞ্জাবি পরে আছে।

একই কায়দায় অস্ত্র ধরে হাস্যমুখে তাকিয়ে আছে ক্যামেরার দিকে। মাথায় আরবদের মতো ফেটি বাঁধা।

দেখে মনে হয় তাদের সবার হাতে একটাই অস্ত্র। এবং পেশাদারদের ভঙ্গিতে অস্ত্রটি ধরে রেখেছে।

একজন বাদে বাকি প্রত্যেকেরই হাতের আঙ্গুল বন্দুকের ট্রিগার থেকে দূরে।

তাদের পেছনে কালো ব্যানারে আরবি লেখা।

ছবির কপিরাইট AP
Image caption হলি আর্টিজান বেকারিতে কমান্ডো অভিযানে ৬জন জিহাদি নিহত হয়

বলা হচ্ছে এরা সবাই উচ্চশিক্ষিত। সচ্ছল পরিবারের সন্তান।

বেসরকারি স্কুল কলেজে লেখাপড়া করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও বলেছেন, এরা ধনী পরিবারের সন্তান। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া।

তিনি বলেছেন, এরা কেউই কখনো মাদ্রাসায় পড়তে যায়নি।

তিনি বলেছেন, তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা দেশের ভেতরেই বেড়ে ওঠা স্থানীয় জঙ্গি।

মি. খান দাবি করেছেন, হামলাকারীরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশে বা জেএমবির সদস্য।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের অনেকেই ধারণা করছেন, বেসরকারি এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষিত তরুণদের মগজ ধোলাই করে রিক্রুট করা হচ্ছে।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর