ব্রিটেনের নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন?

Image caption তেরেসা মে ব্রিটেনে মার্গারেট থ্যাচারের পর দ্বিতীয় কোন নারী প্রধানমন্ত্রী

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর টেরেসা মে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ দেয়া শুরু করেছেন। মার্গারেট থ্যাচারের পর ব্রিটেনের ইতিহাসে দ্বিতীয় কোন নারী প্রধানমন্ত্রী তিনি।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর টেরেসা মে বলেছেন, শুধু গুটি কয়েক সুবিধাভোগীর জন্য তিনি কাজ করবেন না বরং ধনী গরীবের মধ্যে তফাত ঘোচাতে কাজ করবেন।

তবে নতুন মন্ত্রীসভার কয়েকজন সদস্যের নাম ঘোষণার পর লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসনের নিয়োগে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন।

ছবির কপিরাইট EPA
Image caption নতুন কেবিনেটে বরিস জনসন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষের ক্যাম্পেইনার লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন নিয়োগ পেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেলেন আম্বার রাড। তিনি অবশ্য ব্রিটেনের ইইউতে থাকার পক্ষে ছিলেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মিচাইল ফ্যালন।

ইইউ থেকে বেরিয়ে আসার পর নানান দেন-দরবার করার জন্য টেরেসা মে নিয়োগ দিয়েছেন আর এক লিভ ক্যাম্পেইনার ডেভিড ডিভিসকে, ব্রেক্সিট মন্ত্রী হিসেবে।

ছবির কপিরাইট PA
Image caption স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তেরেসা মে'র স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন আম্বার রাড

অন্যদিকে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড পেয়েছেন অর্থমন্ত্রীর পদ। জর্জ অজবোর্নকে মন্ত্রিসভা থেকে বিদায় করে দিয়ে তিনি অনেককেই অবাক করেছেন।

পূর্ণ মন্ত্রিসভা সম্পর্কে তিনি আজই ঘোষণা দেবেন। এতে ব্রিটেনের ইইউ ছাড়ার পক্ষের ও থাকার পক্ষের ক্যাম্পেইনারদের মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে।

গত ২৩শে জুন ঐতিহাসিক এক গণভোটে ব্রিটেন ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জয়ী হয়। সেদিনই পদত্যাগের ঘোষণা দেন ডেভিড ক্যামেরন।

রানী এলিজাবেথ ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করার পরপরই টেরিসা মেকে সরকার গঠনে আহবান করেন। রানী এলিজাবেথের শাসনামলের ১৩তম প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে।

এদিকে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’কে অভিনন্দন জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঙ্গেলা মের্কেল এবং ফরাসী প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওঁল্যাদ।

চিঠিপত্র: সম্পাদকের উত্তর