ব্রিটিশ নির্বাচন ২০১৯

  1. ছয় বছর আগে প্রথমবার রাজনীতিতে যোগ দেন নাদিয়া হুইটমোর

    দান, তহবিল গঠন, নিজ এলাকার তৃণমূল পর্যায়ের প্রকল্প তৈরির মত কাজগুলোতে অর্থায়ন করার উদ্দেশ্যে বেতনের অর্ধেকের বেশি খরচ করার ঘোষণা দিয়েছেন ২৩ বছন বয়সী ব্রিটিশ এমপি নাদিয়া হুইটমোর।

    বিস্তারিত যদি জানতে চান
    next
  2. বিবিসি টেলিভিশনে নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করেছেন রিটা চক্রবর্তী

    যুক্তরাজ্যের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার প্রকাশিত ফলের উপর ভিত্তি করে, প্রথমবারের মত বিবিসি নিউজ এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যেটি পুরোটাই লিখেছে কম্পিউটার।

    বিস্তারিত যদি জানতে চান
    next
  3. যুক্তরাজ্য নির্বাচন ২০১৯: ফলাফল এক নজরে

    ব্রিটিশ নির্বাচন
    Image caption: ব্রিটিশ নির্বাচন

    ব্রিটিশ নির্বাচনের খবর এক নজরে:

    • ব্রিটেনের রানি বরিস জনসনকে নতুন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
    • বৃহস্পতিবার ১২ই ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনের একটি আসনের ফল ঘোষণা এখনও বাকি আছে। ঘোষিত ফলাফলে কনসারভেটিভ দল ৭৮টি আসনের সংখ্যারিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। ৬৫০ আসনের পার্লামেন্টে কনসারভেটিভ দল পেয়েছে ৩৬৪টি আসন।
    • ১৯৮০-র দশকের পর গত তিন দশকে এটি দলের সবচেয়ে ভাল ফল।
    • জয়ের পর বরিস জনসন বলেছেন তিনি একটা “জনগণের সরকারে” নেতৃত্ব দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং তার ওপর ভোটাররা যে আস্থা দেখিয়েছেন তা তিনি পূরণ করবেন।
    • বিরোধী লেবার পার্টির জন্য নির্বাচনী ফলাফল ছিল ‘বিপর্যয়কর’। তারা ৫৯টি আসন হারিয়েছে। পার্লামেন্টে তারা পেয়েছে ২০৩টি আসন। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দলের সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন ফল।
    • উত্তর ও মধ্য ইংল্যাণ্ডের শিল্প এলাকায় লেবার পার্টির দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ভোটারদের ভোট পেয়েছে কনসারভেটিভ পার্টি।
    • লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন তার উত্তরসূরী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দলের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে তিনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন না।
    • মি. করবিনের ঘনিষ্ঠ কিছু সহযোগী খারাপ ফলের কারণ হিসাবে ব্রেক্সিট প্রশ্নে দলের অস্পষ্ট অবস্থানকে দায়ী করেছে। তবে সমালোচকরা বলছেন জেরেমি করবিনের জনপ্রিয়তার অভাবও দলের বিপর্যয়কর ফলের অন্যতম বড় একটা কারণ।
    • বিরোধী দল লিবারেল ডেমোক্রাটের নেতা জো সুইনসন তার আসনে হেরে গেছেন। তার দলও ভাল ফল করতে পারেনি। দলের নেতৃপদ ছাড়তে হয়েছে জো সুইনসনকে।
    • স্কটল্যাণ্ডে স্বাধীনতাকামী দল এসএনপি সংসদে তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়েছে ১৯টি। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্কটল্যাণ্ডের জন্য নির্ধারিত যে ৫৯টি আসন রয়েছে তার ৮১ শতাংশতেই জিতেছেএসএনপি।
    • এসএনপি নেত্রী নিকোলা স্টারজেন বলেছেন এই ফলাফল স্কটল্যাণ্ডের স্বাধীনতার জন্য আরেকটি গণভোটের ম্যানডেটকে আরও জোরালো করবে।
    • উত্তর আয়ারল্যাণ্ডে ডিইউপি দলের ভরাডুবি হয়েছে। এই প্রথমবারের মত, জাতীয়তাবাদী দলগুলো, ব্রিটেনের সঙ্গে থাকতে চায় এমন দলগুলোর থেকে বেশি আসন পেয়েছে।
  4. যুক্তরাজ্যের অখণ্ডতার ওপর এই নির্বাচনের ফলাফল কী প্রভাব ফেলতে পারে?

    বিবিসির রাজনৈতিক সংবাদদাতা ক্রিস মেসন বলছেন, এই ফলাফল একটা অখণ্ড দেশ হিসাবে যুক্তরাজ্যের টিকে থাকার ওপর একটা চাপ তৈরি করবে।

    ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্কটল্যাণ্ডের জন্য নির্ধারিত যে ৫৯টি আসন রয়েছে তার ৮১ শতাংশতেই সেখানকার প্রধান দল এসএনপি জিতেছে।

    এরপর আছে উত্তর আয়ার্ল্যাণ্ড।

    এই প্রথমবারের মত, জাতীয়তাবাদী দলগুলো, ব্রিটেনের সঙ্গে থাকতে চায় এমন দলগুলোর থেকে বেশি আসন পেয়েছে।

    এটা এখন সবাই জানে যে ইউরোপ ছাড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যে ব্রেক্সিট চুক্তি করেছেন, তাতে ইইউর সঙ্গে উত্তর আয়ার্ল্যাণ্ডের যে সম্পর্কের রূপরেখা দেয়া হয়েছে তা যুক্তরাজ্যের অন্যান্য অংশের থেকে আলাদা।

    বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণের সময় নিজেকে বর্ণনা করেছেন “অখণ্ডতার পক্ষের মন্ত্রী” হিসাবে। এবং সেটা তিনি করেছেন সঙ্গত কারণেই অর্থাৎ ব্রিটেন ভেঙে যেতে পারে এমন আশংকা থেকেই।

    কাজেই ব্রিটেনকে একসঙ্গে রাখা অর্থাৎ ইংল্যাণ্ড, উত্তর আয়ার্ল্যাণ্ড এবং স্কটল্যাণ্ডের অখণ্ডতা টিকিয়ে রাখার চাপটা খুবই বাস্তব।

    নির্বাচনের দিনে ব্রিটেনের একটি ভবনে যুক্তরাজ্যের পতাকা
    Image caption: ব্রিটেনের অখণ্ডতা চাপের মুখে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা
  5. জয়ের পর বরিস জনসন যা বললেন

    ব্রিটেনের কনসারভেটিভ নেতা বরিস জনসন বলেছেন, ভোটারদের আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি রাত-দিন কাজ করবেন।

    নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর লন্ডনে এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই জয়ের মাধ্যমে তিনি ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনবেন।

    এখানে কোন ‘যদি, কিন্তু’ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    যারা প্রথমবারের মতো কনসারভেটিভকে ভোট দিয়েছে তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে মি. জনসন বলেন তারা পরিবর্তন চায়।

    মি. জনসন বলেন, “মানুষ পরিবর্তন চায়। তাদের হতাশ করা উচিত নয়, হতাশ করবো না।”

    বরিস জনসন
  6. টিউলিপ, রুশনারা, রূপা

    আগের পার্লামেন্টে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি ছিলেন তিনজন। এবারে যেমন একজন বেড়েছে, তেমনি তারা শুধু জয়লাভই করেননি, প্রতিপক্ষের সাথে তাদের ভোটের ব্যবধানও বেড়েছে অনেক বেশি।

    বিস্তারিত যদি জানতে চান
    next
  7. সবচেয়ে বেশি নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছে এ নির্বাচনে

    ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে এবার সবচেয়ে বেশি নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এর মধ্যে বিরোধী লেবার পার্টি থেকে ১০৪ জন নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

    এদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নারী প্রার্থী রয়েছেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন কনসারভেটিভ থেকে ৮৬ জন নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

    ৪০ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে ব্রিটেনে একজন নারী প্রার্থীও জয়লাভ করেননি। কিন্তু ২০১৯ সালে এ সংখ্যা ২০০’র বেশি হয়েছে।

  8. বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    নির্বাচনে জয়ের জন্য বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট করেছেন। মি: ট্রাম্প লিখেছেন, ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনভাবে নতুন একটি বড় ধরণের বাণিজ্য করতে পারবে। মি: ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই চুক্তি অনেক বড় এবং আকর্ষণীয় হবোর সম্ভাবনা রয়েছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প
  9. বিপুল জয় নিয়ে ফিরে আসলো কনসারভেটিভরা

    ব্রিটেনের সাধারন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন কনসারভেটিভরা আবারো জয়লাভ করেছে। সরকার গঠন করার জন্য ৩২৬টি আসনের প্রয়োজন হলেও বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনসারভেটিভরা তার চেয়ে অনেক বেশি আসন পেয়েছে।

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবার পর বরিস জনসন বলেন, আগামী মাসে ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনার ম্যান্ডেট দেবে এই জয়।

    বিবিসি পরিচালিত বুথ ফেরত জরিপে বলা হয়েছিল যে কনসারভেটিভরা ৩৬৪ আসনে জয়লাভ করবে। অন্যদিকে লেবার পার্টি পােব ২০৩টি আসন।

    এর অর্থ হচ্ছে, ১৯৮৭ সালে মার্গারেট থ্যাচারের নেতৃত্বে নির্বাচনের পর থেকে এটাই হবে কনসারভেটিভদের সবচেয়ে বড় জয়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই জয়ের ফলে বরিস জনসনের জন্য ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করা সময়ের ব্যাপারে মাত্র।

    অন্যদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে লেবার পার্টি নির্বাচনে এতোটা খারাপ কখনো করেনি।

    বরিস জনসন
  10. Boris Johnson

    যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ডাউনিং স্ট্রিটে ফিরে এসেছেন বরিস জনসন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে আসার চূড়ান্ত কাজটি তাকে করতে হবে। কিন্তু কীভাবে তিনি এই পর্যন্ত এলেন?

    বিস্তারিত যদি জানতে চান
    next
পৃষ্ঠা 1 এর মধ্যে 2